Is Banning Candy on Food Stamps the Start of a Health Revolution or a Slippery Slope Toward Snack Police?
খাবার স্টাম্পে ক্যান্ডি নিষিদ্ধ করা কি স্বাস্থ্য বিপ্লবের শুরু, নাকি স্ন্যাক পুলিশের দিকে পিছলানো ঢালু পথ?
১ জানুয়ারি থেকে ইন্ডিয়ানার খাবার স্টাম্প ভোক্তারা আর স্ন্যাপ সুবিধা দিয়ে মিষ্টি ক্যান্ডি বা খাটো পানীয় কিনতে পারবেন না—গভর্নর মাইক ব্রাউনের বিতর্কিত 'মেকিং ইন্ডিয়ানা হেলদি আগেন' প্রকল্পের অংশ হিসাবে। কর্মকর্তারা বললেও পুষ্টি বাড়ানোর নামে, দোকানদার ও গ্রাহকরা লাইনে বিশৃঙ্খলা আর অসন্তোষ বাড়ার আশঙ্কা করছেন।
রাজ্য বলছে মিষ্টি খাওয়ার জায়গায় ফল খাওয়া হোক, কিন্তু দোকানদারকে ৭০,০০০ এর বেশি ইউপিসি কোড হাতে হাতে পরিবর্তন করতে হবে। এক ম্যানেজার বলেছেন, এই নীতি ‘পিতৃত্ববাদের গন্ধ ছড়ায়’—যেন দরিদ্র মানুষ নিজেদের খাবার খাওয়ার বিষয়টা ঠিক করতে পারে না। এটি আসলে স্বাস্থ্য নিয়ে ঘাঁটছে, নাকি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে?
আমরা সরকারি রেশনিংয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হইনি। আমাদের POS সিস্টেম এখন চিনতে পারবে না কোনটা ক্যান্ডি—আমাদের নিজেদেরকে প্রতিটি জিনিস দেখে আপডেট করতে হবে। এটি চেকআউটকে ধীরগতি করবে আর ভাবনাবিহীনতা সৃষ্টি করবে। মানুষ শুধু খেতে চায়।
আমরা যদি পুষ্টিগত মানের উপর ভিত্তি করে খাবার বাছাই সীমিত করা শুরু করি, তাহলে সীমাটা কোথায় টানব? পরবর্তীতে চিপস, তারপর আইসক্রিম, তারপর সাদা রুটি। এই নীতি অনুমান করে যে দরিদ্র মানুষ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখে না—যা অপমানজনক।
সঠিক। আমার গ্রাহকরা শিশু নয়। তারা নিজেদের জন্য কী ভালো তা জানে। এটা এমন লাগছে যেন সরকার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া নিয়ন্ত্রণ করছে।
দেখুন, কেউ বলছে না ক্যান্ডি সুস্থতার জন্য ভালো। লক্ষ্য হলো উৎসাহ দিয়ে ভালো পছন্দের দিকে ঠেলে দেওয়া, দণ্ড দিয়ে নয়। স্ন্যাপের লক্ষ্য পুষ্টি সমর্থন করা, জাঙ্ক ফুড ফান্ড করা নয়।
আমি দুটি কাজ করি। কখনো কখনো একটা সোডা আর চকলেট বার আমাকে টিকিয়ে রাখে। এটা স্বাস্থ্য নিয়ে না। এটা লজ্জা নিয়ে।
সরকার সুন্দর নৈতিক ইঙ্গিত দিতে ভালোবাসে। কিন্তু রিটেইলাররাই কোড আপডেট, প্রশিক্ষণ এবং গ্রাহকের রাগের খরচ বহন করবে। এর জন্য অর্থায়ন কোথায়?
৭০,০০০ ইউপিসি। ৯০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড। সরকারি সমর্থন নেই। রিটেইলারদের না-পারার জন্য সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
আমি ধারণাটা বুঝতে পেরেছি। কিন্তু একটা ফ্রিজ পিজ্জাতে কমলার চেয়ে বেশি চিনি থাকে। ক্যান্ডি নয়া পুরো খাওয়ার ধরন ঠিক করা উচিত না?