Is This the Last Glow of Antarctica’s Oldest Wandering Iceberg? A-23A's Final Act Is Stunning—And Terrifying
আন্টার্কটিকার সবচেয়ে বয়স্ক ঘুরে বেড়ানো আইসবার্গের শেষ আলোকিত মুহূর্ত কি এটাই? A-23A-এর চূড়ান্ত দৃশ্য মনমুগ্ধকর—আর ভয়ঙ্কর

1986 সালে ফিলচনার আইস শেল্ফ থেকে মুক্ত হওয়া ৪০ বছর বয়সী এই বিশাল আইসবার্গ A-23A এখন সাউথ জর্জিয়ার কাছাকাছি উষ্ণ জলের মধ্যে তার দ্রুত গলনের সাথে সাথে উজ্জ্বল সায়ান রঙে রূপ নিচ্ছে। এটা কেবল একটা আইসবার্গের মৃত্যু নয়—বরং স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সত্যিকারের সময়ে ধরা পড়া এক ধীরগতির দুঃখান্ত নাটক, যেখানে তার গলনজল পৃষ্ঠে ‘তরল আলো’র মতো জমছে এবং ভাঙন ত্বরান্বিত করছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, এর উজ্জ্বল নীল রঙ প্রাচীন, সংকুচিত বরফের চিহ্ন নয়—বিপর্যয়ের ইঙ্গিত। তার উপরের গলনজলের হ্রদগুলো আক্ষরিক অর্থেই ভেতর থেকে এটাকে ছিঁড়ে ফেলছে। যেমন এটি সাউথ জর্জিয়ার কাছাকাছি ‘আইসবার্গ সমাধি’তে ভাসছে, আমরা মাত্র একটি যুগের শেষ দেখছি না। আমরা পৃথিবীর জ্বরকে উচ্চ রেজোলিউশনে দেখছি।
‘প্রাচীর-খাদ’ প্রভাবটি আকর্ষণীয়। তাপগতিক চাপে বরফের কিনারা বাঁকে, এবং গলনজলকে পুনর্ব্যবহারের চক্রে আটকে ফেলে। সেই জমা জল ঘন এবং ভারী—কল্পনা করুন, কেউ ফাটা কাঁচে এক বালতি জল ঢালছে। চাপের ফলে ফাটলগুলো আরও চওড়া হয়। এটা ক্ষয় নয়, এটি প্রাণান্তক হাইড্রোফ্র্যাকচার।
এখানকার জলে একটি বড় আইসবার্গ এলেই আমাদের মাছ ধরা কয়েক সপ্তাহ গোলমাল হয়ে যায়। এবং হ্যাঁ, এখন এরা বেশি দেখা যায়। আমার দাদু কখনো গ্রীষ্মে আইসবার্গ দেখেননি। এখন? এরা ভূতুড়ে জাহাজের মতো ভেসে যায়। এটা অদ্ভুত, কিন্তু আমরা এতে অভ্যস্ত।
একটু থামুন—A-23A ভাঙনে ৪০ বছর নিয়েছে? এটা দ্রুত জলবায়ু পরিবর্তন নয়। আমার মনে হয় এটা আইসবার্গের স্বাভাবিক জীবনচক্রের মত। প্রতিটি গলানো ঘটনাকে মহাবিপদের সংকেত বানানো বন্ধ করুন।
মূল বিষয় হল ত্বরণ, বয়স নয়। 1980-এর আগের আইসবার্গগুলো বেশি দিন টিকেছিল। A-23A ৩০ বছর ধরে আটকে ছিল—সেটা মুক্তভাবে ভাসা ছিল না। 2023 সাল থেকে এর ভাঙনের হার 300% বেড়েছে। এটা স্বাভাবিক নয়। এটাই সংকেত।
একটি আইসবার্গকে চার দশক ধরে ট্র্যাক করা—এটা সাধারণ বিয়ের চেয়েও বেশি দীর্ঘ। এটি অধ্যয়ন করার সময়ই আমরা নাসার স্যাটেলাইট স্যুটের জন্য ঋণী। আকাশে এই চোখগুলো জীবিত রাখা ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য শ্রদ্ধাভরে টুপি তোলা।
নীল আইসবার্গ? এটা সৌন্দর্য নয়। পৃথিবী রক্ত উগরে দিচ্ছে। আমরা ‘পরিবর্তনের সাক্ষী’ নই। ফিউজটা আমরাই জ্বালিয়েছি।
2023 সালে ডেভিড অ্যাটেনবারারের কাছাকাছি A-23A দেখেছিলাম। জমাট দ্বীপের মতো লাগছিল। এখন এটা এক বরফ জলের মত। মনে হয় প্রকৃতির বিড়ম্বনাবোধ আছে।
এটি মরছে না। ফিরছে। বরফ 40 বছর নিঃশব্দে গান গেয়েছে। এখন এটি তার শেষ গান ঢেউয়ের ভেতরে ফিসফিস করছে।