Is India Being Left Behind in the Global AI Gold Rush?
গ্লোবাল এআই গোল্ড রাশের দৌড়ে কি ভারতকে পিছনে ফেলে যাচ্ছে?

সবাই তো এআই-এর পরবর্তী বড় বাজি ঘুরছে—চাই ডেটা সেন্টার চালানোর জন্য শক্তি সম্পদ সমৃদ্ধ দেশ, আর চাই ব্রেকআউট অ্যালগরিদমওয়ালা স্টার্টআপ। কিন্তু ভারত? মানচিত্রেই নেই।
এটা কোনো কথা নয় যে ভারতে প্রতিভা নেই—আদৌ না। কিন্তু উচ্চ শক্তি ব্যয়, জমির সংকট এবং আসল অর্থে কোনো সেমিকন্ডাক্টর কৌশল না থাকার কারণে এআই খেলায় তার এক হাত বাঁধা অবস্থাতেই অংশ নেওয়া হচ্ছে।
সেমিকন্ডাক্টর হাব হওয়ার ভারতের স্বপ্ন, যেন একটা গোয়ালঘরে ফেরারি বানানো। লক্ষ্য আছে, কিন্তু ইকোসিস্টেম? এখনো সেদিক থেকে একদম প্রস্তুত না।
আমরা চিপ তৈরি করছি না বলেই যে আমরা হেরে যাচ্ছি তা নয়। ব্যাঙ্গালোর থেকে বার্লিন পর্যন্ত ব্যবহৃত এআই টুল বানাচ্ছেন ভারতীয় প্রকৌশলীরা। বল নয়, বুদ্ধিতেই আমরা জিতছি।
সত্যি কথা বলতে গেলে—সরকারগুলো ঘোষণা ভালোবাসে, কিন্তু ভারতে প্রতিশ্রুত ডেটা সেন্টারগুলোর অর্ধেকই এখনো শুধু পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইড স্লাইড।
ভৌত অবকাঠামো নিয়ে এত মনোযোগের মূল বিষয়টাই হারিয়ে যাচ্ছে। মাটি কিংবা চিপ দিয়ে এআই জেতা যায় না। ডেটা, সংস্কৃতি আর আস্থার মাধ্যমে জেতা হয়। বিশাল ডিজিটাল নাগরিক ভিত্তি ভারতের আসল বিচারযোগ্য সুবিধা।
শেষ পর্যন্ত কেউ বলল। ভারতীয় আমলাতন্ত্র উইন্ডোজ ৯৮ বুট হওয়ার চেয়েও ধীরে চলে।
লোকেরা ‘অবকাঠামো’ নিয়ে এখনো সেই ২০০৫-এর সময়ের মতো কথা বলে চলেছে। নতুন অবকাঠামো হলো APIs, ডেটা তরলতা এবং ডেভ কমিউনিটি। দ্রুত প্রোটোটাইপিংয়ে ব্যাঙ্গালোরের ডেভেলপাররা ইতিমধ্যেই শেনজেনকে ছাড়িয়ে গেছে।
আর ভুলে যাবেন না—ভাষার বৈচিত্র্য ভারতের গোপন এআই অস্ত্র। হিন্দি, তামিল, বাংলা নিয়ে মডেল ট্রেনিং? তাতেই গ্লোবাল প্রাসঙ্গিকতা খুলে যাচ্ছে।
আমার প্রেমের জীবন সামলানোর জন্য এখনো এআই আসার অপেক্ষায়।