Trader Joe’s Just Bought a Ghost Pharmacy for $22M — Is This Retail Genius or a Bizarre Real Estate Game?
ট্রেডার জো’স ফেলে দেওয়া ফার্মেসী কিনে ফেলল ২.২ কোটি ডলারে — এটা মেধার কি না বেপারে আবহমান রহস্য?

তো ট্রেডার জো’স সান্টা মোনিকায় বন্ধপড়া একটা রাইট এইড কিনেছে ২.২ কোটি ডলারে। ভালো। কিন্তু আসল মোড়টা হলো এটি মাসের পর মাস ধরে ফাঁকা পড়েছিল কারণ জোনিংয়ের একটা টাইপোর কারণে — অর্ধেক বাণিজ্যিক, আধেক বাসিন্দাদের। একটা মানচিত্রের ভুল ঠিক না করা পর্যন্ত কোনো সুপারমার্কেট ঢুকতে পারছিল না। এটা শুধু বাবুয়ানা নয়, কালো রসিকতার পর্যায়ে।
ট্রেডার জো’স অবশ্যই রাইট এইডের দেউলিয়াপনার পরের পতন লাভবান হচ্ছে। এটা দুই পক্ষের জন্য উপকারী: রাইট এইড একটা লোকসানের জায়গা ছাড়ছে, আর টিজে’স পেয়ে যাচ্ছে একটি তৈরি হওয়া রিটেইল বাক্স একটি প্রিমিয়াম লটে। কিন্তু বড় অস্বস্তির কারণ: একটি ব্র্যান্ডের নগরে খাবার পৌঁছে দেবার ক্ষেত্রে চুপচাপ দখলদারিত্ব কি ভালো? আর কি শহর কোম্পানির পান্ডা বানিয়ে উঠছে?
লোকেরা টিজে সম্পর্কে হালকা ভাবছে। যে ব্যক্তি এই জমি নিয়েছিল তার ক্ষেত্রে বড় লাভ হয়েছে। ট্রেডার জো'স ২০ বছরের লিজ করুক? না — সরাসরি কিনে নিয়েছে। এটা দীর্ঘমেয়াদি মূল্য বৃদ্ধির সূত্র। এটা কোনো সুপারমার্কেট অর্জন নয়, জমির বিজয়ের উদাহরণ।
আমরা কি এই জোনিংয়ের বিশৃঙ্কলের কথা বলতে পারি যা আমাদের অর্থনীতির জন্য ১.৪ একরের কৃষ্ণ গহ্বর হয়ে দাঁড়িয়েছিল? ৩০% দোকান খালি আর শহর জোনিং ঠিক করতে পারে না? মিশ্র ব্যবহারের জন্য বছরের পর বছর লড়েছি আমরা। আর এখন একটা কোম্পানি স্টোরের জন্য এত দ্রুত ঠিক করবে? বিশ্বাসঘাতকতা মনে হচ্ছে।
জোনিংয়ের 'ভুল' আসলে একটি ব্যবস্থাগত ব্যর্থতা ছিল। শহরের মানচিত্র দু'দশক ধরে ঠিকমতো ডিজিটাল করা হয়নি। এটা আলাদা ঘটনা নয় — মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নগর পরিকল্পনা দপ্তরগুলোতে অনাদিকৃত তহবিলের লক্ষণ।
টিজে'স শুধু রাইট এইড নিচ্ছে না — তারা ঘনবসতিপূর্ণ বাসিন্দাদের রাস্তায় কৌশলগত ঘাঁটি গড়ছে। এই জায়গা? একটি ভন্ স্টোর আর দুটি টিজে’স-এর মাঝামাঝি। এটা আকস্মিক নয়। খাবারের মরুভূমি দখল। তারা পুরো ব্লক মালিক।
অন্যদিকে, রাইট এইড গ্রাহকরা এখনও বন্ধ দোকানগুলো থেকে স্ক্রিপশন স্থানান্তর করতে লড়ছে। কিন্তু ঠিক আছে, টিজে'স ডিল করেছে তা উদযাপন করি। এটাই কি আমাদের প্রাধান্য?
হুম বাহ, একটা মার্কেট? আগামীকাল কী হবে? পার্কিং লট? থামেন — আগে থেকেই আছে! সত্যিকারের দূরদৃষ্টি।
আমি সমালোচনা জানি, কিন্তু সত্যি বলি — টিজে’স না হলে হয়তো হতো ক্রিপ্টো লাউঞ্জ বা অবিশ্বাসী কো-ওয়ার্কিং স্পেস। কমপক্ষে এটা ভোজনহীনমানুষের মুখে খাবার এনে দিচ্ছে।
এক বিল্ডিং কিনতে তারা ২.২ কোটি ডলার খরচ করে। আমরা তো ২২ ডলার খরচ করি দরজার চাবি মেরামতে। যখন দৈত্যেরা জমি অর্জনকে চেসের মতো খেলতে শুরু করল, তখন প্রতিযোগিতা সমতল শেষ।