Big Oil’s Clean Energy U-Turn: Are They Betting on the Future or Just Buying Time?
বড় তেল কোম্পানিগুলোর পরিষ্কার জ্বালানির পথ থেকে ফিরে আসা: ভবিষ্যতের জন্য তারা বাজি ধরছে, নাকি শুধু সময় কাটাচ্ছে?

শেল আর বিপি তাদের পরিষ্কার জ্বালানি প্রকল্পগুলো ছাড়ছে যেন ওরা একটা বাজে টিন্ডার ডেট ছিল। মনে আছে যখন বিপি নিজেকে সাদা চোখে সবুজ করে ছবি দিয়ে বলেছিল, 'আমরা পেট্রোলিয়ামের বাইরে'? বাড়িয়ে আজ: ওরা আবার তেল উত্তোলন করছে যেন ১৯৯৯-এর মতো।
অন্যদিকে, এক্সএক্সোন আর শেভ্রন দীর্ঘমেয়াদি খেলা খেলছে — জীবাশ্ম জ্বালানির আঁকড়ে থাকার পাশাপাশি কার্বন ক্যাপচার আর ব্যাটারি খনিজে বিনিয়োগ করছে। এটা মারাঠনের জন্য ট্রেনিং দেওয়ার কথা বলা, আর কিন্তু দিনে এক কুড়ি সিগারেট খাওয়ার মতো।
আসল কথা বলি: তেল কোম্পানিগুলো দানশীলতার কারণে পরিষ্কার জ্বালানির দিকে যাচ্ছে না। ওরা বাজি ভাগ করছে। বাজার অস্থির, হাইড্রোজেন আর সৌরশক্তি যুক্ত পোর্টফোলিও রাখা হলো বুদ্ধিমানের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা।
একদম ঠিক। এটা পৃথিবী বাঁচানোর বিষয় নয়— এটা হলো শেয়ারহোল্ডারদের বৈঠকে টিকে থাকার ব্যাপার।
সবুজ বানানোর প্রথম পাঠ: কয়েকটা পাইলট প্রকল্প ঘোষণা করুন, শিরোনাম নিন, তারপর কেউ না দেখলে বাজেট কেটে দিন। এটা থিয়েটার, রূপান্তর নয়।
সবাই আসল পরিবর্তনের সম্ভাবনা খারিজ করায় তাড়াহুড়ো করছে। অর্সটেড তেল থেকে অফশোর উইন্ড-এ চলে গেছে। একটি সরকারি কোম্পানি পারলে এক্সএক্সোন পারবে না কেন?
কারণ এক্সএক্সোনের কাছে জনগণের প্রত্যাশা নেই, আর অস্বীকার করেই ও লাভ করে। অর্সটেডের ছিল সরকারি সমর্থন। দুটি ভিন্ন জগৎ।
হাইড্রোজেন জাদু নয়। উৎপাদন করতে মারাত্মক শক্তি লাগে, আর নির্মাণ কাঠামো নেই। খুঁড়তে থাকার সময় মন ভুলানোর প্রকল্প।
প্রকৃতপক্ষে, নীতিতেই গিয়ে ঠেকে। কার্বন ট্যাক্স না থাকলে আসল পরিবর্তন নেই। মুনাফা যেখানে, কোম্পানি সেখানে যায়। পুরস্কারই আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
আমি নিশ্বাস আটকাচ্ছি না। যত দিন তেল সিইওরা ব্যারেল হিসাবে টাকা পাবে, ওরা খুঁড়তেই থাকবে। পুরস্কার না বদলালে, সবটাই কথার কথা।