Did Scientists Just Film the Ocean's Most Bizarre Mating Ritual—And What's It Doing with That Jelly?
নাকি বিজ্ঞানীরা মহাসাগরের সবচেয়ে অদ্ভুত মিলন অনুষ্ঠানটা ধরে ফেলেছেন—আর ওটা সেই জেলিটার সঙ্গে কী করছে?

তো তারা একটা সাত হাতওয়ালা অকটোপাস ধরে ফেলেছে—যদিও ওটা আসলে সাত হাতওয়ালা নয়। আট হাত। কিন্তু পুরুষটা শুক্রাণু স্থানান্তরের জন্য মিলনকালীন একটা হাত ছিঁড়ে ফেলে। হ্যাঁ, তারপর এটা সমুদ্রতলে কোনো পার্টির পর হাফ মারা অবস্থায় ঘুরে বেড়ায়। এই জীবটা আসলে এক ধরনের মহাসাগরীয় অঙ্গ-বিচ্ছেদকারী, দীর্ঘমেয়াদী প্রেমে ভয় পায়।
আরও ভালো কী? এটাকে ধরা পড়েছে একটা বিশাল লাল জেলি ফিশ আঁকড়ে ধরে, যেন সে পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত মেলাতে পুরস্কার জিতেছে। সিফালোপডটা জীবনকে আসলেই বুঝে নিয়েছে—জেলাটিনাস প্যাঁচাগুলো খাচ্ছে, প্রেমে হারিয়েছে অঙ্গ, আর গোপন সাগরীয় অস্তিত্বের মতো গবেষণা জাহাজের ক্যামেরায় হাজির হচ্ছে।
আমরা কি কথা বলতে পারি কি না, যে এটা আসলে জননমূলক আত্ম-বিকৃতি? এমন কোনো প্রাণী বিবর্তিত হয়েছে যে মিলনের জন্য নিজের অংশ ফেলে দেয়—আমাকে খুব বেমানান লাগে। মনে হয় প্রকৃতির টক্সিক সম্পর্কের সংস্করণটা দেখছি।
ভাই, সিফালোপডগুলো লক্ষ লক্ষ বছর ধরে এটা করছে। আসলে আমরা মানুষেরাই অদ্ভুত, আমাদের একটা নখ পড়লেও হ্যাঁপাচ্ছি।
আমরা সেই প্রজাতিটিকে মুছে ফেলতে পারি গভীর সমুদ্রে খননের একটা বিস্ফোরণেই, যেটা আমরা মাত্র চার বার দেখেছি। আর তারপরেও আশ্চর্য হই যেন সমুদ্র কোনো পুরাণের মতো লাগে।
আমরা এখানে দারুণ প্রযুক্তির কথা উপেক্ষা করব না—৪K গভীর সমুদ্রের ক্যামেরা? এটা হলো পরবর্তী ধাপের উদ্ভাবন, বন্ধুরা। আমরা আসলে এলিয়েনের ডকুমেন্টারি বানাচ্ছি, কিন্তু এলিয়েনরা সমুদ্রের তলায় থাকে।
মজার তথ্য: 'হারানো' হাতটা প্রকৃতপক্ষে হারায় না। এটা খসে যায় আর নিজের কাজ করে। প্রকৃতির বায়ো-ডিসপোজেবল ভালোবাসার তীরের সংস্করণ।
আমি ঘুরে জানতে চাই এটা কাকটে স্বাদে কাটফিশের মতো কি না। আমার এক বন্ধুর পক্ষ থেকে প্রশ্ন।
যতদিন না কেউ এটাকে গ্রিল করে রসুন-মাখা মাখনের সঙ্গে পরিবেশন করছে, ওটা শুধু মনস্তাত্ত্বিক সমস্যায় ভুগছে এমন একটা অদ্ভুত অকটোপাস।