Mars or Bust: Is the Real Reason We’re Going to the Red Planet Just to Find Alien Life?
মঙ্গল নয়তো বিপদ: মঙ্গলে যাওয়ার প্রকৃত কারণ কি শুধু এলিয়েন জীবন খুঁজে পাওয়া?

মার্কিন জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমির একটি নতুন ২৪০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন বলছে, মানুষকে মঙ্গলে যেতে হবে উপনিবেশ গড়ার জন্য নয়, কিংবা পৃথিবী ধ্বংস হলে বেঁচে থাকার প্যারা-প্ল্যান হিসাবে নয়— বরং একটি গভীর প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে: ‘ওখানে কি কখনো কোনো জীবন ছিল?’ মূল লক্ষ্য ছাদ গড়া নয়— ধ্বংসপ্রাপ্ত অণুজীব খুঁড়ে বার করা।
‘এলনের মঙ্গল শহর’ ভুলে যান— নাসার দৃষ্টি বিজ্ঞানের দিকে। তারা চায় মহাকাশযাত্রীদের পাঁচ কিমি গভীরে খুঁড়তে, মোবাইল ল্যাবে নমুনা বিশ্লেষণ করতে, এবং মঙ্গলের শিলা পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু চমক এখানে: কোন অবতরণ স্থান বাছা হয়নি, 'গ্রহ সুরক্ষা' নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই, আর কংগ্রেস বারবার নাসার বাজেট পাল্টায়। এতে ‘একটি বিশাল লাফ'-এর কথা আর থাকে না।
আখেরে মঙ্গল কর্মসূচিতে বিজ্ঞান নেতৃত্ব দিচ্ছে। মঙ্গল শুধু কুল কারণে নয়, কারণ এটি উত্তর দিতে পারে যে জীবন কি শুধু পৃথিবীতেই সীমাবদ্ধ কিনা। আমরা শুধু কোনো অনামী নীল-সবুজ শৈবালের (cyanobacteria) জীবাশ্ম পেলেই, বিষয়টা চিরকালের জন্য বদলে যাবে।
বিশ্বাস ছিল, টাইমিং ভুল। কংগ্রেস মঙ্গল থেকে নমুনা ফেরতের কাজ থামিয়ে দিয়েছে, আর আর্টেমিসও বাজেটের বাইরে গেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ অর্থের দায়িত্ব না নেবে, এটা শুধুই ছদ্ম-বৈজ্ঞানিক কল্পনা।
মানুষের জীবন কেন বিপদে ফেলবেন? আমাদের টিকে আছে পারসিভেরান্স-এর মতো চমৎকার রোভার, যারা বিজ্ঞান নিখুঁতভাবে করছে। রোবটরা কম খরচে ও ঝুঁকি ছাড়া খুঁড়তে, বিশ্লেষণ করতে পারে এবং নমুনা ফিরিয়ে আনতে পারে।
রোবটগুলো চমৎকার, কিন্তু মানুষের মতো পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে না। মঙ্গলে একজন ভাঙ্গনবিদ এমন কিছু দেখতে পাবেন যা রোবট লক্ষ্য করবে না। শিলার উপর মানুষের হাতের সোজা ও দক্ষ ছোঁয়া অপরিহার্য।
মঙ্গলে পৃথিবীয় ব্যাকটেরিয়া ছড়ানো আমাকে ভয় পায়। আমরা হয়তো বিদেশী বাস্তুতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেব, সেগুলো তো আদৌ আছে কিনা জানার আগেই।
বাস্তবে এসো: কেউ অণুজীবে মাথা ঘামায় না। সবটা ঘুরছে রিয়েল এস্টেটের চারদিকে। ‘গ্লেসিয়ারের পাশে প্রাম মঙ্গল জমি’— ওখানে স্টারবাকস বসিয়ে পর্যটকদের কাছ থেকে কর আদায় করো।
প্রতিবেদন প্রযুক্তির দিকটি এড়িয়ে যায়, কিন্তু এটা চালাকি। আমরা যদি বর্তমান প্রযুক্তির চারপাশে অভিযান তৈরি করি, তাহলে উদ্ভাবনী বিকাশ সীমিত হয়ে যায়। বৈজ্ঞানিক লক্ষ্যগুলো নিজেই প্রকৌশলকে এগিয়ে নিক।
আমরা শতাব্দী ধরে মঙ্গল নিয়ে গল্প বলছি। এখন আমরা আসলেই লিখতে চলেছি পরবর্তী অধ্যায়—মানুষ সহ। এ একা জন্যই এর মূল্য আছে।