Speed Cops on Steroids: Is Colorado Springs’ New AI Spy Car Program a Safety Savior or Privacy Nightmare?
গতি নিয়ন্ত্রণের নতুন সুপারসল্ডিয়ার: কলোরাডো স্প্রিংসের নতুন এআই গোয়েন্দা গাড়ি প্রোগ্রাম কি সত্যিই নিরাপত্তার বাহক, নাকি ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ?

তাই, কলোরাডো স্প্রিংস শুধু-ই স্কুল জোন, পার্ক, আর নির্মাণস্থলে গতি লঙ্ঘনকারীদের ধরার জন্য এআই চালিত 'গুপিয়ে গাড়ি' চালু করেছে। এগুলো শুধু গতি ধরার জাল নয়—সর্বত্র ঘুরে বেড়ানো নজরদারির ইউনিট, যাতে রাডার, ক্যামেরা আছে, আর একটি বিশেষ প্রযুক্তি AVIS যা আপনার গাড়ি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিহ্নিত করতে পারে। এই পুরো ব্যবস্থাই এগিয়ে চলেছে তাদের ১.৪ মিলিয়ন ডলারের রেড লাইট ক্যামেরা প্রোগ্রামের ঘাড়ে চড়ে।
ওহ, আর ভাববেন না—একটি ৩০-দিনের ক্ষমার সময় আছে, আর বড় নীল ফলক লাগানো হবে আপনাকে ‘সতর্ক’ করার জন্য। তবে তার পর থেকে, স্কুল জোনে ৮৫ ডলার জরিমানা পাঠানো হবে, যার সাথে থাকবে আপনার লাইসেন্স প্লেটের ছবি এবং ভিডিও রেকর্ডিং। আর এতে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক কথা: এটি চালানো হয় এক নাগরিক কর্মচারী দ্বারা, চিঠি বেসিক সিভিল টিকেট (কোনো পয়েন্ট নেই!), আর পুলিশ জোর গলায় বলছে এটি কোনও 'আয়ের উৎস' নয়। হ্যাঁ হ্যাঁ, ম্যাডাম।
একে এখন তার প্রকৃত আখ্যা দিই: নজরদারির সম্প্রসারণ। একে ‘সুরক্ষা’ বলছেন, কিন্তু যখন আপনার সর্বত্র গমনপথ এআই দ্বারা লক্ষ্য করা হয়, তখন রাষ্ট্রীয় নজরদারির সাথে এর কোনো তফাত থাকে না। আর ‘সিভিল’ টিকেট বোঝাচ্ছে না যে কোনোরকম চাপ নেই—আপনার বীমা প্রিমিয়াম তো এখনও বাড়ে।
যে মা তার স্কুলের কাছে অনেকবার দেখেছে গাড়ি ছুটে যাচ্ছে ‘কাছাকাছি দুর্ঘটনার’, আমি বলছি: অবশেষে। স্কুল জোনগুলো মোটেও শান্তির জায়গা নয়। রোবট নয় বা মানুষ দিয়ে চালায় এটি—উদাসীন ড্রাইভারদের কম গতিতে আনতে এমন যেকোনো কিছুর জন্য আমি হ্যাঁ।
‘টাকার উৎস নয়’। ঠিক তো। ক্যামেরাতে ১.৪ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে, আর এখন ৮৫ ডলারের টিকেট বিলি হচ্ছে। হিসাব করুন। প্রতিটি ওভার-স্পিড গাড়িকে জরিমানা করলে এক বছরের মধ্যেই খরচ ঘুরে আসবে। আর আপনি জানেন যে আগের বছরের চেয়ে কমপক্ষে ৩০% বেশি জরিমানা হবে—সবই ‘বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার’ কারণে।
বাস্তবতা মেনে নিই—পুলিশ বাজেট বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সীমিত। এমন প্রোগ্রাম পুলিশ কর্মীদের হিংসাত্মক অপরাধ মোকাবিলায় মুক্ত করে। এটি যদি হাঁটুচলার মৃত্যু মাত্র ১০% কমায়, তাহলে হাজার হাজার জীবন বাঁচানো যাবে। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এখানে ছোটখাটো বাজে খরচ।
আমরা ডেনভারে এটা আগেই করেছি। এই পদ্ধতি গতি অস্থায়ীভাবে কমায়, কিন্তু ড্রাইভাররা খাপ খায়। তারা ক্যামেরার জায়গা শিখে নেয়, শুধু সেখানে ধীরে চালায়। এটি আসল পরিবর্তন নয়, অধিকাংশই ‘নিরাপত্তা খেলা’।
নীল ফলকগুলো হল মেধার কাজ—এগুলো ওয়াস্তবিকভাবে মানসিক বাধা সৃষ্টি করে। ড্রাইভাররা এটি দেখে প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং স্পীড কমায়। এমনকি যদি মাত্র ৩০০ গজ হয়, তাহলে ধাক্কার শক্তি কমে। এটি নিখুঁত নয়, কিন্তু নিজে নিজে ঠিক হওয়া শহরের দিকে একটি পদক্ষেপ।
নাগরিক অপারেটর নৈতিকতার নিয়ম বদলে দেয়। ব্যাজ নেই, ছুরি নেই—কিন্তু রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আছে, জোর করে নিয়ন্ত্রণ আছে। আমরা ব্যক্তির নামে রাষ্ট্রীয় নজরদারি করছি, বদলে দিয়েছি 'নিরাপত্তা' নামে। এটি একটি বিপজ্জনক পূর্বাভাস।
ছয় বছর আগে একটি সেডানের ধাক্কায় আহত হই, যে গাড়িটি ৩০ জোনে ৫৫ গতিতে ছুটছিল। দুটি পাঁজর ভাঙা, ঘাড়ে আঘাত। এই প্রোগ্রাম সেই সময় ফেরাবে না, কিন্তু যদি এটি একটি বাচ্চাকে আঘাত থেকে বাঁচায়? এর জন্য সব খরচ যথেষ্ট।