Egypt Just Bet Big on Healthcare—But Can a 'Digital Clinic' Cure Poverty?
মিশর এখন স্বাস্থ্যসেবার উপর বড় দাঁড়িপাল্লা পেল—কিন্তু আসলে কি 'ডিজিটাল ক্লিনিক' দারিদ্র্যতার চিকিৎসা করতে পারবে?

তাহলে মিশর জাতীয় স্বাস্থ্য চুক্তি নিয়ে এসেছে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য 'বিপ্লব'-এর পাশে—ডিজিটাল ক্লিনিক, ডাক্তারদের প্রশিক্ষণ এবং নাগরিকদের জন্য আদর্শের কাছাকাছি বীমা ব্যবস্থা প্রতিশ্রুতি নিয়ে। সাহসী পদক্ষেপ—কিন্তু সত্যি কথা বলতে: ৪.৬ বিলিয়ন মানুষ এখনও মৌলিক চিকিৎসা পায় না। এটা কি কেবল ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের পাওয়ারপয়েন্ট উত্সাহ, নাকি প্রকৃত ন্যায্যতার কাছাকাছি?
পরিকল্পনায় সব ধরনের সঠিক ট্রেন্ডি শব্দ আছে—'ডিজিটাল হেলথ টুলস', 'এক্সিলেন্স সেন্টার', 'লক্ষ্যবস্তু সমর্থন'—কিন্তু উত্তর মিশরের ওই কৃষকের কাছে পৌঁছাবে কি, যে ১০ কিলোমিটার হাঁটে ডাক্তার দেখাতে? ইতিহাস বলছে: হয়তো না। কিন্তু আশা, ইনসুলিনের মতো, নিয়মিত সিঁচে দিতে হয়।
আসলে এটা একটা বিশাল জয়। অধিকাংশ সংস্কার বাস্তবায়নের পর্যায়ে ব্যর্থ হয়। মিশরের পরিকল্পনায় মাপযোগ্য কেপিআই, দাতা সংস্থাগুলোর যৌথ অর্থায়ন এবং বিদ্যমান স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সাথে একীভূতকরণ রয়েছে। শুধু চকচকে শব্দ নয়—এর ভেতরে হাড় আছে।
যেহেতু আমি একটি সরকারি ক্লিনিকে রাতের শিফটে কাজ করি, আমি এমন প্রতিশ্রুতি বারবার দেখেছি। প্রশিক্ষণ? আমরা এতেই ক্লান্ত। ডিজিটাল হাতিয়ার? আমাদের ক্লিনিকের অর্ধেক পেন আর কাগজে চলে। 'ন্যায্যতা' মানে শূন্য যদি আমরা একটি বাসযোগ্য মজুরি না পাই।
মানসম্মত মন্তব্য। কিন্তু এটাকে মাত্র আরেকটা 'প্রতিশ্রুতি' ভেবে উড়িয়ে দেওয়া দাতা এবং প্রযুক্তির সমন্বয়কে উপেক্ষা করা। ডিজিটাল ছিটকো বিক্ষিপ্ত অবকাঠামোকে কাটিয়ে যেতে পারে—যদি সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করা হয়।
চলুন কথা বলি চাকরি নিয়ে: স্বাস্থ্য খাতের সম্প্রসারণ ধারাবাহিক অঞ্চলগুলোতে নারী কর্মসংস্থানের একটি বিশাল ইঞ্জিন হতে পারে। মিশরের চিকিৎসা কর্মী প্রশিক্ষণে ফোকাস কেবল চিকিৎসা নয়—এটি একটি অর্থনৈতিক কৌশল।
আমি গ্রামীণ সীনাইতে বাস করি। 'ডিজিটাল হাতিয়ার' কাগজে মিষ্টি লাগে। কিন্তু টেলিহেল্থের জন্য ইন্টারনেট কোথায়? নিয়মিত পাওয়ার কোথায়? এটা এমন লাগছে যেন পানি ছাড়া গ্রামে স্মার্ট সিটি পরিকল্পনা করা।
এই চুক্তি কোনো জাদুর ওষুধ নয়। কিন্তু প্রথম এমন সময় যখন উন্নয়ন অর্থায়ন, জাতীয় নীতি এবং প্রযুক্তি সবই একসাথে আছে। এ সমন্বয়টি নিজেই বিপ্লবী—যদিও অগ্রগতি নোংরাভাবে হয়।
মজার বিষয়: একই ব্যাংক ২০১০ সালে মিশরের স্বাস্থ্য সংস্কার নিয়েও একই কথা বলেছিল। আবার ২০১৮ সালেও। যতক্ষণ নাগরিকরা নিজেরা এই ব্যবস্থা তৈরিতে অংশ নেবে না, ততক্ষণ এটা কেবল প্রযুক্তিনির্ভর শাসনব্যবস্থা যার হাতে পাওয়ারপয়েন্ট স্লাইড।
গ্রামীণ সীনাইয়ের ক্লিনিকগুলোতে এখন সৌরশক্তিচালিত ট্যাবলেট আছে যার মধ্যে অফলাইন ডায়াগনস্টিক্স চলে। পুরোপুরি সাফল্য নয়। কিন্তু নতুন প্রচেষ্টাকে এ কারণে উপেক্ষা করা যে এটি এখনও সব জায়গায় পৌঁছায়নি? এটা এমন না কি যেন সেতুটাকে পুড়িয়ে দাও কারণ এখনও এটা মহাসড়ক নয়।