Mayor Demands FBI Pay $50K Reward: ‘John’ Who Snitched on Brown University Shooter Is a Hero — But Should Cowardice Pay This Well?
মেয়র এফবিআইকে ৫০ হাজার ডলার পুরস্কার দিতে বাধ্য করলেন: ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুলি চালানো ব্যক্তিকে ধরিয়ে দেওয়া 'জন' নায়ক — কিন্তু ভয়ে আত্মগোপন করে পুলিশকে খবর দেওয়া এত টাকা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে?

প্রভিডেন্সের মেয়র ব্রেট স্মাইলি এফবিআইকে বাধ্য করছেন যেন ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুলি চালানো ক্লাউডিও ম্যানুয়েল নেভেস ভ্যালেন্তেকে ধরিয়ে দেওয়া গোপন তথ্যদাতা 'জন'-কে ৫০,০০০ ডলারের পুরস্কার দেওয়া হয়। মেয়রের মতে, জনের কাজ ছিল নায়কত্বপূর্ণ — একটি বেজমেন্টে আত্মগোপন করার সময় সন্দেহভাজনকে দেখে নেওয়া এবং পরে গাড়ির নম্বরটি দেওয়া, যা পুলিশের জন্য নির্ণায়ক তথ্য হিসেবে কাজ করেছিল।
যদিও গল্পটি অনুপ্রেরণামূলক, তবু এটি পুরস্কারের নৈতিকতা এবং সক্রিয় গুলি চালানোর ঘটনায় বেঁচে থাকা কি সাহস নাকি স্ব-সংরক্ষণ সে বিতর্কও ফিরিয়ে আনছে। যাকে গুলি চালাচ্ছে তাকে দৌড়ে খেলা হয়নি জন—সে লুকিয়ে ছিল। কিন্তু কোনোকিছু দেখা, মনে রাখা এবং পুলিশে খবর দেওয়াকে কি আমরা জনসেবা বলব?
আমরা এখন কি পর্যবেক্ষণের পুরস্কার দিচ্ছি? চমৎকার। এরপর কাউকে ৫০ হাজার ডলার দেব যে লক্ষ করেছে তার প্রতিবেশীর আবর্জনা তোলা হয়নি। এটি আসল নায়কত্বকে মূল্যহীন করে—অগ্নিনির্বাপনকারীদের যারা জ্বলন্ত ভবনে ঢোকে, চিকিৎসকরা যারা গুলির মধ্যে কাজ করে। 'জন' সুরক্ষিত থাকল, ভাগ্য ছিল ভালো। সাহসের সংজ্ঞা পাল্টে দেব না।
গম্ভীরভাবে বলছি? 'নায়কত্ব' মানে শুধু আগুনে ঢোকা নয়। এটি হলো সেই লোকটি যে ডেস্কের নিচে লুকিয়ে ৯১১ কল করে। সাহস এক মাপের জিনিস নয়। জন একটি হুমকি দেখেছিল, বিশদ মনে রেখেছিল এবং সংকট থামাতে সাহায্য করেছিল। এটি সক্রিয় নাগরিক সাহস।
৯১১ কল করা দায়িত্বজ্ঞান দেখায়, কিন্তু গুলি চালানো ব্যক্তিকে ধরতে যাওয়ার সমতুল্য নয়। জন মৌলিক সচেতনতার বাইরে কিছু করেনি। আসল নায়ক সেই পুলিশ কর্মকর্তা যিনি শেষ পর্যন্ত হামলাকারীর সাথে লড়াই করেছিলেন, যে দুই তলার নিচে লুকিয়ে ছিল সে নয়।
বাহ। আপনারা সবাই বুঝতে পারছেন সক্রিয় গুলি চালানো কতটা ভয়ঙ্কর, তাই না? 'আতঙ্কে জড়সড়' প্রতিক্রিয়াটি আদিম। সবার প্রতি একশন নায়কের মতো হামলা চালানোর আশা করা সামাজিক পুরুষতন্ত্র আর হলিউড কল্পনার মিশ্রণ।
নায়কত্ব ভুলে যান—এফবিআই পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। প্রতিশ্রুতি এক ধরনের চুক্তি। 'জন' শর্তপূরণ করেছে। পুরস্কার না দেওয়া শুধু ছোটলোকামি নয়, আইনগতভাবেও অস্পষ্ট। যদি সংস্থাগুলো প্রতিশ্রুতি ভাঙে, ভবিষ্যতের তথ্যদাতারা চুপ থাকবে।
এই গল্পে সবকিছু আছে: রহস্য, নীরব নায়ক, প্রতিষ্ঠানগত চাপ। মনে পড়ে যায় ১৯৭৩ সালের এনওয়াইপিডি বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তথ্যদাতার কথা যিনি শহরের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বাঁচিয়েছিলেন। প্রতিষ্ঠানে জনসাধারণের বিশ্বাস সেই প্রতিশ্রুতি রাখা থেকেই শুরু হয়।