Bob Ross’s Happy Trees Just Made Public Media Millions — Was It Art or a Political Masterstroke?
বব রসের ‘হ্যাপি ট্রি’ এক লাফে করে দিল কোটি কোটি টাকা — এটা আসলে শিল্প নাকি রাজনৈতিক খেলার জাদু?

দাঁড়ান, ভাবুন তো: কে এটা ভাবতে পারত যে বব রসের সেই শান্ত ছোট গাছগুলো একদিন পাবলিক মিডিয়ার বাঁচার জোর হবে? কিন্তু আমরা এখানে এসেছি। জন অলিভার স্যাটায়ার আর আন্দোলনের মিশেল এমন একটা কাজ করলেন যেটা শুধু মিডিয়া ত্রাণ করলো না, বব রসের চিত্রকে এক কোটি ডলারের প্রতিকে পরিণত করল। 'সানসেটে ক্যাবিন' বিক্রি হয়নি — আনন্দকে একেবারে পাবলিক পণ্য হিসেবে বানানো হলো।
অন্যদিকে, 'জন অলিভারের জাঙ্ক'-এর নিলাম হাতিয়ে নিল ১.৫৪ মিলিয়ন ডলার — আসলে, আমরা টিভি ব্যাকড্রপে ছবি বসানোর জন্য হাজার হাজার ডলার প্রস্তাব দিই, কিন্তু পাবলিক রেডিওর জন্য নয়। আদৌ বিড়ম্বনা এটাই: নগদবাজে পাবলিক ব্রডকাস্টিং বাঁচল এক বিয়ে আঁটা শসা আর কোনো সোনার পুরুষাঙ্গের ভাস্কর্য দিয়ে। যদি এটার চেয়ে বেশি আতঙ্ক নিয়ে ভবিষ্যত কিছু হয়, তাহলে আমি কিছু বুঝি না।
যে লোক আসলে সিপিবি তহবিলের উপর নির্ভর করে, এটা একসাথে অদ্ভুত এবং ভীতিকর। টিভিতে শসার সঙ্গে বিয়ে করা মানুষ যে আমাদের উদ্ধার করছে — আমি বুঝি না। ভুল বুঝবেন না — আমি ভীষণ কৃতজ্ঞ। কিন্তু লজ্জাতেও জর্জরিত। যখন সরকার নিজের দায়িত্ব ছাড়ে, তখন হাস্যকর দান বাঁচার রাশি হয়ে দাঁড়ায় সেটার এটা মনে করিয়ে দেয়।
এটা নিখুঁত বিদ্রূপের চক্র: অলিভার ব্যবস্থাকে রক্ষা করে তাকে মানে আঘাত করে। তিনি সেই অগ্নিনির্বাপকের মতো যে নিজেই আগুন লাগিয়ে নেয় পুরস্কার পাওয়ার জন্য। কিন্তু সত্যি কথা বলতে? নৈরব্যের চেয়ে বিড়ম্বনা আমি বরং চাইব।
ক্রিস্টি’স আর সোথেবির কথা ভুলুন। আসল নিলাম রোমাঞ্চ হচ্ছে 'লাস্ট উইক টনাইট'-এ। বব রসের ১ মিলিয়ন ডলার বিক্রি শুধু হৃদয়স্পর্শী নয়; এটা বাজারভিত্তিক। মানুষ আর্ট কিনছে না — তারা ক্রয় করছে সাংস্কৃতিক নস্টালজিয়ায় ভরা জিনিস আর তার পাশে সামাজিক প্রভাব। আর বন্ধুরা, এর কোনো 'প্রিমিয়াম' দাম আছে।
নিশ্চয়ই পাবলিক মিডিয়ার উদ্ধারকর্তা সে মানুষ যার কমেডি শো-তে গাছপাতার সঙ্গে বিয়ে আছে। পুঁজিবাদ জিতেছে। আমরা আঘাত, বিদ্রূপ আর এখন ভালোবাসাকে অর্থে রূপান্তর করি — একটা নকল গাছের বিয়ে দিচ্ছে বাস্তব বিল। আমি নিরাশাবাদী নই। আমি শুধু পর্যবেক্ষণ করি।
মানুষটি ১০০০ এর বেশি ‘হ্যাপি সিন’ এঁকেছেন। তার শিল্পকর্ম আবার মানুষের সাহায্য করছে, এ কথা তিনি জানলে খুব খুশি হতেন। তার উত্তরাধিকার শুধু গাছ-পাহাড় নয় — দয়া, শান্তি আর জনসেবা। সেই ১ মিলিয়ন ডলারের ছবি? ক্যানভাসে আঁকা শান্তি।
এই মেধার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো যাক: অলিভার কেবল তহবিল তুললেন না। বরং অদ্ভুততাকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলেন। শসা থেকে শুরু করে পুরুষাঙ্গ পর্যন্ত, প্রতিটি জিনিস আমাদের ব্যবস্থার ভাঙার বিদ্রূপ করেছে — এখনো তাই সেগুলো মেরামতও করেছে। এটা নিরাপদ জালসহ বিদ্রূপ।
এটা একটা চমৎকার প্যাচ, কিন্তু সিপিবির মূল অর্থ এখনো গেছে। আমরা যদি হাস্যকর নিলামের উপর নির্ভর করি, তাহলে আমরা জরুরি দানকেই স্বাভাবিক বানাচ্ছি। আসল সমাধান হলো স্থিতিশীল, দ্বিদলীয় পাবলিক অর্থ। কোনো সোনার পুরুষাঙ্গ নয়।
একসেকি... কেউ ১১ হাজার ডলার দিয়ে শসা-স্ত্রী কিনল? আমি কোন সময়রেখায় আছি?