Bari Weiss Just Became Editor-in-Chief—And Immediately Booked Herself a Prime-Time Special. Is This Journalism or a Reality Show?
বারি ওয়েইস মাত্র এডিটর-ইন-চিফ হয়েছেন—আর সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে প্রাইম-টাইম স্পেশালে বুক করে নিলেন। এটা আসলে সাংবাদিকতা, নাকি রিয়েলিটি শো চালাচ্ছেন?

বারি ওয়েইস, সিবিএস নিউজের নতুন এডিটর-ইন-চিফ, নিয়ম-নীতির কাগজপত্র পার হওয়ার আগেই সরাসরি টিভির সামনে চলে এসেছেন—নিজেকে মডারেটর করেছেন একটি আবেগঘন, রাজনৈতিকভাবে তীব্র টাউন হলে, যেখানে মুখোমুখি হবেন চার্লি কার্কের সম্প্রতি অনাথা হওয়া স্ত্রী এরিকা কার্কের সঙ্গে। মানদণ্ড ও নীতিগুলো পুনর্বিন্যাস করার কাজটাও তিনি শেষ করেননি—কিন্তু ইতিমধ্যেই তিনি প্রাইম টাইমের সেন্টার স্পটে। প্রথম ইমপ্রেশন ধারণার কথা চিন্তা করুন!
প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের প্রতিক্রিয়া মৃদু মর্মাহত থেকে রাগান্বিত পর্যন্ত সব রকম। কেউ কেউ এ ধরনের নিজেকে বুক করা কে ক্রিঞ্জ মুভ হিসেবে দেখছেন, যা কোনো কর্পোরেট ‘ইনফ্লুয়েঞ্জারের’ বই থেকে নেওয়া হয়েছে। আর কেউ আশঙ্কা করছেন যে এটি প্রাতিষ্ঠানিক সততার চেয়েও দৃশ্যত সাংবাদিকতার দিকে পরিবর্তন চিহ্নিত করে। যাই হোক সামনের দৃশ্যটা খুবই খারাপ—আর বারি এখনও প্রথম আসল এডিটরের সিদ্ধান্তটিও নেননি।
দুই সপ্তাহের মধ্যেই নিজেকে একটি উচ্চ-প্রোফাইল ইভেন্টে মডারেটর করে বুক করার চিন্তা? এটা নেতৃত্ব নয়—এটা সম্পাদকীয় দৃষ্টি হিসেবে ছদ্মবেশী আত্মপ্রচার। সম্পাদকরা গল্প তৈরি করে, আবেষ্টন করে—হেডলাইন ছিনিয়ে নেয় না।
এটি ক্ষমতা ও ধারণার একটি নিদর্শন। এত তাড়াতাড়ি নিজেকে কেন্দ্রে রাখার মাধ্যমে ওয়েইস কর্মীদের বার্তা দিচ্ছেন—দৃশ্যমানতা মানেই দক্ষতা। এটি মনোবলের জন্য বিষ, এবং সম্পাদকীয় স্বাধীনতার জন্য ভয়ংকর।
ঠিক তাই। আর ভুলো না: ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত তিনি কখনো কিছুই মডারেট করেননি। এটা কেবল দৃশ্য নয়—এটা পেশাগত বাড়তি দাবি নিয়ে আসা।
শান্ত হও। বারি একটি নবজীবন। সিবিএস বছরের পর বছর ঘুমিয়ে ছিল। মাথাচাড়া দেওয়া মানুষ নিয়ে আলোচনা আনলে মাধ্যমে আবার রাজনৈতিক কথোপকথন ফিরে আসবে—এটাই জয়।
যিনি কেবল নিউজ চ্যানেল দেখে বড় হয়েছেন, তার কাছে এডিটরকে আসলে মডারেটর করতে দেখা অবাস্তব মনে হচ্ছে। কিন্তু সত্যি বলতে, যদি তরুণদের আকর্ষণ করে, তাহলে আজকের চাকরির এটাই অংশ না?
বাস্তবে আসা যাক: কেউ এডিটর নিয়ে খুব বেশি মাথা ঘামায় না। তারা চায় ড্রামা, আবেগ, একজন হত্যাকারীকে ক্ষমা করার ঘটনা। এই টাউন হল টিভির জন্য তৈরি দৃশ্য। তিনি মডারেট করছেন না—তিনি আয়োজন করছেন একটি নৈতিকতার মেলা।
মানুষ ভুলে যায় যে তিনি বিতর্কিত আর অনুশোচনাহীন আলোচনার উপরেই তার ব্র্যান্ড গড়েছেন। যদি সিবিএস নিজেকে একটি নাটকীয় আলোচনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফিরিয়ে আনতে চায়, তাহলে এইভাবেই শুরু করা হয়।