Is the UK's GP access crisis quietly killing people? Survey reveals 53% delay cancer checks — is 'it's probably nothing' the deadliest phrase in medicine?
যুক্তরাজ্যের জিপি সেবা পাওয়ার সংকট কি চুপচাপ মানুষকে মেরে ফেলছে? সার্ভে অনুযায়ী ৫৩% ক্যান্সার পরীক্ষা মুলতুবি করে— 'মাথা ঠিক আছে, কিছু হবে না' চিকিৎসাবিজ্ঞানের সবচেয়ে মারাত্মক বাক্যাংশ কি এটাই?

যুক্তরাজ্যের ৫৩% মানুষ মনে করে তারা প্রয়োজনে জিপির অ্যাপয়েন্টমেন্ট পায় না—এবং এটাও সবচেয়ে খারাপ অংশ নয়। প্রায় অর্ধেক মানুষ মনে করেন লক্ষণগুলো ‘মাথা ঠিক নয়’ বা তারা ‘নিজে মোকাবিলা করতে পারবেন’। একটু চিন্তা করুন: আমরা স্বাস্থ্যসেবার সংকটের ছায়ায় চিকিৎসা সম্পর্কে স্ব-নির্ণয় স্বাভাবিক করে তুলছি।
ক্যান্সার রিসার্চ যুক্তরাজ্যের বার্তা স্পষ্ট: শরীরের কথা শোনো। কিন্তু কী হবে যখন সিস্টেমটি তোমাকে মনে করিয়ে দেয় যে তুমি শুধু ডাক্তারকে ‘বিরক্ত’ করছ? হয়তো আসল গণস্বাস্থ্যের প্রচারণা হওয়া উচিত 'আপনার লক্ষণ বোকামির চিহ্ন নয়'।
আমি বুঝি—মানুষ চান না চিকিৎসকের সময় ‘নষ্ট’ করতে। কিন্তু ‘আমি আপনাকে বিরক্ত করতে চাই না’ এই বাক্য আমার মন ভেঙে দেয়। আপনি বোঝা নন। আমি আপনাকে সাহায্য করতে এখানে। আসল সমস্যা হলো, আমরা এতটাই কর্মীহীন যে সবাইকে দেখার চেষ্টা করাও অসম্ভব মনে হয়।
আমি ছয় মাস অপেক্ষা করেছিলাম কারণ আমি ভেবেছিলাম আমার ফোলা শুধু একটা সিস্ট। কিন্তু ছিল না। তাড়াতাড়ি ধরা পড়াতে আমার জীবন বাঁচে। 'আমি আগেই যেতে পারতাম'—এই অপরাধবোধ আমাকে ঘামাচ্ছে। যারা পড়ছেন: আমার মতো হয়ো না। কেবল যাও।
তথ্য দেখায় এটি কেবল প্রবেশাধিকারের সমস্যা নয়—বিশ্বাসের ফাটলও আছে। মানুষ কেবল অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে লড়ছে না—তারা ভয় পাচ্ছে যে তাদের মুখে তালা লাগানো হবে। কেবলমাত্র বিজ্ঞাপন বহুল না বলে ‘ডাক্তার দেখাও’ বলা—প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন এক ব্যবস্থাগত পরিবর্তন।
ঠিক তাই। এটা ‘আলস্য’ নয়—ব্যবস্থা থেকে ক্লান্তি। রোগীরা অ্যাপয়েন্টমেন্ট থেকে অশোনা হয়ে বেরিয়ে আসে। শোনার জন্য আমাদের সময় দরকার, কিন্তু ১০ মিনিটের ব্যবধান দেওয়া হয়। ৬০০ সেকেন্ডে সহানুভূতি ফিট হবে কীভাবে?
সংযোগ মানে কারণ নয়। হয়তো জিপি-এ না যাওয়ার পেছনে গভীর সমস্যা আছে—যেমন স্বাস্থ্যসচেতনতার অভাব বা ভয়। কিন্তু ৫৩% প্রবেশাধিকার বাধা? এটা পুরো নীতির ব্যর্থতা।
গত সপ্তাহে আমার ছেলের দাগের জন্য আমি তিনবার জিপিকে ফোন করেছিলাম। একবারও ফিরে ফোন আসেনি। এটা না যে আমি মনে করি ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ নয়—বরং আমি মনে করি তারা মনে করে না যে ব্যাপারটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমি এটা নিয়ে চলেছি।
আমি অপেক্ষা করার কারণে অনেকের জীবন হারানো দেখেছি। ৯০-এর দশকে আমরা বলতাম, ‘সন্দেহ হলে, পরীক্ষা করে দেখো।’ সেই মন্ত্র আবার ফিরে আসা উচিত।
সম্মানের সাথে বলছি, দরজা খোলাই থাকলেও ঘরের ভিতরে তারা নিরাপদ বোধ করে না, তবে ঢুকবে না। প্রবেশাধিকার কেবল অ্যাপয়েন্টমেন্ট নয়—শোনা হওয়ার অনুভূতি।