Is Miranda Priestly Ahead of the Curve or Just Behind the Times? The Devil Wears Prada 2 Shoe Drama Explodes Online
মিরান্ডা প্রিস্টলি কি স্টাইলের অগ্রবর্তী নাকি শুধুই আউট অফ টাচ? 'দ্য ডেভিল ওয়্যায়ার্স প্রাদা ২'-এর জুতো নিয়ে বিতর্ক নেট জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে

অ্যান হ্যাথাওয়ে তাঁর জন্মদিনেই মজা করে 'দ্য ডেভিল ওয়্যায়ার্স প্রাদা ২'-এর ট্রেলার আপলোড করেছেন, লিখেছেন 'আজ সবার জন্মদিন'—আর ইন্টারনেটের প্রতিক্রিয়া ছিল আগুনের ইমোজি আর জুতো নিয়ে এক জোয়ার। কিন্তু আসল ঝড় উঠেছে কেন? মিরান্ডা প্রিস্টলির পায়ে লাল ভ্যালেন্তিনো রকস্টাড। 2010-এর এই হাই হিল, যা আগে দশকের ফ্যাশনকে আমূল বদলে দিয়েছিল, এখন আউটডেটেড বলে গোষ্ঠী হানছে।
এই সমালোচনা শুধু ফ্যাশন ভক্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—টিকটক ক্রিয়েটর থেকে শুরু করে ইনস্টাগ্রাম কমেন্টাররা 'ফ্যাশন ক্রাইম' বলে ডাকছেন। কিন্তু এখানেই টুইস্ট: এটা কি জানজানে হচ্ছে? কারেন বিসেট কেনেডি বায়োপিকের মতো প্রজেক্টগুলোতে 'ভুল' হ্যান্ডব্যাগ আর চুলের রঙ নিয়ে পিছনে হলে, আজ কোস্টিউম নির্বাচন প্রিলিমিনারি মার্কেটিংয়ের অংশ। হয়ত 'মিরান্ডা' ফ্যাশন বোকা নন—তিনি জিনিয়াস, আমাদের সবাইকে মাথায় নিয়ে আলোচনা করাচ্ছেন!
আমি 2010-এর দশকজুড়ে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছি—রকস্টাড কিম্ভূতকিমাকার ছিল। মিরান্ডা এগুলো পায়ে দেওয়া কোনো ভুল নয়, এটা একটা পাওয়ার মুভ। তিনি ট্রেন্ডের পিছনে ছুটছেন না, তিনিই ট্রেন্ড সৃষ্টি করছেন। এই অবজ্ঞা? কেবল সাধারণ মানুষদের জন্য একটা পারফরম্যান্স।
ওহ প্লিজ। পাওয়ার মুভ? এটা হলো স্টুডিও কর্তৃপক্ষের, যারা মনে করে স্নিকার আর দামি টোট ব্যাগ বিক্রি করা যাবে—তাদের সুযোগ চোখে কাঁড়া। এটাকে সত্যি নামে ডাকুন: আইরোনিক নস্টালজিয়ার মোড়কে টাকার লোভ।
সত্যি কথা বললে—2025 সালে একজন নেগেটিভ চরিত্রকে 2010-এর জুতোতে দেখার চেয়ে ফ্যাশন ফিরে আসার আর কোনো চিহ্ন নেই। কিন্তু আমার রকস্টাডের প্রতি আকর্ষণ বাড়ছে। সবাই যাকে 'মৃত' বলে ঘোষণা করেছে, তাকে পায়ে দেওয়ার মধ্যে কী যেন অত্যন্ত সাহসী আছে।
মিরান্ডার রকস্টাড আর ফ্যাশন নয়—এটা মন্থর গতিতে চলা একটা মিম। এগুলো আউটডেটেড নয়, বরং জেন জেড-এর কাছে 'ভিনটেজ ফ্লেক্স' হিসেবে পেশ করা হচ্ছে, যারা 2026 নাগাদ আইরোনিক্যালি এগুলো পরবে আর ডাকবে 'ওয়াইটুকে কোর' বলে।
2010-এর দশক এখন ভিনটেজ। এটা গ্রহণ করুন। রিভাইভালগুলো আসলে লিটারাল সত্য নয়—এগুলো আবেগের প্রতিধ্বনি। রকস্টাড পায়ে মিরান্ডা কোনো ফ্যাশন ক্রাইম নন—উচ্চ হিলে একটি সাংস্কৃতিক রিসেট।
আমি যেহেতু কোস্টিউম নিয়ে কাজ করি—দাবি করেই বলি: এখানে কোনো বিষয়ই দুর্ঘটনা নয়। ওই রকস্টাডগুলো খুব মন দেওয়া হয়ে নির্বাচন করা হয়েছে। এটা ইঙ্গিত দেয় মিরান্ডা এখনো একই রয়ে গেছেন। তিনিই রানী। শক ভ্যালু এখানে একটা কৌশল।
আমরা বড় ছবিটা মিস করছি। বিষয়টা জুতো নয়—দৃষ্টিভঙ্গি। কে আসলে বলবে কী আউটডেট? রকস্টাড পায়ে মিরান্ডা আমাদের জিজ্ঞাসা করে—ফ্যাশন কাকে বাইরে রাখে, আর কীভাবে ক্ষমতা কাজ করে।