Is 'Biophobia' the New Urban Epidemic? Or Just City Folk Being Dramatic?
বায়োফোবিয়া কি নতুন শহুরে মহামারী? নাকি শহরতলীর মানুষজন মাত্র অতিরঞ্জন করছেন?

সুইডেন ও জাপানের গবেষকরা ‘বায়োফোবিয়া’ নামক একটি নতুন মানসিক শর্তের সতর্কবার্তা দিচ্ছেন—যা শুধু মাকড়সা বা সাপের ভয় নয়, প্রকৃতির প্রতি সম্পূর্ণ ভয়। এমন কারও কথা ভাবুন যে একটি গাছে ঘেরা পথে হাঁটার কথা ভেবেই ঘামছে। অতিরঞ্জিত মনে হচ্ছে? হ্যাঁ, ওয়াইওমিংয়ের মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এটিকে সত্যি মনে করছেন না।
ইয়েলোস্টোনের ব্যাককান্ট্রি গাইডরা বলেন যে অধিকাংশ উদ্বিগ্ন নবাগত আস্থা আর ভালো গাইডের সহায়তায় দ্রুত তাদের উদ্বেগ ঝেড়ে ফেলে। এদিকে, গ্রামীণ চিকিৎসকরা বলছেন যে শহুরে মানুষ বিশাল জায়গায় অস্বস্তিবোধ করতে পারে ঠিকই, কিন্তু একে ‘ফোবিয়া’ বলা হয়তো খুব বেশি বলা হচ্ছে। তো, এটি কি সত্যিকারের নৈরাশ্য নাকি বিজ্ঞানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা আরেকটি শহুরে কিংবদন্তী?
যিনি প্রতিদিন ট্রমা চিকিৎসা করেন, তিনি বলছেন—‘প্রকৃতির ভয়’ আমাদের নির্ণয়গত নির্দেশিকায় নেই। আসল ফোবিয়াগুলো মানবজীবনকে পঙ্গু করে দেয়। ‘বায়োফোবিয়া’ নামকরণটি মনে হয় একাডেমিক বাড়াবাড়ি। আমরা স্বাভাবিক অস্বস্তিকে রোগ বানানোর ঝুঁকি নিচ্ছি।
এই গবেষণা দেখে হেসেছিলাম। আমার সাথে ইয়েলোস্টোনে সপ্তাহখানেক আসুন। আপনার বায়োফোবিয়া আশ্চর্যে পরিণত হবে। লোকেরা অজানাকে ভয় পায়—প্রকৃতি নয়। তাদের একটি ম্যাপ, একটি পরিকল্পনা আর ভালো জুতো দিন, আর তারা অনুসন্ধানী হিসেবে জঙ্গলে ঢুকবে।
আপনি যেহেতু ডিএসএম-এ নেই বলছেন, তাই এটা সত্যি না? আমরা সবকিছুকে রোগ বানাই — এখন সত্যিকার নতুন রূপান্তরকে অবহেলা? বায়োফোবিয়া মানব-প্রকৃতি সম্পর্কের ভাঙন প্রতিফলিত করে। যদি নামে ভয় পান, তাহলে একে ‘অনুভূতির অভিজ্ঞতা’ বলুন।
অভিজ্ঞতা যাচাই করা যায়, অবশ্যই। কিন্তু যখন আমরা স্বাভাবিক অভিযোজনের চাপকে ক্লিনিক্যাল নাম দিতে শুরু করি, তখন আসল মানসিক সংগ্রামকে দুর্বল করি।
আমি এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে কেঁদে ফেললাম। আকাশটা এত বড় ছিল। আমি একটি পিঁপড়ের মতো অনুভব করলাম। এটা কি বায়োফোবিয়া? নাকি বাড়তি গাছপালাসহ কালচার শক?
বাস্তব জগতে স্বাগত, আমার বন্ধু। কান্না? আমি অনেকবার দেখেছি। কিন্তু তৃতীয় দিনে তারা দীর্ঘতর পথচলা চায়। এটা ফোবিয়া নয়—এটা রূপান্তর।
বাস্তব হোন: যদি লোকেরা বনের ভয় পায়, তাহলে তা সংরক্ষণক্ষেত্রের সংকট। যা ভয় পান, তা আপনি রক্ষা করতে পারবেন না। বায়োফোবিয়া শুধু মানসিক স্বাস্থ্য নয়—এটি উদ্বেগে মোড়া পরিবেষণগত অজ্ঞতা।