Only White Rhino Born in the UK This Year? Is This a Conservation Triumph or a Sad Commentary on Biodiversity Collapse?
এ বছর যুক্তরাজ্যে একমাত্র সাদা গণ্ডারের জন্ম? এটা নাকি প্রজাতি সংরক্ষণের সাফল্য, নাকি জীববৈচিত্র্যের পতনের করুণ ইঙ্গিত?

তাহলে, কটসওয়ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ পার্ক এখন মার্কাসের জন্ম উদযাপন করছে, যিনি ২০২৫ এর একমাত্র লালিত সাদা গণ্ডার বাচ্ছা। পুরো ঘটনাটি তো মন ভরানো: সুস্থ জন্ম, খেলাধুলা করা বাচ্ছা, আর কর্মীদের মন্তব্য যে সে 'উচ্ছ্বাসপ্রবণ আচরণ' করছে।
কিন্তু একটু গভীরে গেলেই বোঝা যায়, শুধু একটি বাচ্ছার জন্মের কারণেই আমরা যা 'বিরল' আর 'বিশেষ' বলছি, সেটা আসলে সাফল্য নয়—সমস্যার লক্ষণ। যে প্রজাতি কৃত্রিমভাবে অবশিষ্ট, যার নামকরণ হয়েছে মৃত সংরক্ষণবিদের নামে, সেটা এক নীরব সতর্কবার্তা। আমরা গণ্ডার বাঁচাচ্ছি না—রোগীর শেষসময়ের যত্ন দিচ্ছি।
শুনুন, ২০ বছর ধরে গণ্ডারের সাথে কাজ করা কাউকে বলছি, এটা কেন হতাশজনক শোনাবে সেটা বুঝতে পারি। কিন্তু মার্কাসের জন্ম তো শুধু সংখ্যার কথা নয়। এর মধ্যে জিনগত বৈচিত্র্য, ঐতিহ্য আর আশা রয়েছে। ১২ বছরে ১২টি বাচ্ছা—এটা স্থিতিশীল বংশলতিকা পরিচালনা। আর হ্যাঁ, আমরা ড. বোর্নারের মতো নায়কদের নামে নাম রাখি কারণ তাঁরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের পশুপালক ও সংরক্ষণবিদদের অনুপ্রাণিত করেন।
এটা সুন্দর ঠেকে, কিন্তু সত্যি কথা বলুন: যুক্তরাজ্য গণ্ডারের আদি বাসস্থান নয়। আমরা কৃত্রিম প্রজনন প্রোগ্রামে কোটি খরচ করছি যখন আফ্রিকাতে বন ক্ষয় আর অবৈধ শিকার অব্যাহত রয়েছে। এটা মধ্যবিত্তদের দুঃখের ভাব কমানোর জন্য আবেগপ্রবণ মৃতদেহ সংরক্ষণের মতো। হাবিতাত বাঁচান, জু-এর প্রদর্শনী বাঁচান না।
আসলে, কৃত্রিম প্রজনন অপরিহার্য। আজ আমরা যেসব প্রজাতিকে 'বন্য' বলি, তাদের অনেকেই জু-এ জন্মানো ব্যক্তি থেকে শুরু হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার কনডর, প্রজওয়ালস্কি ঘোড়া—সবই ধ্বংসের কিনারা থেকে ফিরে আসা। এমন প্রোগ্রাম ছাড়া বিলুপ্তি থেকে ফিরতে পারা যায় না।
ঠিক তাই। মানুষ ভুলে যায় যে, জিনগত বৈচিত্র্য না থাকলে ‘বন্য’ জনসংখ্যাও অর্থহীন। এই প্রোগ্রাম জীবন্ত জিনতালিকা রক্ষা করে। এটা দেখানোর জন্য নয়—এটা টিকে থাকার বীমা।
ভালো। একটা গণ্ডারের জন্ম হলো। আমার ছোট্ট শিশু এদিকে জু-এর গিফট শপকে নিজের প্রাকৃতিক বাসস্থান মনে করে ফেলেছে। সংরক্ষণের অগ্রাধিকার, ভাই!
১৯৭২ সালে, আমরা একই পার্কে গণ্ডার ডলি দেখেছিলাম। সে ৩৬ বছর বাঁচে। মার্কাস বড় হয়ে তার প্রজাতির শেষ প্রাণী হতে পারে। এটা অগ্রগতি নয়। এটা মন্থরগতিতে শোক প্রকাশ।
সত্যি বলছি? আমি শুধু স্বস্তি পাই যে আজও শিশুরা গণ্ডার দেখে 'দ্যাখো, মা!' বলতে পারে। 'বইতে যেমন ছিল তেমন'-ই বা। আমরা যতটা স্বীকার করি, এর চেয়ে বেশি মানে এটা রাখে।