Onkyo at 80: Still Relevant or Just Nostalgia in a Walnut Box?
৮০ বছরে অনকিও: এখনও প্রাসঙ্গিক নাকি শুধু একটা ওক কাঠের বাক্সে আটকে থাকা স্মৃতি?

অনকিও তার ৮০ তম বর্ষপূর্তিতে কোনো বিজয় উৎসব পালন করছে না—তারা প্রতিষ্ঠাতেছে যুদ্ধপরিকল্পনা। পুরনো নকশাগুলো ধুলো ঝাড়া না দিয়ে, তারা লঞ্চ করছে মিউজ সিরিজ: সীমিত এডিশনের নেটওয়ার্ক অ্যামপ্লিফায়ার, আসল বাদামি কাঠের ফ্রেম ও একটি স্পষ্ট বার্তাসহ—তারা স্পেসের পিছনে ছুটছে না, শব্দের পিছনে ছুটছে। এমন ব্র্যান্ড যে জানে: লেগ্যাসির মানে কিছু নেই যদি মানুষ কীভাবে সত্যিই শোনে তা উপেক্ষা করা হয়।
ক্রিয়েটর সিরিজের স্পিকারগুলো ঐতিহ্যকে ক্ষুদ্র করে এনেছে যাতে একটি স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্টেও ব্যবহার করা যায়। এবং হ্যাঁ, নতুন হোম থিয়েটার ধারণাগুলো—১৫টি চ্যানেল পর্যন্ত, ডিরাক লাইভ, থিক্স ডমিনাস—দেখাচ্ছে তারা বড় পর্যায়ে এখনও খেলছে। অনকিওর বার্তাটা স্পষ্ট: আমরা ইতিহাসকে সম্মান করি, কিন্তু আমরা বর্তমানের জন্য বিল্ড করছি।
অনকিওর কারিগরি দক্ষতার প্রতি সম্মান আছে, নিশ্চিত। কিন্তু ‘নেটওয়ার্ক অ্যামপ্লিফায়ার’ আর ‘শব্দের সামঞ্জস্য’ একসাথে বলা? যখন অ্যাপ দিয়ে ট্র্যাক ছেড়ে দেওয়া যায়, তখন সেটা সুবিধার মাধ্যমে সামঞ্জস্য, আত্মার মাধ্যমে নয়।
আহা, আবার একটা সীমিত সংস্করণের সংগ্রহযোগ্য জিনিস। অ্যাপটা ঠিক হলে ডাকবেন। হার্ডওয়্যারটা সুন্দর দেখায়, কিন্তু UX যদি খারাপ হয়, পেয়েছেন ২০০০ ডলারের পেপারওয়েট।
আসলে, অনকিও ট্যাকটাইল নব ও অ্যাপ-বিহীন ডিজাইনে যে মনোযোগ দিচ্ছে তা একটি নীরব বিপ্লব। আমরা টাচস্ক্রিনে ডুবে আছি। ফিজিক্যাল ভলিউম নব ঐতিহ্য নয়—এটা ব্যবহারযোগ্যতা।
চলুন সত্যিকারের কথা বলি—অনকিওর আসল উদ্ভাবন একই কোম্পানির অধীনে ক্লিপসের সাথে থাকা। ফাইভস দ্বিতীয়, সেভেনস দ্বিতীয়? একই DNA। অনকিও ভালো অ্যাম্প্লিফায়ার বানাচ্ছে যাতে তাদের বোন কোম্পানি মরে না।
এক বাক্স, কম অজুহাত। এটাই আসল জয়। আমি কোনো সিস্টেম চাই না। আমি চাই এমন শব্দ যা কাজ করে।
অনকিওর পরিবর্তন একটি পরিবেশগত বার্তাও। ছোট স্পিকার, নেটওয়ার্ক অ্যাম্প—কম উপাদান, কম ই-বর্জ্য। হয়তো ঐতিহ্যবাহী ব্র্যান্ডগুলো অবশেষে টেকসইতার দিকে লক্ষ্য রাখছে।
ওক কাঠের প্যানেলগুলো শুধু রেট্রো মনে করায় না—এটি একটি প্রতিশ্রুতি। এটি বলে, ‘আমরা ভুলিনি কেনো শব্দ গুরুত্বপূর্ণ হয়।’