Trump Promises Billions to Fix Venezuela—While People Can’t Even Afford Soup. Is This Hope or Hypocrisy?
ট্রাম্প ভেনিজুয়েলার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন—কিন্তু লোকেরা স্যুপ বানানোর উপকরণও কিনতে পারছে না। এটা আশা না কি ভণ্ডামি?
ট্রাম্প বলছেন, মার্কিন হস্তক্ষেপ ভেনিজুয়েলাতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আনবে, তেলশিল্প পুনর্গঠন করবে এবং প্রতিষ্ঠা করবে সমৃদ্ধির একটি নতুন যুগ। কিন্তু যেখানে মানুষ বেঁচে থাকতে খাবার ছাড়ছে, সেখানে এটা অনেক বড় প্রতিশ্রুতির কথা।
অন্যদিকে, মুদ্রাস্ফীতির হার ছয়শো আশি দুই শতাংশ, জাতীয় মুদ্রার মান মোটেই নেই, আর গড় কর্মী বছরে ২৫০ ডলারও উপার্জন করে না। দশকের ঘুষ, অর্থনৈতিক ভাঙন শুধু কয়েকটি তেল চুক্তি দিয়ে সারানোর কথা ভাবাটা... আশাবাদী, নাকি ভ্রান্ত? আপনারাই চয়ন করুন।
চাভেজ ১৯৯৮ সালে তেল টাকা নিয়ে এলে তারাও ঠিক এমন কথা বলেছিল। আমরা হাসপাতাল, স্কুল তৈরি করেছিলাম... কিন্তু অদক্ষ ব্যবস্থাপনা আর দুর্নীতি ছিল যথেষ্ট সবকিছু ভস্ম করতে। এখন আরেকটি বৈদেশিক শক্তি এসে আমাদের ‘উদ্ধার’ করতে চায়? আমার সাথে এমনটা করবেন না।
ভেনিজুয়েলার পৃথিবীর বৃহত্তম তেল মজুদ আছে। আমরা যদি উৎপাদন আবার চালু করতে পারি, তাহলে শুধু টাকার কথা নয়—গোটা পশ্চিমা গোলার্ধের জন্য শক্তি নিরাপত্তার কথা। এটা হতে পারে খেলা বদলে দেওয়ার মতো ঘটনা।
মনে করবেন না এটা ভেনিজুয়েলাকে সাহায্য করার কথা। এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তেলের প্রবেশাধিকার সুরক্ষিত করা, নৈতিকতার দুর্বল আবরণের নিচে। মার্কিন হস্তক্ষেপ কবে শেষবার কোনো দেশকে সত্যিকার অর্থে দীর্ঘদিন ধরে সাহায্য করেছিল?
আর যখন তেল শেষ হয়ে যাবে বা মার্কিন রাজনীতি সিদ্ধান্ত নেবে এটা আর মুনাফা দেবে না, তখন আমরা আবার পরিত্যক্ত হব। আমরা এই ছবিটা দেখেছি।
আদর্শগত ক্রোধ ঠিক আছে, কিন্তু বাস্তব কথা বলুন: ভেনিজুয়েলার অর্থনীতি তেলের ওপর চলে। মার্কিন উদ্দেশ্য নিয়ে আপনি যাই ভাবুন না কেন, শিল্পটি পুনর্গঠনই ধ্বংস থেকে বেরিয়ে আসার সবচেয়ে দ্রুত পথ।
মানুষ ভুলে যায়—জীবন সবসময় এমন ছিল না। ৭০ আর ৮০ এর দশকে ভেনিজুয়েলা লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর মধ্যে একটি ছিল। কিন্তু তেলের ওপর নির্ভরতা সেটাকে মেরে ফেলেছে। এখন আবার তেলের ওপর বাজি ধরা হচ্ছে? ইতিহাস শুধু পুনরাবৃত্তি হচ্ছে না—এটা আমাদের সাথে মজা করছে।
ঠিক সেটাই। আর বিড়ম্বনা কী? তেল প্রবাহিত হলে আগের বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনকে সমর্থন করেছিল। এখন তারাই ‘উদ্ধারকর্তা’? এটা পরিবর্তন না। এটা ব্র্যান্ডিং।
‘রেসুয়েলভার’। আমরা তো সবাই কেবল এটাই করি। প্রতিদিন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যা ইচ্ছে প্রতিশ্রুতি দিক। আজকের জন্য আমাদের বাচ্চাদের খাওয়ানোটাই লক্ষ্য।