Is FSU’s $65M Business School Rebrand a Game-Changer or Just a Giant Named Trophy?
FSU এর ৬.৫ কোটি ডলারের বিজনেস স্কুল নামকরণ কি প্রকৃত পরিবর্তন, নাকি শুধুই একটা বিশাল নামওয়ালা ট্রফি?

FSU একই সাথে ডঃ হারবার্ট ভার্থেইমের কাছ থেকে ৬.৫ কোটি ডলার অনুদান পেয়েছে—এর ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড়। এখন বিজনেস স্কুলের নাম রাখা হচ্ছে তার নামে, আর তৈরি হবে ‘হেলথকেয়ার বিজনেস ইনিশিয়েটিভ’। কিন্তু সত্যি বলতে, যখন এক বিলিয়নিয়ার তার নাম জুড়ে দেন, তখন শিক্ষার্থী সত্যি লাভ করছে কি?
অর্থ ব্যবহার হবে ছাত্রবৃত্তি, শিক্ষকদের বিকাশ, আর—একটু থামুন—হেলথকেয়ার বিজনেস কেন্দ্রিক কাজে। আসলে কি এটি উদ্ভাবন, নাকি একটি বেকার জনস্বার্থের বিশ্ববিদ্যালয়ে জমানো আরেকটি ধনী মানুষের আত্মস্তুতি?
যারা ইউএফ-এ ভার্থেইমের পৃষ্ঠপোষকতায় পড়েছি, আমি বলতে পারি—এই মানুষটি শুধু চেক লেখেন না, প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। হেলথকেয়ার বিজনেস ট্র্যাক শুধু নামকরণ নয়—এখানেই আসল অর্থ আর প্রকৃত নীতিকাজ ঘটছে।
একটু থামুন। মনে রাখতে হবে এটা এখনও একটি জনস্বার্থের বিশ্ববিদ্যালয়। যখন অনুদানদাতার নাম ব্র্যান্ডে পরিণত হয়, দায়বদ্ধতা কমে যায়। এই টাকা থেকে এসেছে কোথায়? কারিকুলাম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কি কোনো লুকানো শর্ত আছে?
প্রমাণ করুন। আমাদের অনুদানের ROI দেখান। ইউএফ-এর ভার্থেইম কলেজে শিক্ষার্থীদের সাফল্যের সূচক সত্যিই উন্নত হয়েছে? নাকি আমরা এক বিলিয়নিয়ারের অহংকে পূজা করছি?
আমি ভার্থেইম-অর্থায়িত শিক্ষকদের সাথে কাজ করেছি—বেতন, সরঞ্জাম, এমনকি গবেষণার ছুটির ব্যবস্থা। খবরের শিরোনামে ডেটা আসবে না, তবু ল্যাব ও ক্লাসে জীবন বদলাচ্ছে।
যদি এর থেকে একটিও ছাত্রবৃত্তি আসে, তবু আমার ঋণ সেবা কোম্পানির তুলনায় বেশি কাজ হবে। আমি নামওয়ালা ভবন গ্রহণ করব, যদি তার মাধ্যমে কিডনি না বিক্রি করে আমি স্নাতক হই।
তর্ক ভুলে যান—আমাকে নতুন হেলথ এডমিনিস্ট্রেশন প্রোগ্রামে কীভাবে আবেদন করতে হয় বলুন? এই পরিবর্তনটাই সেই ক্যারিয়ার টার্ন যার জন্য আমি আকাশকে ডাকছি।
আমিও তাই। আমি আর্থিক সাহায্যের পৃষ্ঠাগুলো ঘাঁটছি একটা জম্বির মতো। যদি এখানে প্রয়োজনভিত্তিক সাহায্য থাকে, আমি থালা-গামলা গুছাব।
এর মিল আছে ১৯০০-এর দশকের অ্যান্ড্রু কার্নেগির পাবলিক লাইব্রেরি আন্দোলনের সাথে। দানপ্রথা নতুন নয়—এটি আমেরিকান স্বভাব: ব্যক্তিগত সম্পদ জনস্বার্থের ফাঁক পূরণ করছে। প্রশ্ন হচ্ছে ‘কেন’ নয়, ‘কী মূল্যে’?