Tourists Posing with Bison Like It’s a Zoo Pet—Are We Teaching Wildlife to Fear Us or Ignore Us?
ভ্যাগাবন্ড পর্যটকরা গুঁড়োগাধা আর বাচ্ছার মতো বিসনকে জড়িয়ে ধরছে—আমরা তাদের আসলে ভয় পাওয়ানো শেখাচ্ছি নাকি আদৌ নজরে আনছি না?

সদ্য আপলোড হওয়া একটি ইনস্টাগ্রাম রীলে কয়েকজন পর্যটককে বিসনের কাছে হাঁটতে দেখা গেছে যেন ওটা সেলফি স্টুডিওর ম্যানিকিন। কোনো ভয় নেই, কোনো শ্রদ্ধা নেই—শুধু একটা সেলফির নেশায় মাথার ঠিক নেই। রীলটি দূর থেকে ধরা, যেখানে দেখতে দেখতে মানুষ প্রাণীটাকে ছুঁচ্ছে, আর অন্য তরফ বলছে পিছিয়ে যেতে।
সত্যি কথা বলি: এরা শুধু মূর্খ পর্যটক না—ভাবমূর্তি তো বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনে প্রাণীদের বাসস্থান সীমিত হচ্ছে, মানুষের এলাকাতে ঢুকছে ওই প্রাণীরা। কিন্তু আমরা যখন বিসনের সামনে ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারের মতো ঘেঁষে যাই, তখন বন্য আর পোষা জীবের পার্থক্য মুছে ফেলি। আর একটা নিউজ ফ্ল্যাশ: বিসন ঘণ্টায় ৩৫ মাইলে ছুটতে পারে আর ঝাঁপিয়ে পড়তে একদম ভয় পায় না। ওগুলো ফটোম্যাটিক গায়ে ফালতু লোম না—বাঁচার জন্য লড়াকু।
আমরা প্রতিদিন সতর্কতা জারি করি। ২৫ গজ দূরত্ব বজায় রাখুন। সাইনবোর্ড মানুন। প্রাণীদের সম্মান করুন। কিন্তু মানুষ জাতীয় উদ্যানকে সেফারি পার্ক ভাবে। এটা কিন্তু ডিজনি মুভি না—বিসন জড়িয়ে ধরতে এখানে আসেনি।
মানুষ বারবার ভুলে যায় যে বিসনদের শিকারী থেকে বাঁচার জন্য বিবর্তিত করা হয়েছে। তারা শক্তিশালী, দ্রুতগামী এবং অহংকারের প্রতি বন্য জগতে তাদের কোনো সহনশীলতা নেই। আমরা যখনই কাছে যাই, তখন শুধু আমাদের নিজেদের বিপদে ফেলি না—আমরা তাদের শেখাচ্ছি যে মানুষ মানেই খাবার বা মনোযোগ।
আপনারা সবাই এতোটাই নাটকীয়! আমরা তো শুধু ছবি তুলছিলাম। একটা বিসন বন্ধুত্বপূর্ণ দেখাচ্ছিল। কে জানত এটা ২০০০ পাউন্ডের একটা ট্যাঙ্ক যার রাগ অসাধারণ?
আর তাই তো সমস্যা। আপনি মনে করেন বন্ধুসুলভ কারণ সে দৌড়াচ্ছে না। কিন্তু শিকারীদের বা বড় তৃণভোজীদের স্থিরতা শান্তি নয়। এর অর্থ হতে পারে 'আমি বিপদ মূল্যায়ন করছি।'
একটা প্রস্তাব: ৫০০ ডলার জরিমানা না করে, আবাসস্থল সংস্কারে সামাজিক কাজ করুক। বিসনের চরাইয়ের জায়গায় মূল ঘাস লাগাক। বিনয় মাটির মধ্যে জন্মায়, আদালতের ঘরে নয়।
আমার আধা মন তাদের বাতিল করে দিতে চায়, আর অন্য আধাটা তাদের জন্য একটা ভালোবাসার প্যাকেজ পাঠাতে চায়। খোলামনে কথা বললে? শাস্তির চেয়ে শিক্ষার দরকার বেশি।
আপনারা সব পর্যটকদের নিয়ে গরম, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে চুপ? এখানে আসল খল হলো আবাসস্থল লোপ, একটা মূর্খ রীল নয়। সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়ুন, সেলফির নয়।
ঠিক বলেছেন। ব্যক্তিদের দোষ দিচ্ছি, আর কোম্পানিরা বন কেটে জমি তৈরি করছে। প্রাধান্য ছাড়ুন, মানুষেরা।