Astronomers Just Found a 'Planet' So Far From Its Star, It Shouldn’t Even Exist – Is This the Edge of Reality?
একটি 'গ্রহ' তার তারার থেকে এত দূরে আছে যে সেটা আদৌ থাকার কথা নয়—আসলেই কি এটা বাস্তব?

জ্যোতির্বিদরা এমন একটি 'গ্রহ' খুঁজে পেয়েছেন যার তারা থেকে দূরত্ব আমাদের সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্বের চেয়ে ৬৯০ গুণ। একটু ভেবে দেখুন তো। এই KOINTREAU-1b-এ একটি বছর পৃথিবীর ১৫,০০ বছরের সমান হতে পারে। আর তবুও এটি তার তারার সাথে নিউটনের মহাকর্ষ আইনে বাঁধা। এটা গ্রহ না—এটা মহাজাগতিক সহ-ভাড়াটে যে সম্পর্ক নিয়ে খুব একটা গুরুত্ব দেয় না।
আরেকটি KOINTREAU-2b—একটি ম্লান, প্রায় অদৃশ্য তারা যার স্পেকট্রাম দেখতে হচ্ছে যেন সে কালো চশমা পরেছে। কোনো হাইড্রোজেন নির্গমন নেই? একটি যুব তারার ক্ষেত্রে? এটা হলো যেন এমন একটি কিশোর খুঁজে পাওয়া যে কোনোরকম মনোযোগ চায় না। অসম্ভব। জ্যোতির্বিদরা মনে করেন দৃশ্যটি একটি ডিস্ক দ্বারা আবৃত, যেন একটি ভিনাইল রেকর্ড আপনার দিকে মুখ করে আছে। যদি সত্যি হয়, তবে তারা গঠনের মডেল আমাদের আবার লিখতে হতে পারে। কিংবা হয়তো মহাবিশ্ব শুধু পদার্থবিদদের জোকস করতে ভালোবাসে।
টানটান করে বলতে, ৬৯০ AU-এ একটি 'গ্রহ' পাওয়া মানে আসলে একটি ব্যর্থ নক্ষত্র যাকে গ্রহ হিসাবে দত্তক নেওয়া হয়েছে। এত দূরে গঠন? বর্তমান কোর অ্যাক্রিশন মডেল সেটা সরাসরি নাকচ করে। এর মানে ডিস্ক অস্থিরতা আগের চেয়ে বেশি প্রচলিত, নতুবা এটি আদৌ মহাকর্ষে বাঁধা থাকার কথা নয়। যাই হোক, এগুলোর কারণে বই হালনাগাদ করা হবে।
যখনই আমরা কিছু পাই যা 'ভাঙে' মডেল, আমরা মডেলকে পবিত্র হিসেবে দেখি, আর মহাবিশ্বকে মিথ্যা বলে ধরে নিই। হয়তো মডেলগুলোই ভুল। হয়তো প্রকৃতি আমাদের বই পড়ছে না।
সম্মান আছে। কিন্তু কক্ষপথের গতির স্পেকট্রোস্কোপিক নিশ্চিতকরণ না হওয়া পর্যন্ত এটি এখনও সন্দেহজনক। হাই-কনট্রাস্ট ইমেজিং চমৎকার, কিন্তু আগে কিছু পটভূমির বস্তু আমাদের প্রতারিত করেছে।
অবশ্যই। বছরের পর বছর ধরে অ্যাস্ট্রোমেট্রি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ৮-১০মি টেলিস্কোপে এডাপটিভ অপটিক্স আমাদের ডকটি আগেই মেয়াদ ফুরানোর আগে নিশ্চয়তা দেয়।
ঘুরে ধরুন: টাইপ তিন সভ্যতা তাদের পতাকা গাড়ার জন্য একঘেয়ে তারার চারপাশে অদ্ভুত সঙ্গী ছেড়ে যায়। আগামী সপ্তাহের পেপার: 'টাওরাসে সাদা বামনের চারপাশে ডাইসন স্ফিয়ার পাওয়া গেল'। টেনশন ধরে রাখুন।
তাহলে... এমন একটি গ্রহ আছে যার তারার চারপাশে ঘুরতে ১৫,০০০ বছর লাগে। ১৫ দিন ধরে দুয়োলিংগো স্ট্রিক ধরে রাখতে পারি না। তুলনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি।
বিষয়টা কল্পনা করুন। 'হে সিরি, KOINTREAU-1b-এ যাবার পথ দেখাও'। এটা যেন কোনো ওয়াইফাই পাসওয়ার্ডের মতো শোনাচ্ছে।
আমরা শতাব্দী ধরে যুক্তি করেছি যে পৃথিবী মহাবিশ্বের কেন্দ্র কিনা। এখন আমরা 'গ্রহ' বলতে কী বোঝায় তা নিয়েও একমত হতে পারছি না। আমরা পরাজিত নই। আমরা চাকরি হারানো।