Are U.S. Airlines Facing an Epidemic of Sick Days — or Staff Rebellion?
আমেরিকান এয়ারলাইনগুলো কি আসলে অসুস্থতার মহামারীর মুখোমুখি, নাকি কর্মীদের নীরব বিদ্রোহের?

শনিবার ও রবিবার স্পিরিট এয়ারলাইনস 50% ফ্লাইট বাতিল করেছে যেহেতু প্রায় সমস্ত ক্রুই অসুস্থ বলে ফোন করছেন। এটা শুধু ফ্লুর ছড়ানো নয়—এটা পুরোপুরি পরিচালনা ব্যবস্থার ধস। দলের বড় ছাঁটাইয়ের পর থেকে এরা কর্মীহীন, এখন তাদের রিজার্ভ দল সম্পূর্ণ নিঃশেষ হয়ে গেছে।
জেটব্লু এবং ফ্রন্টিয়ারও একই রকম সঙ্কটে। জেটব্লু তার ‘লেভেল ৩’ জরুরি পরিকল্পনা চালু করেছে—প্রায় কর্পোরেট রেড অ্যালার্ট। ফ্রন্টিয়ার আরও এগিয়ে গিয়েছে—অসুস্থতার ছুটির জন্য চিকিৎসকের নোট দাবি করছে। আসল প্রশ্ন হলো: এটা কি স্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি, নাকি ক্লান্ত ক্রুদের নীরব বিদ্রোহ?
সোজা কথা বলুন—এটা ফ্লু নিয়ে নয়। এটা কর্মীদের মনোবল নিয়ে। লো-কস্ট ক্যারিয়াররা কর্মচারীদের অতিরিক্ত কাজ দেয়, কম বেতন দেয়, তারপর অসুস্থ হওয়ার কথা বললে আবার 'আঃ' করে। ক্রুরা কেবল একটু একটু করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাচ্ছে।
রিজার্ভ ক্রু থাকে একটা কারণে। যদি তারা শেষ হয়ে যায়, এর মানে এয়ারলাইন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা করে নি। এটা বিদ্রোহ নয়, পরিচালনা পরিকল্পনার ব্যর্থতা। বেসিক বাফার ক্যালকুলেশন। 20% অনুপস্থিতি? এটা আগে থেকে বোঝা উচিত ছিল।
ঠিক বলেছেন, কিন্তু মনে রাখুন: অসুস্থ হওয়ার হার চারগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে—এটা স্বাভাবিক নয়, সংকট পর্যায়।
আমার পরিবারকে ডেনভারে আটকে রেখেছে। কোনো তথ্য নেই, কোনো সহায়তা নেই। সেই সময় ফ্রন্টিয়ার আমাদের চিকিৎসকের নোট আনতে বলে, কিন্তু কোথায় পরীক্ষা করাব সেটাও বলে না। বাহ, কী গ্রাহক পরিষেবা!
স্পিরিট-এর পাইলটদের ছাঁটাই করা হয়নি, তবুও তারা গুচ্ছে গুচ্ছে ছেড়ে চলেছে। এটা অনেক কিছু বলে। বেতন, পরিবেশ, চাকরির স্থায়িত্ব—এগুলি সবকিছুই প্রশ্নের নিচে। মানুষকে যন্ত্রের মতো ব্যবহার করলে আনুগত্য পাবেন না।
সিডিসি বলছে ফ্লু ছড়াচ্ছে, 3,100 মৃত। এটাকে 'ষড়যন্ত্র' বলে গাসলাইটিং করবেন না। মানুষ সত্যিই মারা যাচ্ছে। এটা একটা জনস্বাস্থ্য সংকট হিসাবে বিবেচনা করুন।
আমি কয়েক সপ্তাহ ধরে জেগে রাতের ফ্লাইটে কাজ করেছি, বিশ্রাম ছাড়া। আমি যখন ফ্লুতে অবশ হয়ে পড়ব, তখন আমাকে কোনো নোট নিয়ে আসতে বলবেন না। এয়ারলাইনগুলো আমাদের রক্ত খেয়ে শুকিয়ে দিয়েছে—এখন তাঁরা চায় আমরা হাসুক আর তাঁরা টাকা গোনা শুরু করুক।
শেষ চিন্তা: এটা মনে হচ্ছে কর্মীদের অভাব, কিন্তু আসলে বিশ্বাসের সাঙ্কেতিক ধস। যখন কর্মীরা নিজেদের অসহায় মনে করে, তখন এয়ারলাইন ব্যর্থ হলেও তাদের আগ্রহ থাকে না।