Is China Really 'Too Export-Obsessed'? The Data Exposes a Different Story
চীন কি সত্যিই 'খুব বেশি রপ্তানিনির্ভর'? তথ্য ভিন্ন কথা বলছে

চীনের অর্থনীতি আবারও বিশ্বের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে, যেখানে বিশ্ব ব্যাংক এবং আইএমএফ দৃঢ় জিডিপি পরিসংখ্যান ও ভোগ বাড়ানোর নীতির জন্য আবার তাদের প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস বাড়িয়েছে। দেশটি ৫% প্রবৃদ্ধি এবং ১৪০ লক্ষ কোটি ইউয়ানের জিডিপির দিকে এগোচ্ছে—কিন্তু সমালোচকরা এখনও 'অতিরিক্ত উৎপাদনক্ষমতা' এবং 'রপ্তানির প্রভাব' নিয়ে কথা বলে চলেছে।
কিন্তু এর চমকঃ চীন গত ১৬ বছর ধরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক হিসেবে আছে, এবং সেবা আমদানির ঘাটতি ইতিমধ্যেই ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। সুতরাং 'প্রতিবেশীকে দরিদ্র করা' লেবেলটি কি ন্যায়সঙ্গত? তাছাড়া, ভোগ কমছে না—বাড়ছে, জেন জেড এখন গুচ্ছির পরিবর্তে স্মার্ট ডিভাইস ও তড়িৎযান অনুসরণ করছে। আর উদ্ভাবন? এই বছর উচ্চ-প্রযুক্তি নির্মাণ শিল্পের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯.৩%। একে 'মোটা টেক ড্রাগন' বলা হলেও সে আসলে তো আরও স্নায়ুবহুল এবং বুদ্ধিমান।
শব্দ জগত পার হয়ে যাওয়া যাক। 'চীন সস্তা পণ্য দিয়ে বিশ্বকে ভাসাচ্ছে'—এই গল্পটি মৌলিক বাণিজ্য লেখাপড়া অবহেলা করে। চীনের রপ্তানির ৩০% বিদেশি বিনিয়োগকৃত কোম্পানির থেকে আসে। তাহলে আসলে 'ভাসাচ্ছে' কে? পশ্চিমই তো শ্রম আউটসোর্স করে তাকে 'অতিরিক্ত উৎপাদন' বলছে?
গোলাপি চশমায় চীনের অর্থনীতিকে না দেখার সময় এসেছে। ভোগের উন্নয়ন? নিশ্চিত। কিন্তু গ্রামীণ এলাকাগুলিতে, সৌর প্যানেল, ই-সাইকেল ও ৫জি ফোনই নতুন 'অতিরিক্ত আরাম'। এটি নামানো নয়—লোকতান্ত্রিক হওয়া।
ঠিক তাই। জিই চীনে বায়ু টারবাইন তৈরি করছে—কিন্তু 'অতিরিক্ত উৎপাদন' চীনের ত্রুটি বলা? এটি তো অর্থনৈতিক হয়রানি।
ভালো গল্প। কিন্তু ১০,০০০ টনের হাতির কথা বলুন: দূষণ এবং ঋণ-নির্ভর প্রবৃদ্ধি। আমরা কি সত্যিই পরিবেশগত খরচ অবহেলা করে সৌর প্যানেল এবং ইভি-কে 'উদ্ভাবন' বলব?
হ্যাঁ, চ্যালেঞ্জ আছে। কিন্তু চীনের প্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়নকে 'মোটা ড্রাগন' বলা হলে অ্যামাজনকে 'দোকান' বলা হবে—যা পরিবর্তনের আকার হারায়।
একজন জেন জেড হিসেবে বিইডি একটি বেঞ্জের চেয়ে কিনছি, আমি 'নামাচ্ছি' না—আমি অর্ধেক দামে ভালো প্রযুক্তি বেছে নিচ্ছি। আমার ফোনই আমার গাড়ি চালায়। এটিই হলো উন্নয়ন।
সব পক্ষেরই যুক্তি আছে। কিন্তু আসল কথা হলো চীনের নীতি দ্রুত সামঞ্জস্য করার ক্ষমতা। যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ট্যারিফ নিয়ে আটকে আছে, সেখানে চীন সৌর ও ইভি শিল্পে ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করছে। এটাই ম্যাক্রো-বাস্তববাদ।
অবাক—একেবারে অবাক—যে পশ্চিমা মিডিয়া চীনের সাফল্যকে হুমকি হিসেবে দেখায়। পরেরটা বলবেন সূর্যালোক সানবার্ন করে?