Art Fairs Are Fleeing to the Gulf — But Is It Culture or Cash That’s Driving the Boom?
শিল্পমেলা গালফে ছুটছে — কিন্তু এর পিছনে আসল চালক কি সংস্কৃতি নাকি টাকার ঝনঝন?

ইউরোপ যখন হ্যাঁচকা পা ফেলছে আর গ্যালারি বন্ধ হচ্ছে, তখন গালফের রাষ্ট্রগুলো আর্ট বেসেল আর ফ্রিজের জন্য তখন আসন বিছাচ্ছে যেন সোথবিজ-এ ব্ল্যাক ফ্রাইডের অফার। এটা কেবল প্রসার নয়—পুরো সংস্কৃতির এক নমুনাদার অধিয়ার। হ্যাঁ, অনেকটাই টাকা, কিন্তু শুধু ব্যক্তিগত ধন নয়: সরকারগুলো নিজেদের মাথায় শিল্পকর্ম কিনছে, শিল্পমেলার অর্থায়ন করছে, গাগেনহাইম আর লুভ্রে গড়ে তুলছে দুবাইয়ের আকাশচুম্বী দ্রুততায়।
কিন্তু ঘুরে দাঁড়াবার পেছনের কথা কি? ওরা মেলা কেবল আবহাওয়ার জন্যই নয়। ওরা এসেছে ঘরের সংকট থেকে বাঁচতে: খরচের কারণে গ্যালারি আর মেলায় যায় না, সংগ্রহকারীরা ‘মেলা ক্লান্তি’তে আছে, আর অনলাইন বিক্রি পুরো ব্যবস্থাই বদলে দিয়েছে। তাই মধ্য প্রাচ্যের হাতে যেন রয়েছে সোনার ভিসা, ‘সাংস্কৃতিক মূলধন’, আর লক্ষ কোটি রাষ্ট্রীয় অর্থ। কিন্তু যদি কোনো আসল স্থানীয় সংগ্রহকারী না থাকে, তাহলে এটা কি ঠিক প্রভাবশালী সুন্দর মেলার নামে ব্যয়বহুল নাটক নয়?
ফ্রিজ আর আর্ট বেসেল গালফে খোলা মূলত বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি কমানোর বিষয়। এরা কোনো জনসাধারণের কোম্পানি নয়—এদের পেছনে কোটিপতি। তাদের দরকার নিরাপদ, দ্রুত লাভের বাজার। আয়কর ছাড়া, রাষ্ট্রীয় অর্থায়ন শিল্পে ঢালা পড়ছে এমন গালফ পারফেক্ট। পশ্চিমা গ্যালারি এসবে আসবে, গালফে যারা পাড়ি দিয়েছে তাদের কাছে বিক্রি হবে—শিল্পজগতকে ‘ট্যাক্সফ্রি লাউঞ্জ’ হিসেবে তৈরি করবে। শিল্প? শুধু টেবিলের কাপড়।
চলুন সৎ হই। এটা কোমল শক্তি নয়—এটা কোমল ধোলাই। গালফ আবদাধিকে চেপে রাখার সময় শিল্প দিয়ে নিজেদের ছবি মসৃণ করছে। বিশ্বকাপ আয়োজন করা বা ফুটবল ক্লাব কেনার মতো একই কৌশল। শিল্পমেলা বালির তৈরি মুকুটের উপর ঝলমলে কাচের গুটিমাত্র। আসল সংগ্রহকারীরা? তারা আবুধাবির নয়—সম্পদ লুকোতে ওলিগার্ডস। ঘুম থেকে উঠুন।
আমি যে প্রতিদিন দুবাইয়ে শিল্পকর্ম বিক্রি করি, আমি বলতে পারি—স্থানীয় মানুষের আগ্রহ ক্রমাগত বাড়ছে। হ্যাঁ, সরকার কিনে, কিন্তু আমিরাতি সংগ্রহকারীরা গ্যালারিতে আসে, আলোচনায় যোগ দেয়, ব্যক্তিগত সংগ্রহ গড়ে তোলে। এটা অভিনয় নয়। তাদের সত্যিকারের কৌতূহল আছে। আর মেলাগুলো? এটা ই পুরো পৃথিবীকে এখানে আনে—এটা সবাইকেই সাহায্য করে।
হায় ভাগবান। ‘কৌতূহলী স্থানীয়’? তারা ২০ লাখ ডলারের চিত্র কিনছে না। আমিরাতি আসল ধনীরা ফ্রান্সে প্রাসাদ কিনছে। ‘ব্যক্তিগত সংগ্রহ’ গুলো হচ্ছে ঘোষণা কাজের অংশ। যতক্ষণ না সত্যিকারের বাজার হয়—অন্তত আর্ট কোলোনের মতো—ততক্ষণ আমরা মরুভূমিতে থিম পার্কের মেলার মতো মেলা করছি।
কেউ ঘরের হাতি আলোচনা করছে না: টাকা পাচারের মাধ্যম হিসেবে শিল্প। আপনার কাছে যখন গোপন মালিকানা, ফ্রিপোর্টস, আর কোনো কর নেই, তখন শক্ত সংগ্রহকারী দরকার নেই—শুধু দুর্বল নিয়মনীতি। এই কারণেই এই গালফে মেলা হয়েছে। শিল্প না দেখে টাকা খুঁজুন।
আসুন আসল শিল্পীদের কথা বলি? মেলা বিক্রির জন্য, দেখানোর নয়। আরব শিল্পীদের এখনও এসব তালিকায় অপ্রতিনিধিত্ব করা হয়। অমনোযোগী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে কাজ করায় পশ্চিমকে ভালো অনুভব করাতে এই ‘শিল্প ধোলাই’। আমরা শোভা, কথা নয়।
চলুন এটাকে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম হিসেবে দেখি। গালফ নতুন, ভারী এবং দখলের লক্ষ্যে শিল্প অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করছে—যেমন ভিসি টেক কোম্পানি তে করে। চিত্রের উপরে আয়ের লক্ষ্য নয়। পরবর্তী দশকের সাংস্কৃতিক নোড হাতে পাওয়া চাই।