Is AI Making Us Smarter or Just Lazy Brains on Autopilot?
AI কি আমাদের বুদ্ধিমান করছে, নাকি মাত্র একটা স্বয়ংক্রিয় মস্তিষ্কের বিশ্রামে পাঠাচ্ছে?

MIT মাথার উপর একটা বোমা ফেলেছে: আপনার প্রবন্ধগুলো লেখার জন্য ChatGPT ব্যবহার করা শুধু সিস্টেমকে ফাঁকি দেওয়া নয় — এটি সম্ভবত আপনার মস্তিষ্কের বিকাশকে ফাঁকি দিচ্ছে। একটি এখনও সমীক্ষাপ্রাপ্ত না হলেও ঘাড় চুমুকিয়ে দেওয়া এমন গবেষণায় গবেষকরা দেখিয়েছেন যে যে ছাত্ররা AI-এ ভরসা করেছিল তাদের নিউরাল ক্রিয়াকলাপ, স্মৃতিশক্তি এবং মৌলিক চিন্তার লক্ষণীয় পতন ঘটেছে।
ভয়ানক অংশটা কী? মস্তিষ্কের ক্রিয়াকলাপ সময়ের সাথে কমতেই থাকে — প্রায় অব্যবহারের কারণে মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়ার মতো। কিন্তু রসদ্বীপ হলো: যখন ছাত্ররা আগে নিজে নিজেই ধারণাগুলো নিয়ে লড়াই করেছে এবং তারপর AI ব্যবহার করেছে, তখন গভীরতা হার না দিয়ে ভালো কাজ করেছে। অতএব হয়তো আসল খলনায়ক AI নয় — আমরা যেভাবে ব্যবহার করছি তা। অলস মোড: সক্রিয় হয়েছে।
এই কারণে স্কুলে আরম্ভ থেকেই AI সম্পর্কে শেখানো উচিত। শুধুমাত্র 'কীভাবে ব্যবহার করবেন' নয়, বরং 'কেন, কখন, এবং কখন ব্যবহার করবেন না' তা শেখানো জরুরি। সমস্যাটা টুল নয় — সমালোচনামূলক শিক্ষা পদ্ধতির অভাব। আমরা শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমতাশালী যন্ত্র দিচ্ছি, তবে নিরাপত্তা শ্রেণির অভাব রয়েছে।
আসল কথায় আসি — AI চলে যাচ্ছে না। প্রশ্ন হচ্ছে শিক্ষার্থীরা কি ব্যবহার করবে, তা নয়, বরং আমরা কীভাবে এর মাধ্যমে শেখার উন্নয়ন করতে পারি। শ্রেণিকক্ষ থেকে এটি বাতিল করা গণিত ক্লাসে ক্যালকুলেটর বাতিল করার মতোই অদক্ষ। আতঙ্কিত হওয়ার পরিবর্তে অভিযোজিত হন।
চমৎকার তত্ত্ব। এখন আমার প্রতি সেমিস্টারে ১৫০ জন ছাত্রছাত্রীকে বলুন যে তাদের ‘ধারণাগুলো নিয়ে লড়াই করতে’ হবে যখন আমি সপ্তাহে ৩০০টি রচনা মূল্যায়ন করছি। আমাদের ভালো টুল এবং শিক্ষকদের জন্য সমর্থনের প্রয়োজন। না হওয়া পর্যন্ত, ‘অলস মোড’ AI প্রবণতা ক্রমশ আরও বেড়েই চলবে।
কেউ কি কখনও 30 ঘন্টা কাজ করে চারটি রচনা লেখার চেষ্টা করেছেন? কখনও কখনও AI অলসতা নয় — এটা বেঁচে থাকার উপায়। সংগ্রামকে নৈতিক প্রশ্নে পরিণত করবেন না।
সম্মানের সঙ্গে বলছি, শিক্ষকদের তাই প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। AI ব্যবহারকে দন্ড দেওয়ার জন্য নয়, বরং পথ দেখানোর জন্য। কল্পনা করুন একটি লেখার প্রস্তাব যা ছাত্রদের প্রথমে হাতে খসড়া করতে বলে, মন্তব্য করতে এবং তারপর শুধুমাত্র AI ব্যবহার করে সেগুলো উন্নত করতে। এটি কাঠামো, দমন নয়।
মাত্র ৫৪ জনের নমুনা? 32টি এলাকার EEG? চমৎকার অনুসন্ধানমূলক কাজ, কিন্তু মানব চিন্তনের নেকড়ি এখনই লেখা উচিত নয়। আর একটা কথা — কিভাবে তারা ছাত্রদের উদ্বেগ, অনুপ্রেরণা, আগের লেখার দক্ষতা নিয়ন্ত্রণ করছে? সম্পর্ক মানে কার্যকারণ নয়।
আমরা এমন টুল তৈরি করি যে 'জীবনকে সহজ করবে', কিন্তু প্রায় সবসময় আরও ক্লান্ত শেষ হয় — মজার ব্যাপার কতটা। আমার ফোনটিও 'সময় বাঁচাবে' — তাই বলা হয়েছিল। এখন আমি স্মৃতি, চিন্তা, মনোযোগ, এমনকি ঘুম পর্যন্ত বাইরে দেবার চুক্তিতে দিয়েছি। AI শুধু সর্বশেষ লক্ষণ।
‘মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া’-এর মতো উপমা শুধু কবিত্ব নয় — এটি মস্তিষ্কের দৃষ্টিকোণ থেকে গ্রহণযোগ্য। ‘ব্যবহার করুন, নইলে হারান’ সিন্যাপস-এর জন্যও প্রযোজ্য। এই গবেষণা ছোট হলেও Hebbian তত্ত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কিত: যে নিউরনগুলি একসাথে জ্বলে, তারা একসাথে তৈরি হয়। চেষ্টা ছাড়া, সেই সার্কিটগুলি মিলিয়ে যায়।