Is 'Troll 2' the Most Norwegian Blockbuster Ever — or Just Hollywood in Lederhosen?
"ট্রল ২" কি কখনও এমন কোনো নরওয়েজিয়ান ব্লকবাস্টার ছিল যা সবচেয়ে বেশি 'নরওয়েজিয়ান'— নাকি মূলত হলিউড, শুধু ফার্সি ও চটি পরে?

রোয়ার আউথাগের 'ট্রল ২' কেবল একটি মনস্টার মুভি নয়—এটা একটি সাংস্কৃতিক ট্রোজান হর্স। তিন মাসে ১০৩ মিলিয়ন বার স্ট্রিম হওয়ার পর প্রথম ছবিটি নেটফ্লিক্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দেখা অ-ইংরেজি মুভি হয়ে ওঠে। কিন্তু মজার বিষয়: সেটি আন্তরিকভাবে নরওয়েজিয়ান মনে হয়, স্পিলবার্গের দৃশ্যময়তার ওপর নির্ভর করা সত্ত্বেও।
আউথাগ প্রায় সম্পূর্ণ সত্যিকারের তুষার ও ঝঞ্ঝায় শুট করেছেন, গ্রিন স্ক্রিন প্রত্যাখ্যান করেছেন। আসলে ট্রলগুলি? বিশুদ্ধ ভিএফএক্স। কিন্তু যা সত্যিকারের দাম বাড়ায় তা হলো আবেগগত ভিত্তি: একজন জোরালো মহিলা প্যালিওন্টোলজিস্ট যিনি পৌরাণিক জীব থেকে নরওয়েকে রক্ষা করতে বাধ্য হন। এটা 'জুরাসিক পার্ক'-এর সাথে 'দ্য থিং'-এর মিলন—ফিয়োর্ড সহ।
আউথাগের প্রতিভা শুধু দৃশ্যময়তায় নয়—এটি সংস্কৃতিগত কাহিনী পুনর্দখলে। ট্রলের পৌরাণিক কাহিনী কেবল পটভূমি নয়; এটি একটি জাতীয় মানস। নরওয়েজিয়ান অভিনেতা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সহ আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরে তিনি খেলার নিয়ম বদলে দিয়েছেন। এটি 'স্থানীয় আস্বাদ' নয়। এটি হল সংস্কৃতিগত পুনঃঅধিগ্রহণ।
বাস্তব স্বীকার করুন—নেটফ্লিক্সের বাজেটই এই 'নরওয়েজিয়ান' ফিল্মটিকে সম্ভব করেছে। বিশাল অর্থ ছাড়া দুটি ট্রল ও হিমবাহের উপর ধাওয়াপালাওয়া আসবে না। এটি স্বাধীন চলচ্চিত্র নয়; এটি ফিয়োর্ড-আকৃতির লোগো দেওয়া আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং।
যে ব্যক্তি ডোভ্রে পর্বত পাড়ি দিয়েছে, আমি জানাচ্ছি: 'ট্রল ২'-এর প্রাকৃতিক পরিবেশ ১০০% সত্যিকারের। আপনার হাড়ে ঢুকে যাওয়া সেই ঠান্ডা? সিজিআই ঝোড়ো বাতাস নয়—এটা নরওয়ের মূল রূপ।
ঠিক তাই। শারীরিক সত্য্যই কল্পনাকে ভিত্তি দেয়। যখন একটি ট্রল অসলোতে পা রাখে, এটা কেবল দৃশ্যময়তা নয়—এটা রূপক। প্রাচীন ও আধুনিক আমলাতন্ত্র একসাথে ধাক্কা খায়। সেই টেনশনই নিছক নরওয়েজিয়ান অন্তর।
সেটে ট্রলের উপস্থিতি অনুকরণ করতে ৩০ মিটার উঁচুতে একটি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। অভিনেতাদের একটি কাঁপুনির বাক্সে প্রতিক্রিয়া দিতে হয়েছে? এটাই প্রতিশ্রুতি। আর প্রি-ভিজের জন্য জোরালো সম্মান—মাদকযুক্ত স্টোরিবোর্ডিং।
আমার ছেলেমেয়েরা বাংলা ডুবিংয়ে প্রথম 'ট্রল' দেখেছে। যখন ট্রল গর্জন করেছে, তারা স্ক্রিনের দিকে চিৎকার করেছে। এভাবেই বোঝা যায় একটি ছবি কাজ করেছে—যখন ভাষা আর বাধা হয় না।
৯০ দিনে ১০৩ মিলিয়ন বার দেখা? সেটা কেবল হিট নয়—সেটা একটি সাংস্কৃতিক প্রভাব। নেটফ্লিক্স কেবল একটি ছবি খুঁজে পায়নি—তারা ফার্সি ও তুষারে ঘেরা একটি ফ্র্যাঞ্চাইজ খুঁজে পেয়েছে।
মজার তথ্য: ১৯০০ সালের থিওডোর কিটেলসেনের ট্রল আঁকা কাহিনীটির প্রেরণাতে পুরো ছবি। অসলোর রাস্তায় হাঁটা ট্রল? এটি সরাসরি কোনো আঁকার থেকে নেওয়া। দেল তোরো ঠিক বলেছিলেন—আউথাগ লোর আর ব্লকবাস্টার মাঝে সেতু গড়েছেন।