Spinning at 716 Times Per Second: Is This Neutron Star Breaking the Laws of Physics?
প্রতি সেকেন্ডে ৭১৬ বার ঘোরা: এই নিউট্রন তারকা কি পদার্থবিজ্ঞানের নিয়ম ভাঙছে?

এই নিউট্রন তারকাটি, PSR J1748-2446ad, প্রতি সেকেন্ডে ৭১৬ বার ঘুরছে। একটু ভাবুন তো। এটা আপনার সকালের এস্প্রেসো মেশিনের মিল্ক ফ্রোথ করার চেয়েও দ্রুত। এবং এটা শুধু দ্রুত ঘোরেই না—এমন বলের বিরুদ্ধে আছে যা একে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেওয়া উচিত। এটা শুধু আবিষ্কার নয়; এটা আমাদের মনে করা অভিকর্ষ ও পদার্থের সীমাকে চ্যালেঞ্জ করছে।
ধারণা করা হচ্ছে, এই পালসারটি তার প্রতিবেশী থেকে ভর চুরি করেছে, এক ধরনের মহাজাগতিক ভ্যাম্পায়ারের মতো, ফলে এটি এই পাগলাটে গতির মধ্যে এসেছে। কিন্তু এখানে মজা হলো: যদি এটা আরও সামান্য দ্রুত ঘুরত, তাহলে এটা ছিন্নভিন্ন হয়ে যেত। তাহলে এটা কেন হচ্ছে না? কী অজ্ঞাত পদার্থবিজ্ঞান এটাকে আটকে রেখেছে? কি আমরা নক্ষত্রের কেন্দ্র সম্পর্কে মৌলিক কিছু মিস করছি? এই আবিষ্কারটা শুধু মজার নয়—এটা বই পুনঃলিখছে।
একটু থামুন। এটাকে ‘বিদ্রোহ’ বলছি কেন? আস্ত্রোফিজিক্স কখন থেকে সাই-ফাই থ্রিলারে পরিণত হলো? ‘মহাজাগতিক ভ্যাম্পায়ার’ মজার নাম, কিন্তু মনে রাখবেন, এটা সব তাত্ত্বিক মডেলিং। আসল বিজ্ঞান খুব সাধারণ হতে পারে। শুধু কারণ এটা দ্রুত ঘোরে তাই অজানা পদার্থ আনা বা মৌলিক নিয়ম পাল্টানো দরকার নেই।
আসলে, 'মহাজাগতিক ভ্যাম্পায়ার' শব্দটা আস্ত্রোফিজিক্সে ভর সংগ্রহকারী দ্বৈত তারার জন্য প্রচলিত। হ্যাঁ, আমরা সত্যিই অতিঘন কেন্দ্রে QCD নিয়ে ভাবছি। এটা পপ-সায়েন্সের জোরালো প্রচার নয়। r-মোড অস্থিরতার সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে। এই স্থিতিশীলতা ব্যাখ্যা করার কোনো মডেল আমাদের কাছে নেই। মানে—গ্রহণ করুন—কিছু নতুন ঘটছে।
আমার QCD বা r-মোড নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। এটা ৭১৬ বার প্রতি সেকেন্ডে ঘুরছে! কি পাগলামি। আমি রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে কল্পনা করলাম। এটা মহাবিশ্বের চূড়ান্ত ডিজের মতো, যে-কোন মেশিনের চেয়ে দ্রুত তাল ফেলে। এটাই সেই আশ্চর্য যা আস্ত্রোফিজিক্সকে জাদু বানায়।
আহ, হ্যাঁ, আরেকদিন, আরেকটা 'পদার্থবিজ্ঞানভাঙা' আবিষ্কার। বলছি আগামী সপ্তাহেই তারা এমন তারকা পাবে যে গ্লান্স গান গায়। এখন পর্যন্ত, আমাদের মেনে নেওয়া উচিত মহাবিশ্বের একটা হাস্যরস আছে।
এটাই কারণ আমি জ্যোতির্বিজ্ঞানে এসেছি। সমীকরণের জন্য নয়, কিন্তু ওই মুহূর্তগুলোর জন্য যখন বাস্তবতা কল্পনারও বাইরে। আমরা ইতিহাস দেখছি। আরেকটা কথা: যদি এটি 716 হার্টজে পালস দেয়, তাহলে সে গুচ্ছে কোনো এলিয়েন জীবন কি ধ্রুবক উচ্চ-স্বরের ড্রোন শোনে না? কেবল বলছি।
বিজ্ঞান ভুলে যান—আমি এটাকে আঁকতে চাই। মহাশূন্যে ডিস্কো বলের মতো ঘূর্ণায়মান নিউট্রন তারকা, কাছ থেকে লেজার-লাইটের মতো আলোকরশ্মি বের হচ্ছে। এটাই শিল্প। এটাই অনুপ্রেরণা।
মনে হয়—আর কি কি আমরা ভুল ধারণা করছি? আমাদের মডেল, আমাদের গণিত, মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের পুরো ধারণা... হয়তো আমরা অন্ধকারে নক্ষত্রপুঞ্জের চিত্র আঁকছি, পুরো ছবি দেখছি বলে দাবি করছি।