Art World Shakeup: Legendary Gallery Splits After 35 Years — Who Really Wins When Titans Divorce?
শিল্পজগতে ধাক্কা: ৩৫ বছর পর ঐতিহ্যবাহী গ্যালারির বিচ্ছেদ — মহানায়কেরা আলাদা হলে আসল বিজয়ী কে?

তাহলে শুরু হচ্ছে শিল্পজগতের সম্ভবত সবথেকে ভদ্র বিচ্ছেদের। ৩৫ বছর পর মাইকেল ভার্নার আর গর্ডন ভেনেক্লাসেন আনন্দে মিলে ভাগ করছেন তাদের তৈরি গ্যালারি সাম্রাজ্য। ভার্নার ফিরছেন বার্লিনে, ভেনেক্লাসেন নিচ্ছেন নিউ ইয়র্ক, লন্ডন আর এলএ। কোনো গালাগালি নয়, কোনো মামলা নয়—শুধু নীল-স্টোক শিল্পীদের মনোপলি খেলার জমির মতো আচল বদলে নেওয়া।
আসল কৌতূহল কী? কে কার সাথে থাকছে তা তারা বলছে না। তবে ঐতিহাসিক প্রদর্শনী আর ঐতিহ্য প্রকল্পে তারা একসঙ্গে কাজ করবে বলছে। আচ্ছা তো! যেমন দুই বিচ্ছিন্ন স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের আয়োজন করে। তবে আরেকটা 'আর্টওয়াশিং'-এর ঘটনা এড়িয়ে গেলাম তো। ধন্যবাদ, আলোর পাশে ছায়া থাকেই—তাই না?
ঠিক আছে, বাস্তব কথা বলি: ৩৫ বছর পর একটি গ্যালারি ভাগ করা ‘বিবাহবিচ্ছেদ’ নয়—সেটা উলো সোয়েটার পরা শত্রুতাপূর্ণ দখলকরণ। কেউ তিনটি প্রধান কৃতিত্বপূর্ণ শহর পেয়ে যাচ্ছে? এটা ভদ্র নয়, কৌশল। ভেনেক্লাসেন ১৯৯০ সালে ‘পৌঁছেননি’—তিনি নিউ ইয়র্ক গড়ে তুলেছিলেন। আর এখন তিনি সেটা নিচ্ছেন, আরও দুটো সহ। এটা ভাগাভাগি নয়। এটা প্রকাশ্যে সৌন্দর্য আর প্রকৃত ক্ষমতার নৃত্য।
সবাই মূল বিষয় হারাচ্ছেন। ‘বিচ্ছেদ’ শুধু প্রশাসনিক শব্দের শোরগোল। যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো ঐতিহাসিক শিল্পীদের ঐতিহ্য চালিয়ে যাওয়া—বইস, আর্প, শভিটার্স। গ্যালারি তাদের মালিক নয়; শিল্প ইতিহাস তাদের মালিক। যদি ভার্নার আর ভেনেক্লাসেন যৌথভাবে তাদের কাজ নিয়ে থাকেন, তবে সংস্কৃতির বিজয় হবে, পুঁজিবাদের নয়।
হ্যাঁ রে! ‘সংস্কৃতির জন্য বিজয়’? মনে করেন গ্যালারি ভালোবাসা আর কবিতায় চলে? এগুলো ব্যবসা। আর যখন একজন নিউ ইয়র্ক, এলএ, লন্ডনের ঠিকানা নিয়ে চলে যান, আর অন্যজন বার্লিনে পিছিয়ে যান—ভাবুন তো, কে বাজারের দৃশ্যমানতা নিয়ন্ত্রণ করবে? এটা কোনো ঐতিহ্য নয়। এটা ক্যানভাস দিয়ে রিয়েল এস্টেটের দাবা।
আমার ভাবনা থাকছে নতুন শিল্পীদের জন্য—ক্যান্তারভস্কি, উড, ক্রিউয়ার। তারা কার দলে পড়বে? তাদের কেরিয়ার এখনো উঠছে। এখন বাজারে অস্থিতি হলে তাদের গতি কমে যেতে পারে। আর এথেন্স শাখাটা কী হবে? এটা কি… মিলিয়ে গেল?
ভার্নার ১৯৬৩ সালে এটি শুরু করেন। কোলোন, ১৯৬৯। ‘সাম্রাজ্য’ আসলে তাঁর ছিল। ভেনেক্লাসেন ১৯৯০ এ যোগ দেন। তাই আমি বার্লিনকে আসল উত্তরাধিকারী মানলে আমাকে ক্ষমা করুন। এলএ আর লন্ডন মডেল শো। বার্লিনের কাছে আর্কাইভ। আত্মা।
ফ্যাশন শো? ওহ। মনে করেন এলএ তে গভীর সংগ্রহকারী নেই? বা ভেনেক্লাসেন সেই জায়গাগুলো জিততে পারেননি? তিনি পুরো অপারেশন বাড়িয়েছেন। এলএ নিয়ে ঠাট্টা করা যায় না। ৩৫ বছরের অংশীদারিত্বও তেমন নয়। কাউকে নিউ ইয়র্ক দেওয়া হয় না। তিনি নিজে বানিয়েছেন।
সত্যি বলতে? ফিরিয়ে এলে না কর্মকক্ষ ভাঙে বা জিনিস পাঠানোর সময় দেরি হয়, তাহলে আমি খুশি। শিল্পীরা শান্তি চায়। চেক ফিরে না আসা পর্যন্ত আমরা বার্লিন আর নিউ ইয়র্কের বিতর্কে মাথা ঘামাব না।
নিলামের ফলাফল দেখুন। সেখানেই আসল গল্প লুকিয়ে। যদি ‘নতুন’ ভেনেক্লাসেনের শিল্পীরা কম মূল্যে বিক্রি হয়, বা ভার্নারের বার্লিনের তালিকা আটকে থাকে, তখনই জানা যাবে কে আসল সোনার হাঁসকে ধরে ছিল। তার আগে এসব শুধু সংবাদ বিজ্ঞপ্তির নাটক।