Fashion World in Shock: Was Catriona Hanly’s Sudden Death a Sign of Burnout Culture?
ফ্যাশন জগত শোকে আর্ত: কি ক্যাট্রিওনা হ্যানলির হঠাৎ মৃত্যু বার্নআউট কালচারের সতর্ক বার্তা ছিল?
প্যারিসের রানওয়েতে যার কাজ প্রদর্শিত হত, সেই ডাবলিনে জন্মানো ফ্যাশন তারকা ক্যাট্রিওনা হ্যানলি চলে গেলেন। মাত্র ৪২ বছর বয়সে তিনি তার বলসব্রিজের বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। এটা শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়—এটা একটি সতর্ক ডাক। ফ্যাশন জগৎ নিরন্তর কাজ, ভোর ৪টার ফিটিং এবং শেষ মুহূর্তের ডিজাইন পরিবর্তনকে 'আবেগ' বলে রোমান্টিকাইজ করে, কিন্তু আবেগ কারও জীবন নষ্ট করতে পারে না।
তিনি লন্ডনের বিখ্যাত সেন্ট মার্টিনস কলেজে পড়াশোনা করেছিলেন। তিনি একটি প্রভাবশালী ডাবলিন পরিবার থেকে এসেছিলেন—তার পিতা-মাতা বার্টি ও ইমেলডা হ্যানলি আয়ারল্যান্ডের ব্যবসা-সদয়তা জগতের প্রধান পাত্র। তবু এসব সুবিধা কাউকে সুরক্ষা দিতে পারে না যদি শিল্পটি শোষণকে শিল্পের মুখোশে চালায়।
আমি হ্যানলির একটি কালেকশন লঞ্চের জন্য ৭২ ঘণ্টা ধরে কাজ করেছিলাম। ওভারটাইম নেই, কৃতজ্ঞতা নেই। শুধু এক কাপ কফি এবং 'তুমি তো খুব আবেগী' এই বক্তৃতা। আবেগ? এটাকে বলবে বেতনহীন শ্রম এবং আবেগে ব্ল্যাকমেইল।
আমার আন্তরিক সমবেদনা পরিবারের প্রতি। কিন্তু 'বার্নআউট'-কে সামাজিক সমালোচনা হিসেবে নেওয়া? মৃত্যুর আসল কারণ অটোপসি ছাড়া আমরা চিনি না। অনুমান করা গিগ শ্রমিকদের আইনি অধিকারের মতো বাস্তব সমস্যা থেকে দৃষ্টি সরায়।
হ্যাঁ ঠিক আছে। আমরা যখন 'গিগ শ্রমিকদের সুরক্ষা' নিয়ে চিন্তা করছি, তার আগে সেই মানুষগুলোকে রক্ষা করি যারা ফ্যাশন স্বপ্নকে অন্ধকারে রূপ দেয়। ৭০ ঘন্টার কাজ আত্মাকে ভাঙে—এটা বোঝার জন্য অটোপসির দরকার নেই।
ফ্যাশন শিল্প জটিলতা ভাঙা নয়। এটি সঠিকভাবে কাজ করছে—ভাঙা মানুষ থেকে সৌন্দর্য নিষ্কাশন করতে। আমরা পোষাক পরি। আমরা দর্শক। আমাদের নীরবতা আমাদের হাতে রক্তের দাগ ছেড়ে যায়।
ব্যবস্থাগত সমস্যা নিয়ে এই সব রেভোল্যুশনের কথা ভালো লাগে, কিন্তু শুক্রবার ভাড়া দিতে হবে। আমি যদি ৬০ ঘন্টার কাজ ছেড়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করি, তবে ভাঙব আমি। আদর্শবাদ আমার বিল জমা দেয় না।
বাড়িতে তারা বলবে তিনি 'আমাদের অতি তাড়াতাড়ি ছেড়ে গেলেন।' কিন্তু তিনি ছেড়ে যাননি। ব্যবস্থাই তার প্লাগ খুলে দিয়েছে। আমরা তাকে শোক করছি না। তাকে মুছে ফেলার ব্যাপারে আমরা সহযোগিতা করছি।
ঠিক। আমরা ব্যবস্থা পোড়াই না। ব্যবস্থার ভেতরে মানুষকে পোড়াই। আর তাকে নাম দিই শিল্প।
তিনি এমন উজ্জ্বল ছিলেন। মনে আছে, ১২ বছর বয়সে তার প্রথম পোষাক বানানো। আমার নিঃশ্বাস আটকে গিয়েছিল। আবার আমি গিনেসে কাঁদবো। কিছু ক্ষতি নিয়ে বাদানুবাদ হয় না।