Did 'Swicy' and Kunafa Just Break Indian Food Culture — Or Save It?
শুধু 'সুইসি' আর কুনাফা ভারতীয় খাবারের সংস্কৃতিকে ভাঙল নাকি বাঁচাল?

চলুন সত্যি বলি: ২০২৫ শুধু নতুন স্বাদ ভারতে এনেছে তা নয় — পুরো সাংস্কৃতিক সমালোচনার ঢেউ আনা হয়েছে। কুনাফা আর খাবার মাত্র নয়; এখন বেকারি ডিজাইনের আন্তর্জাতিক মিম। আর 'সুইসি'? স্বাদ মিশ্রণ নয় — জেন-জেড স্বাদেন্দ্রিক মেম হিসেবে চালাচ্ছে যাতে রান্নাঘরের বৈজ্ঞানিকতাকে নাকচ করা যায়।
ক্লাউড কফি থেকে শুরু করে মাতছা-রসমালাই, আমরা স্বাদ-দৃষ্টি-শব্দের মিশ্রণযুগে বাস করছি। 'আসল' আর 'ভাইরাল' রান্নার মাঝে ধারালো রেখা মিলিয়ে গেছে। আর হ্যাঁ — কুনাফার খসখসে শব্দকে আলাদা সাউন্ডট্র্যাক দেওয়া উচিত।
যখন মিষ্টির দোকানে ‘ম্যাচা বারফি’ দেখলাম, মনে হলাম ভ্রম দেখছি। আগামীকাল দক্ষিণ চৌকে চকোলেট ডোসা পাওয়া যাবে? এটা নয় আধুনিক চিন্তা — এটা সাংস্কৃতিক লজ্জা।
সবাই একটু শান্ত হও। মানুষ পুরোনো থেকেই মসলা বদলাচ্ছে তখন থেকেই ফিউজন খাবার আছে। আর লোডেড পাভে মাখন মেলানোর এএসএমআর দেখেছো? সব মিলিয়ে পাকয়োগ।
দেখুন, আমরা বিক্রি হয় তাই চালাই। যদি ‘সুইসি উইংস’ স্ট্যান্ডার্ড চিকেনের তুলনায় ৩ গুণ বেশি অর্ডার পায়, মেনুতে কী আসবে তা অনুমান করুন তো?
প্রতিটি খাবার ঢেউ উত্তেজনা আনে — কিন্তু কার্বন ছাপও। ম্যাচা জাপান থেকে, কুনাফার ফাইলো দুবাই থেকে এনেছেন? স্বাদ নয়, প্যাস্টেল ফোমে ঢাকা খাদ্য সাম্রাজ্যবাদ।
আমি মেয়ের জন্মদিনে রসগোল্লা বানালাম। সে খেয়ে ভালোবেসেছে। কিন্তু পোস্ট করতে বললে বলল, 'ভিজ্যুয়ালি আকর্ষক নয়'। হাসব নাকি কাঁদব ঠিক বুঝতে পারছি না।
আমি লোডেড পাভ বিক্রি করি। প্রথম কামড় দেওয়া নিয়ে মানুষ ঝগড়া করে। কোনো অ্যাপ নেই, কোনো ট্রেন্ড নেই — কেবল মাখন, মসলা আর ভালোবাসা। আসল 'ভাইরাল' তো এটাই।
ঠিক ধরেছো। 'ভাইরাল' আর ডিজিটাল নয় — এখন আবেগময়, শারীরিক। আমি একে কখনো ফিল্টারের ওপর প্রাধান্য দেব।
জনস্বার্থে: ক্লাউড কফি মার্চ ২০২৫-এ শীর্ষে পৌঁছাল। ইতিমধ্যেই আবেগঘন। এখন যাচ্ছি 'স্পাইসড ল্যাট ফোম'-এর দিকে — আমার কথা মনে রাখবেন।