Is the 'Coalition of the Willing' Becoming Ukraine’s Real-World Avengers Assemble?
আসল জীবনের অ্যাভেঞ্জার্স জড়ো করছে কি 'ইচ্ছুক জোট'?

তো, ইউক্রেনের নিরাপত্তা দায়িত্ব নেওয়া মানুষটি রুবিও, কাশনার আর উইটকফের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বড় নামগুলো এবং ইইউ-এর নিরাপত্তা কর্তাদের সাথে মিটিং করলেন। এটা আর সাধারণ জুম কল নয়। ৩ জানুয়ারির 'ইচ্ছুক জোট'-এর পরামর্শক সম্মেলন মাসের শেষে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য পাতার আয়োজন করছে।
কিন্তু সত্যি বলতে: 'স্পষ্ট ফলাফল' হল কূটনৈতিক ভাষায় 'আমরা এখনো বেশি কিছু করিনি, কিন্তু অবশেষে কিছু করছি'—এর কোড। আর যদি ট্রাম্পের দল জড়িত থাকে, তো আয়নায় অঙ্কন আর প্রকৃত কৌশল নাকি খেলা হচ্ছে।
'ইচ্ছুক জোট'-এর সম্মেলনটা হল মঞ্চনাটক, কোনো নীতি নয়। প্রকৃত প্রভাব ছাড়াই 'সক্রিয়' আচরণ দেখানোর জন্য এটা তৈরি। আসল সৈন্যদের মোতায়েন বা অস্ত্র সরবরাহ নিশ্চিত হলে আমাকে ডাকুন, শুধু কোঅর্ডিনেশন কলের বদলে।
আসলে, প্রতীকী সমন্বয়ও যুক্তিপূর্ণ হতে পারে। এটি আস্থা তৈরি করে, বার্তার মিল আনে, জোটবান্ধবদের একই পৃষ্ঠায় রাখে। আগের আলোচনা ছাড়া আপনি ট্যাংক মোতায়েন করতে পারবেন না।
আস্থা? জ্যারেড কাশনারের সঙ্গে এক ঘরে? দয়া করে। এটা পারফরম্যান্স আর্ট, কূটনীতি নয়।
সমস্যা মিটিং নয়—সমস্যা এ যে ন্যাটো এখনো আলোচনা করছে ইউক্রেনকে যোগ করবে কি না। আসল নিরাপত্তা মানে আসল সদস্যত্ব, যুদ্ধ পরিষদের ফ্যান ড্রেস নয়।
তবু, আমাদের ইউক্রেনে, আমরা এখনও টুকরো জুড়ছি। প্রতিটি 'প্রতীকী' মিটিং আরেকটি বিলম্ব মনে হয়। আমাদের আরও 'নাটক' দরকার নয়—আমাদের এখনই বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাই।
হিমশীতল সত্য এটাই: এ বছর ইউক্রেন ন্যাটোর পূর্ণ সদস্য পাবে না। কিন্তু এই মিটিংগুলোই হল জোটগুলোর কাজের ধরন। প্রতিটি আলোচনা বাধ্যবাধকতার জালকে আরও শক্ত করে।
আর যখন জাল যথেষ্ট শক্ত হয়, কোনও নেতা 'আমরা কিছু প্রতিশ্রুতি দেইনি' বলতে পারবেন না। এভাবেই নিরাপত্তা আসল হয়।