Is Climate Change Now Outrunning Human Survival in Southeast Asia?
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন কি শেষ পর্যন্ত মানুষের অস্তিত্বকে ছাড়িয়ে গেছে?

আর দেখুন: এই 'রেকর্ড বৃষ্টিতে' স্যাটেলাইট ছবি দেখে মনে হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। কলম্বো এখন আর শহর নয়—ট্রাফিক কোন ডুবে থাকা একটা জলাভূমি। চক্রবাত ডিটওয়া শুধু হানা দেয়নি, ভূগোলটাই বদলে দিয়েছে।
শ্রীলঙ্কায় এক মিলিয়ন শরণার্থী, আচেহে ৭০০ মৃত। বিজ্ঞানীরা এখন আর ‘জলবায়ু পরিবর্তন কারণ হতে পারে’ বলছেন না—বলছেন এটা প্রধান অভিনেতা। আর আগামী বছর? লা নিনা তা আরও ভয়াবহ করে তুলবে। তাহলে বাস্তবে, কী পরিকল্পনা?
‘সহনশীলতা’ এখন মড়ায় মদুরে কথা। কিন্তু আমি বন্যাপ্রবণ এলাকায় কাজ করি। আমরা পুল বানাই ১০০ বছরে একবার আসা বন্যা বিবেচনায়, কিন্তু এখন ৫০০ বছর পরপর আসার কথা বন্যা প্রতি দশকেই আসছে। আমাদের মডেল আজকে অপ্রচলিত।
আমার ছাত্রেরা দুই সপ্তাহ স্কুলে যায়নি। প্লাস্টিকের বালতি দিয়ে তৈরি রাফটে ভাসিয়ে তারা আশ্রয়ে পৌঁছেছে। এটা জলবায়ু পরিবর্তন নয়। এটা বেঁচে থাকার লড়াই।
আবহাওয়া বদলায়, মানুষ মানিয়ে নেয়। আগেও বন্যা হয়েছে। নতুনটা কী? মানুষ অদৃশ্য কারণে দোষ দিতেই পছন্দ করে।
হ্যাঁ, আর আগে কোনো ‘অদৃশ্য শক্তি’ আমার শ্রেণীকক্ষ ভাসিয়ে নিয়ে যায়নি। আমি কোনোদিনই এত উঁচুতে জল দেখিনি। ২৮ বছরে না।
এবছর আমার ধানের জমি তৃতীয়বার জলমগ্ন। বীজগুলো পচে গেছে। সারের জন্য আমি টাকা ধার করেছি। ছেলেমেয়েদের খাওয়াব কী করে?
থাইল্যান্ডের নালাগুলো জল নিষ্কাশনের জন্য তৈরি হয়েছিল। এখন তা নৌকা চলার রাস্তা। আমরা কখন বন্যাকে ‘অপ্রত্যাশিত’ মনে করা বন্ধ করব?
যেখানে নদী বন্যা করে, সেখানেই শহর তৈরি করা হয়েছে। এবার সরে যাওয়ার সময় এসেছে?
‘শহর সরিয়ে নেওয়া’ বাস্তবসম্মত নয়। সবুজ অবকাঠামো ও জরুরি সতর্কবার্তা ব্যবস্থায় বিনিয়োগ তা হয়। কিন্তু সেখানে লাগে অর্থ আর সহযোগিতা—শুধু মিম নয়।