Is SpaceX’s Starship About to Take Over Vandenberg — and Dominate the Moon and Mars Race?
স্পেসএক্সের স্টারশিপ কি ভ্যানডারবার্গে ঢুকে চাঁদ-মঙ্গল দখলের রেসে আগাতে চলেছে?

তাই দেখছি মার্কিন স্পেস ফোর্স এবার বড়দের ক্লাবে যোগ দিতে চায়। তারা ভ্যানডারবার্গে একটি নতুন লঞ্চ কমপ্লেক্স বানানোর জন্য RFI জারি করেছে — যেখানে স্পেসএক্সের ৪০০ ফুটের স্টারশিপের মতো সুপার-ভারী রকেট উড়বে, যার সাহায্যে এলন মাস্ক একদিন মঙ্গলে উপনিবেশ স্থাপন করবেন বলে দাবি করেন।
মজার ব্যাপার, যখনই স্পেসএক্স একদম তাতক্ষণিক ‘হ্যাঁ’ বলে না, সরকারের মনে হয় মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তারা জানে — হয় স্টারশিপ, নয়তো কিছুই না। কিন্তু এত লম্বা আর এত তাপ-উৎপাদনকারী একটা রকেট মানেই কি ভ্যানডারবার্গ প্রস্তুত — শাব্দিক এবং রূপক উভয় অর্থেই?
সবাই স্পেসএক্স আর মঙ্গল নিয়ে মহা আবেশে, কিন্তু সোজা কথায় বললে: এটা আবিষ্কারের ব্যাপার নয়। এটা মেরু কক্ষপথে বিশাল গুপ্তচর উপগ্রহ নিক্ষেপ করার কাহিনী — দ্রুত, কার্যকর এবং ধরা পড়ার আগেই। সামরিক বাহিনী আকাশে আরও দৃষ্টি চায়, আর স্টারশিপ ১৫০ টন বোঝা নিয়ে যায়। সেখানে ‘দৃষ্টি’-র অর্থ অনেক বেশি।
অবশেষে! ভ্যানডারবার্গের অবস্থান একমাত্র মার্কিন স্থান যেখান থেকে মাটিতে উড়ে যাওয়া ছাড়াই সান-সিঙ্ক্রোনাস মেরু কক্ষপথে লঞ্চ করা সম্ভব। পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, জলবায়ু মনিটরিং এবং হ্যাঁ — সামরিক অবস্থান নিরীক্ষণের জন্য এটা গুরুত্বপূর্ণ। স্টারশিপ এক লাফে সমগ্র উপগ্রহ তারামণ্ডল পাঠাতে পারে।
ভ্যানডারবার্গের ইনফ্রাস্ট্রাকচার পুরনো। স্লিক-১৪ ৯০-এর দশক থেকে ব্যবহৃত হয়নি। স্টারশিপের জন্য সেটি আধুনিকায়ন করা কেবল দামি নয় — এটা একটা যোগাযোগের আতঙ্ক। আগুনের খাঁচাকেও পুনর্নির্মাণ করা হবে ১.৬ কোটি পাউন্ড জোর সহ্য করার জন্য। এগুলোর জন্য শুভকামনা!
এলনের ভ্যানডারবার্গে স্টারশিপ লঞ্চ টাওয়ারের আন্তরিক ড্রয়িং আছে ব্যাপারটা বুঝতে পারছো? এটা 'যদি' নয়, 'কবে'র ব্যাপার। বছরের পর বছর ধরে লম্পকের কাছাকাছি জমি কিনেছে লোকটা। এখন কাগজের কাজগুলো বাস্তবকে ধাওয়া করছে।
সব স্পেসএক্স প্রেম ব্লু ওরিজিনের নিউ গ্লেনকে উপেক্ষা করে। এটাও একটা সুপার-ভারী লিফটার যেখানে পুনঃব্যবহার্য প্রযুক্তি আছে। এলনের আমেরিকা বলা বন্ধ করে অন্যান্য বিমান-মহাকাশ উদ্ভাবকদের কথা মনে রাখার সময় এসেছে।
আর পরিবেশগত পর্যালোচনার কথাও ভুলো না। ক্যালিফোর্নিয়ার সমুদ্র সৈকত কমিশন রকেট লঞ্চ ঘৃণা করে। তারা প্রত্যেকটি অনুমতিকে দশ বছরের মেলাতে পরিণত করবে।
এখানে প্রকৃত জয় স্টারশিপ নয় — স্থিতিস্থাপকতা। ভারী লঞ্চ সাইটগুলোকে বিভিন্ন উপকূলে ছড়িয়ে দিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিশ্চিত করে যে একটি ঘাঁটি হারালেও (ধরুন, ঘূর্ণিঝড় বা আক্রমণে) আমাদের মহাকাশ ক্ষমতা ভেঙে পড়বে না।
ঠিক তাই। এটা মহিমার বিষয় নয়। এটা পুনরুত্পাদনযোগ্যতার বিষয়। ভারী উত্থাপনের ডিমগুলো এক ঝুড়িতে রাখা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।