Is Jennifer Lawrence Secretly Running a Masterclass in Anti-Celebrity Fashion?
জেনিফার লরেন্স কি চুপিচুপি একটি অ্যান্টি-সেলিব্রিটি ফ্যাশন মাস্টারক্লাস চালাচ্ছেন?

জে.ল ঘুরে এলেন এনওয়াইসিতে এমন ভাবে, যেন মিলিয়ন ডলারের মতো দেখাচ্ছে, কিন্তু সাথে সাথে মনে হচ্ছে তাঁর কী আর যায় আসে! সেটাই তো সত্যিকারের পাওয়ার মুভ—এমন লাক্সারি যে লুকিয়ে ফিসফিস করছে।
লাল টপ? হ্যাঁ। ৩৩ হাজার ডলারের ব্যাগ? আছে। আঙ্গুর-রঙের স্কার্ফ? অপ্রত্যাশিত। আগ বুট? জিনিয়াস! আর 'লুই' লেখা কিছেইনটা? সেটা আর ফ্যাশন নয়—কাহিনি বলা। এটা কোনো আউটফিট ছিল না। এটা ছিল চরিত্র।
আসুন বাস্তবতাতে ফিরি—এটা আবার ওয়েল্সেন স্কুলের ধাঁচ। জেনিফার কম্পোজড ধনী চেহারা আবিষ্কার করেনি। শুধু সবার অপেক্ষার চেয়ে ভালোভাবে পরলেন।
৩৩ হাজার ডলারের ব্যাগ আর আপনি বলছেন এটা 'সরল ফ্যাশন'? প্লিজ। এটা সেলিব্রিটি-বিরোধী নয়, এটা হলো ব্রান্ডহীন ভাবে ক্রিপ্টোর ফান্ডে ভরা ধনীর ছদ্মবেশ।
আমি শুধু ইউজি জুতো চাই যেগুলো এমন দেখতে। আমার জুতোতে ছোট্টদের কুস্কুস আর কফির দাগ। তবুও, অন্যভাবে গরম পাঠান।
দ্রুত লাক্স জিনিসকে মহিমান্বিত করবেন না। দ্য রো বানায় ৩০ হাজার ডলারের ব্যাগ হ্যাঁ—কিন্তু সেটা হজার হাজার ঘণ্টার নৈতিক উৎস এবং উৎপাদন পদ্ধতির। প্রেক্ষাপট গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি বিষয়টা মিস করছেন। মূল্য ট্যাগ নিয়ে নয়—নির্বাচন নিয়ে। তিনি 'ধনী' পরছেন না—তিনি 'ইচ্ছা' পরছেন।
ভাই, ইউজি ফিরে আসছে। বেলা, দুয়া, সোফিয়া—এখন জে.ল। ভাবছেন ইউজি ভারী? একবার পরে হাঁটুন তো।
সেই 'লুই' কিছেইনটা আমার মন ভেঙে দিল। অদ্ভুত লাগে যে একজন সেলিব্রিটি, সবচেয়ে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে আমাদের মনে করিয়ে দিল ফ্যাশন ঘনিষ্ঠ হতে পারে।
আমার ছয়টা কিছেইন আছে। কোনোটাতেই আমার সন্তানদের নাম নেই। হয়তো আমিই হলাম ভিলেন।