Germany’s Factory Sector Stuck in Purgatory – Is a 2026 Recovery Just Wishful Thinking?
জার্মানির কারখানা খাত আটকে আছে নরকের মাঝে—২০২৬ সালে সুধার কি শুধু স্বপ্ন?

জার্মানির উৎপাদন ক্ষেত্রের PMI ৫০-এর নিচে আটকে আছে—যা সম্প্রসারণ ও স্থবিরতার মধ্যকার সীমানা—এবং দু’ বছরের বেশি সময় ধরে এটা চলছে, শেষের দিকে আশার একটু আভা দেখা দিলেও আবার নিচে নেমে গেছে। এটা শুধু স্থবিরতা নয়; শিল্প খাতের অবস্থা মৃত-জীবিতের মাঝে। কোম্পানিগুলি সত্যি আরও বেশি জিনিস তৈরি করছে, কিন্তু অর্ডার (বিশেষ করে বিদেশি ক্রেতাদের থেকে) ধস নামছে। নিয়োগ বন্ধ, আর স্টকগুলো অপ্রয়োজনীয় বইয়ের মতো পড়ে আছে।
ব্যাংকের অর্থনীতিবিদ বলেছেন ২০২৬ সালে বর্ধমান রাজস্ব নীতি চাহিদা বাড়াতে পারে—এটা আশার একটু সূত্র। আচ্ছা ভালো কথা, কিন্তু তোমার তখন অবসর, অথবা জার্মানি রোবট দিয়ে চলছে, কিংবা এলন ম্যাঙ্গোজ মঙ্গলে শহর তৈরি করে ফেলেছে? আসল প্রশ্ন উন্নতি হবে নাকি তা নয়—বরং জার্মানি আগে নিজের গাঠনিক ত্রুটিগুলো ঠিক করবে কি না, আগে তার শিল্প ইউরোপের পুরানো জিনিসের দোকান হয়ে যায়।
লোকেরা মার্কিন স্টকপাইলিংকে দোষ দিচ্ছে, কিন্তু জার্মান উৎপাদকেরা কেন নিজেদের অ্যাডজাস্ট করছে না? চাহিদা বদলালে, উদ্ভাবন করো অথবা মরো। কিন্তু তারা শুধু দুর্বল অর্ডার নিয়ে সোজা করছে। হয়তো দেশি ক্রেতারা নয়—শুধু তাদের পণ্য এখন আর প্রতিযোগিতামূলক নয়।
জার্মানি তার অর্থনীতি গড়েছিল সূক্ষ্ম প্রকৌশল ও মূল্যবান রপ্তানির উপর। কিন্তু যদি বিশ্ব ২০২০-এর মূল্যে কম্বাসচন ইঞ্জিন বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবট চায় না, সে সূক্ষ্মতা কিছুই না। সম্পূর্ণ মডেলটাই পুরনো।
ইউরোপ্রবাসী বিষাদবাদীর উত্তরে: তুমি কি মনে কর প্রকৌশল সততায় গড়া দেশ সব হারিয়ে দেবে? জার্মানি নিজেকে বদলাবে। সবাই সস্তা চীনা মেশিনারি চায় না। গুণগত মানের একটি নিচ আছে, সেটা আমাদেরই হবে।
উৎপাদন বাড়িয়ে কর্মী বর্জন? সত্যি পণ্যতা বাড়ছে, কিন্তু সমাজের অস্থিরতার সূচনাও হচ্ছে। যখন অটোমেশন নতুন শ্রমক্ষেত্রের আগেই দক্ষ কর্মী প্রতিস্থাপন করবে তখন কী হবে? আমরা শুধু সংখ্যা দেখছি না—আসলে দেখছি খোলামেলা সম্প্রদায়।
ভবিষ্যত হচ্ছে গ্রিন টেক আর হাইড্রোজেন। জার্মানির এ বিষয়ে বিশাল দক্ষতা আছে। যদি তারা পুরানো খাত থেকে বিনিয়োগ পুনঃনিক্ষেপ করে গবেষণা ও উন্নয়নে, ২০২৬ কিছু বদল আনবে। এই অবনমন মৃত্যুদণ্ড নয়—ঘুমন্তদের জাগানোর ঘন্টা।
সবাই ম্যাক্রো প্রবণতায় মনোযোগ দিচ্ছে, কিন্তু কর্পোরেট অলসতা কোথায়? জার্মান ফার্মগুলি এখনও ২০১৮-এর সফটওয়্যার আর ২০১০-এর উৎপাদন লাইন ব্যবহার করছে। সাউথ কোরিয়া আর জাপানের কাছে তাদের নমনীয়তা হারানো অবশ্যম্ভাবী। উদ্ভাবন পাশাপাশি কাজ নয়—এটাই মূল প্রদর্শনী।
লাল ফিতে ভুলবেন না। জার্মান ফার্মগুলি শুধু বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি নয়—নিজের সরকারের নিয়মের সঙ্গে লড়ছে। কারখানার লাইন বদলাতে মাস লাগে। চীন সপ্তাহে চালায়।
২০২৬ সালে রাজস্ব উদ্যোগ? আরো ১৮ ত্রৈমাসিক বাকি। আমার পোর্টফোলিও এই সময়ে চারটি মন্দা দেখেছে। সরকারগুলো কেনো 'আগামী বছর সুধার আসছে'—নির্বাচনের আগে।