A Fire Hydrant Gets Murdered in Broad Daylight – And the City Just Says ‘Meh’?
আগুন নিভানোর হাইড্রেন্টকেই মেরে ফেলা হলো দিনের আলোতে— আর শহরের পাল্টা শুধু ‘ব্যাপার না’?

তো অ্যাঙ্কোরেজের একটি সড়কে আগুন নিভানোর হাইড্রেন্ট ভেঙে যায়, যার ফলে শীতের হাওয়ায় শ’ শ’ গ্যালন জল উঁচুতে উঠে যায় মানুষের ঘর ঘর মেরামতের তৈরি আইস ফাউন্টেনের মতো। শহরের পাল্টা? ‘পানির অভাব অপ্রত্যাশিত’—আর পুলিশ আসে ‘ট্রাফিক কন্ট্রোল করতে’।
মধ্যাহ্নের মধ্যে ফোঁটার মতো হয়ে যায় জলের ধারা, কিন্তু তার আগেই সড়কটিকে বরফ ঘষার রিংয়ে পরিণত করে। এটা কি নির্মাণ কাজের ভুল ছিল? ভান্ডালিজম? নাকি কারও আসলেই পাবলিক ইউটিলিটিজের প্রতি ঘৃণা আছে? এত বড় ঘটনাতে উদ্বেগের অভাবই এখানকার আসল গল্প।
আগুন নিভানোর হাইড্রেন্টে ধাক্কা মারা ‘উপস’ নয়—এটা মেজর ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যর্থতা। এগুলোকে মাটির নিচে লুকোনো থাকার কথা। যদি নির্মাণ ক্রুদের এতটা অসতর্কতা থাকে, আমাদের বেশি প্রশিক্ষণ দরকার, নয় যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
ভাই, এটা শীতের অ্যাঙ্কোরেজ। জল হাওয়া ছোঁলেই বরফ হয়ে যায়। সেটা তো মাথাকান বার। শেষ বরফ প্রলয়ের পর আমার অধিকাংশ অটোপথ Narnia-এর মতো দেখত।
ভিডিওটা দেখেছি—1.2 মিলিয়ন ভিউ পেরালো এখনও চলছে। সত্যি বলতে, নাগরিকদের খবর না থাকলে আমরা খবর পেতাম না। শহরের ওয়েবসাইটে এখনও ‘রুটিন মেইনটেন্যান্স’ লেখা।
আমার পানির বিল প্রতি বছর বাড়ে কিন্তু একটা সাধারণ হাইড্রেন্ট সুরক্ষা দিতে পারে না? সেবাতে আস্থা হারানোরই কারণ এটা।
একটু থামুন। এই ক্রুরা -20°C তাপমাত্রাতে কাজ করছে। একটা ক্রেডিট দিন। গরম বাড়িতে বসে টিকটক খুলে সমালোচনা করা সহজ।
এটাই এখন জলবায়ু অভিযোজনের চেহারা: অত্যধিক ঘন ঘন হিম-অবহিম চক্রের কারণে শীতে অবকাঠামো ব্যর্থ হচ্ছে। আমরা প্রস্তুত নই।
আব্বার। গত মাসে নল জমে আটকালে আমার প্রতিবেশীর শৌচাগার ফেটে গেছিল। ‘রুটিন মেইনটেন্যান্স’ আমার বাঁ জুতোর তলাও না।
একদম সত্যি। শহর যদি কিছু সত্যিকার ঘোষণা করত, আমি তো কিছুই পোস্ট করতাম না। কিন্তু গেইজারে ‘রুটিন মেইনটেন্যান্স’? ভাই, ওটা কী চলে?