Salah to the Rescue Again? Is AFCON the Stage Where Liverpool’s ‘Quiet Man’ Finally Roars Back to Life?
আবার সালাহ উদ্ধার করলেন? আফ্রিকা কাপে কি লিভারপুলের 'নীরব মানুষ'-এর ফিরে আসা নির্ঘোষিত হয়েছে?
সালাহের শেষ মুহূর্তের গোলের জোরে মুশকিলে পড়ে মিসর ২-১ জোর করে জিম্বাবুয়েকে হারাল—কিন্তু সামনে এসে বলি, ম্যাচটাই ছিল দখল তবু হারা রোগের ক্লিনিক। ৭০% এর বেশি দখল, তিনগুণ শট, তবু জয় হাতছাড়া হতে পারে কারণ তাদের মধ্যে হত্যার ধারা কোন ছুটিতে গিয়েছিল।
কিন্তু তখনই এসে উপস্থিত হলেন মো—২০১৮ সাল থেকে আহ্বানিত একজনের মতো অতিরিক্ত সময়ে ধাক্কা দিলেন। যিনি সদ্য অ্যানফিল্ডে অর্ধেক ঘুমন্ত অবস্থায় দেখা গিয়েছেন? হঠাৎ জেগে গেলেন। জাতীয় দলের আত্মা কি একমাত্র কারণ? নাকি ক্লাব ফুটবলই তাকে ভারাক্রান্ত করেছে?
বেশি উত্তেজনায় যাই না। সালাহ গোল করেছেন, হ্যাঁ—কিন্তু তিনি রাতের খেলায় কতবার আকাশের দিকে শট পেতেছেন? চাঁচায় ছাড়া তিনটি শট—এটা ‘শীর্ষ স্তরের’ না। একটি ভালো খেলার পর তিনি ‘ফিরলেন’—এ গল্প কেবল ফুটবল মিডিয়ার ডোপামাইন।
৯১ মিনিটে গোল করে প্রথম আফকন গ্রুপ ম্যাচ জেতা শীর্ষ স্তরের না? এটাই কিন্তু ঐতিহ্য গড়ে দেয়। কয়েকটা মিস করেছেন? ম্যারাডোনাও তো করেছেন। একারণেই তিনি হন দলনেতা।
পরিসংখ্যানের উপরে: মাঠে পা রাখলেই যে জাতিকে উঠিয়ে দেয়, সেটা হল উর্ধ্বমান। ক্লাব ফুটবল তাকে টাকা দেয়, কিন্তু মিসর তাঁর আত্মা পূর্ণ করে।
জিম্বাবুয়ে গভীরে নেমে আসল। মিসর পাশে ঘুরল, কিন্তু আক্রমণ ধীর ছিল। তারপর সালাহ ডান পাশ থেকে ভেতরে ঢুকে শট নেওয়ার মুহূর্ত? ঠিক সেই পুরনো ট্রিগার। ক্লাব ম্যানেজারদের—আপনারা কি দেখছেন?
অ্যানফিল্ডে তিনি প্রত্যাশার চাপে আছেন। আর এখানে, লুকিয়ে উড়ছেন। চাপ নেই, কেবল জোস। মাঝেমধ্যে এটাই দরকার, একজন প্রতিভাবানের।
আমরা কি জিম্বাবুয়েরও মূল্যায়ন করব না? র্যাঙ্ক ১১৪-এ, কোন সুপারস্টার নেই, কিন্তু সংগঠিত, নিয়মানুবর্তী। লিভারপুলের তারকাকে লড়াইতে জড়িয়ে রাখল ৯০ মিনিট। এটাই ফুটবল।
গোলের পর তাঁর চিৎকারটা দেখেছেন? শুধু আনন্দ নয়। মুক্তির অনুভূতি। জাতির জন্য, তার নিজের জন্য। বছরের ভার নামল।
২০০৪-এর গ্রিসের কথা মনে পড়ে। কেউ তাদের সুযোগ দেয়নি। কিন্তু হৃদয়, কাঠামো এবং এক ম্যাজিক্যাল মুহূর্ত তাদের মহিমায় নিয়ে গেল। মিসর এখনও সেখানে নেই, কিন্তু সালাহ তাদের চ্যারিস্টিয়াস হতে পারেন।