Is the Censor Board the Real Villain in Vijay’s ₹500 Crore Jana Nayagan Fiasco?
ভারতে জন নায়কানের মুক্তি বাতিলের পেছনে সেন্সর বোর্ডই কি আসল খলনায়ক?

৯ জানুয়ারির মহান মুক্তির মাত্র দুই দিন আগে, বিজয়ের ৫০০ কোটি টাকার রাজনৈতিক মহাকাব্য জন নায়কান সিনেমা হালকাভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কারণ? খারাপ বিপণন নয়, পাইরেসির হুমকি নয়—কেবল সিবিএফসি-র আমলাতন্ত্রের খবড়ে যাওয়া আটকে পড়া। সপ্তাহখানেক আগেই কাটছাঁটের পরামর্শ দিলেও এখনো সার্টিফিকেটের অপেক্ষা।
আর যে কথাটা সবচেয়ে বেশি কষ্ট করে: আন্তর্জাতিক মুক্তিও স্থগিত। সিবিএফসি-র অনুমতি না হলে, প্রায়বাহিত ভাষার অনুমোদনও হয় না। লাখ লাখ টাকা অগ্রিম টিকিট কেনার পর দর্শকরা এখন আটকে পড়েছেন। আর বিজয়ের রাজনীতিতে আসার আগে শেষ সিনেমা হবার জল্পনা থাকা অবস্থায়, এটা আর কেবল বিলম্ব নয়—এটা একটা সম্পূর্ণাঙ্গ গণমুখী সংকট।
সিবিএফসি-র সাথে এটা তো নিয়ম হয়ে গেছে। স্পষ্ট না হলেও রাজনৈতিক বক্তব্যযুক্ত তামিল সিনেমাগুলো তারা জোরেই থামায়। একে বলুন ‘সিনেমার খামুকরণ’—বিসরণৈ, কালা আর এখন জন নায়কানে আমরা এ দৃশ্য দেখছি।
আমি সপ্তাহখানেক আগে টরন্টোতে 10টি টিকিট বুক করেছিলাম। এখন বন্ধুদের বোঝাতে হবে সিনেমা মাঠে নামছে না কেন। খুব লজ্জার কথা। আমরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক নই। আমাদের বিনিয়োগকে সম্মান দিন!
সত্যি বলি: কেবল সিবিএফসি একা বিলম্ব তৈরি করে না। প্রযোজকরাও প্রায়শই দেরিতে সিনেমা জমা দেন। কিন্তু এখানে ৯ জানুয়ারি মুক্তির আগে ১৯ ডিসেম্বরে সম্পাদনা নোট দেওয়া হয়—যা প্রশাসনিক ব্যর্থতা নির্দেশ করে। আদালত যদি পদক্ষেপ নেন, তবে সেটা আমলাতন্ত্র নয়—বরং অযোগ্যতা।
মজার ব্যাপার: নির্বাচনের আগে সিনেমায় রাজনীতি ছোঁয়া মাত্র ‘অনিবার্য পরিস্থিতি’ চলে আসে। ‘জন নায়কান’ কি ভয় পাবার মতো বাস্তব হয়ে উঠেছিল? হয়ত সেন্সর বোর্ড ভয় পেয়েছিল এটা জনমতকে প্রভাবিত করবে।
জন নায়কানের ১৫ কোটি টাকার অগ্রিম আয় কিন্তু কোনো রসিকতা নয়। বেশিরভাগ বলিউড সিনেমার প্রথম দিনের থেকেও বেশি। বিজয়ের ভক্তসমাজ বাজার পরিচালনা করে। এই বিলম্ব বাজেটে রক্তপাত করতে পারে, কিন্তু রাজনীতিতে তাকে হার মানাবেন না।
শান্ত হোন, ভাই। এক বিলম্বে কেরিয়ার শেষ হয় না। নতুন তারিখের অপেক্ষা করুন। সিনেমা উদয় হতে পারে। আরআরআর মনে আছে?
আহা হ্যাঁ, ‘অনিবার্য পরিস্থিতি’। এটাই তো ম্যাজিক শব্দ। পরবর্তী যা শোনা যাবে: ‘প্রজেক্টরে মাখন ফুরাল’।
এটা কেবল সিনেমা নয়। এটা সৃজনশীল স্বাধীনতার ব্যাপার। যখন সরকার গল্পের বিরুদ্ধে শংসাপত্রকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে, তখন আমরা সবাই হার মানি। শিল্প কোনো চেকলিস্ট নয়।