Maison Margiela Just Turned Anonymity Into a Luxury Aesthetic — But Is It Genius or Just Pretentious?
মেসন মার্জিয়েলা এবার অজ্ঞাতনামা হওয়াকেই করে তুলেছে লাক্সারি ফ্যাশনের অংশ — কিন্তু এটা আসলে বুদ্ধিমান্নার চরম না 'আড়ম্বরের' প্রকাশ?

ফ্রাঙ্ক লেবন কর্তৃক ধারণকৃত মেসন মার্জিয়েলার সর্বশেষ হলিডে ২০২৫ এর ক্যাম্পেইনে মডেলদের মুখ সম্পূর্ণ রেশমি মাস্ক দিয়ে ঢাকা, যা মার্জিয়েলার ঐতিহ্যকে পুনরুত্থিত করে। এটা শুধু মার্কেটিং নয়—এটা একটি দর্শন। গ্লেন মার্টেন্সের নেতৃত্বে ব্র্যান্ডটি নাটকীয়তা ও রহস্যের ওপর আরও বেশি জোর দিয়েছে, অনামীতাকে শুধু চালাকি হিসেবে না ভেবে 'স্টাইল' হিসেবে গ্রহণ করেছে।
ক্যাম্পেইনে হাইলাইট করা হয়েছে অ্যাভান্ট-প্রিমিয়ার এসএস২৬ সংগ্রহ, যাতে আছে 'প্রেসড অ্যান্ড ফয়েলড' ট্রেঞ্চ কোট, বায়াস-কাট গাউন, ধাতব ট্যাবি বুট এবং বিকৃত আকৃতির ব্যাগ যেমন ৫এসি সফট এক্সএল। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় জিনিসটা কী পরেছে সেটা নয় — কী দেখাচ্ছে না, সেটা। অর্থাৎ তাদের মুখ। বর্তমান ইনফ্লুয়েন্সার-কেন্দ্রিক যুগে মার্জিয়েলা একেবারে উল্টো কাজ করছে। ব্যক্তিত্ব নয়, উপস্থিতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ভাবছি দেখি: মুখ ঢাকা রাখা হচ্ছে এক ধরনের ক্ষমতার প্রকাশ। এটা তোমাকে মডেলের ওপর না গিয়ে পোশাকের ওপর নজর বসায়। ইনস্টাগ্রামে যেখানে শুধু টান দেওয়া হচ্ছে, মার্জিয়েলা বলছে 'এই কোটটা দেখুন'। এটা আড়ম্বর নয়—এটা সৃষ্টিতে সুরক্ষা। সৃজনশীল কাজ কার গায়ে পরা হলো সেটার ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়।
ওহ, দয়া করে। এটা হচ্ছে ধনী মানুষদের আভান-গার্ডের নাটক। রেশমি মাস্ক? সত্যি বলুন? এটা বিদ্রোহ নয়—এটা ধনী ছেলেদের কৃত্রিম ব্যঙ্গ। তবে এদিকে প্রকৃত শিল্পীরা অজ্ঞাতনামা থাকার মতো সুযোগ পায় না। খেতে হলে তাদের ফলো আর লাইক চাই।
নতুন কিছু নয়—এটা ঐতিহ্য। মার্জিয়েলা ডাডা, সারিয়ালিজম এবং ৮০-এর দশকের পারফরম্যান্স আর্ট থেকে এই ধারাকে গ্রহণ করেছে। পরিচয় লুকানো দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিদ্রোহী কৌশল। ২০২৫ সালেও আমরা এটা নিয়ে বাগবিতণ্ডা করছি—এটা বোঝায় যে এখনও এটা কতটা বিপ্লবী।
এটাকে পছন্দ করুন বা না করুন, এটা হচ্ছে মার্কেটিংয়ের উচ্চতর ক্লাস। রেশমি মাস্ক শুধু আকর্ষক নয়—এটি তাৎক্ষণিকভাবে প্রতীকী হয়ে উঠেছে। নাম বা মুখের প্রয়োজন নেই। কালেকশন, স্টাইল, রহস্য—এভাবেই তৈরি হয় ঐতিহ্য।
এবং এখানে হাস্যকর অংশ: ওই 'আইকনিক' মাস্কের দাম ৪৫০ ডলার। তাই হ্যাঁ, এটা আর্ট। আর এটা ৪৫০ ডলারের মুখোশ যাদের কাছে আগেই পোশাক জমে গেছে।
অজ্ঞাতনামা হওয়া সামাজিকতার বিরুদ্ধে নয়। এটি হলো 'পরিচয়ের' বাজারকেন্দ্রিকতার বিরুদ্ধে। যখন ইনস্টাগ্রামে তোমার মুখই তোমার ব্র্যান্ড, তখন তা না দেখানো হচ্ছে সর্বোচ্চ ধরনের প্রতিরোধ।
আমার কাছে দর্শনের চেয়ে গুরুত্ব বেশি আছে জিনিস। আমি ধাতব ট্যাবি বুট দেখেই আমার মানিকে জানালা দিয়ে লাফ দিতে দেখলাম।