Is Hawaii’s Volcano ‘Awareness Month’ Brilliant Public Education or Just Damage Control Theater?
হাওয়াইয়ের 'আগ্নেয়গিরি সচেতনতা মাস' কি জনসচেতনতার চমক নাকি শুধু ক্ষয়ক্ষতি ঢাকার মিডিয়া থিয়েটার?

তো জানুয়ারিতে হাওয়াই জুড়ে USGS 'আগ্নেয়গিরি সচেতনতা মাস' চালাচ্ছে—কথাবার্তা, হাঁটা, এমনকি লাভা শিলার নমুনা দেওয়া হচ্ছে। মনোরম। কিন্তু চোখ খুলুন: বছরজুড়ে ৩৮টি লাভা ফোয়ান্টেন আর ভোগ গ্যাসে শ্বাসকষ্টের শিকার গ্রামের মানুষ—এটা কেবল জনসচেতনতা নয়, একটা সংকট।
তারা পাহোয়েহোয়ের টুকরো পার্টির সোভেনির মত ছড়িয়ে দেয়, কিন্তু কাউ জেলার মানুষ মুখোশ পরে। এটা কি শিক্ষা নাকি পিআর? আর 'শীর্ষ ভাগ আবার ফুলে উঠছে'—এটা ঠিক কতটা নিরাপদ, এই নিয়ে ভাবতেও ইচ্ছে করে না।
শীর্ষ ভাগ ফোলার নজরদারিতে থাকা ব্যক্তি হিসেবে বলতে পারি, এটা কোনো মিডিয়া কৌশল নয়—পারদর্শিতা। আমরা মানুষের কাছে আসল ডেটা তুলে ধরছি, আশ্বাস নয়। 'ভোগে শ্বাসকষ্ট'-এর গল্প এগুলোকে এড়িয়ে যায় যে আমরা মাস আগেই বাতাসের গুণমান মডেল আর গ্যাস মাপ পাবলিক ডোমেইনে দিয়েছি।
পারদর্শিতা? গত মাসে আমার দাদী তিনটি মুখোশ পরেছিল। গ্যাসের মাপ ঘষা আছে ওয়েবসাইটে, কিন্তু অর্ধেক গ্রামের লোকের ইন্টারনেট নেই। তোমরা ভলকেনো ভিলেজে বাস করো, কাউয়ে নয়। একই অভিজ্ঞতা নয়।
দু-পক্ষই যুক্তি আছে। সচেতনতা মাস আপৎকালীন মার্গ বা চিকিৎসা সাহায্যের বদল নয়। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী বিপদের সময় জনগণকে জড়িত করার গুরুত্ব উপেক্ষা করা? সেটা নিরীহ ভাবালুতা।
ঠিক বলেছেন—ইন্টারনেট অ্যাক্সেস আসল সমতার প্রশ্ন। আমরা স্থানীয় রেডিওতে মাপের খবর টানছি। কিন্তু অনুরোধ করছি, আমাদের উপস্থিতিকে উদাসীনতা ভাববেন না।
মজা: আগে আমরা আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণকে দেবদণ্ড ভাবতাম। এখন আমরা বিতর্ক করি যে বিপদ প্রচার কি মিডিয়া কৌশল কিনা। এটা এগিয়ে যাওয়া?
সাতটি বিস্ফোরণ আমি পেরিয়েছি। 'ভোগ কাশি' কথাবার্তা আর শিলা দেখালে সারবে না। সচেতনতা চাই? কাউতে এক সপ্তাহ শ্বাস নাও। তারপর কথা বলব।
ঠিক আছে, উদ্বেগ বুঝতে পারছি। কিন্তু হোয়িটনি ভল্টের প্রদর্শনী? আসল মনিটরিং যন্ত্র? সেটা তো অবিশ্বাস্য মজা। মানুষের হুবহু মজা নেওয়ার দাও।
মজা নেওয়া ভালো—কিন্তু ফুসফুস পোড়া শুরু হওয়া পর্যন্ত। বিজ্ঞান ভালো লাগে, কিন্তু মর্যাদার বিনিময়ে নয়।