Ningaloo Reef Just Got Cooked: Is This the End of Coral as We Know It?
নিঙ্গালু প্রতিশোধ নিল সুপারহিটেড সমুদ্রের হাতে—আমরা কি কোরাল রিফের শেষ দৃশ্য দেখছি?

গত গ্রীষ্মে, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া রেকর্ডভুক্ত ইতিহাসের সবচেয়ে ঘনীভূত পানির নিচের তাপপ্রবাহের শিকার হয়। আমরা, বিজ্ঞানীরা, রং ছাড়ানোর ঘটনার ছয় মাস পর নিঙ্গালু রিফে ফিরে এলাম—আমাদের চোখে পড়েছিল ভয়ংকর দৃশ্য: উষ্ণ জল এলাকাতে শতকরা ৬০ ভাগের বেশি প্রবাল মারা গেছে, আর কিছু এলাকায় বেঁচে থাকার চেয়ে দ্বিগুণ প্রবালই মারা গেছে।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিকটি কী? এই শাখাযুক্ত প্রবাল শুধু সুন্দর ছিল না—ওরা ছিল বাস্তুতন্ত্রের প্রকৌশলী। তাদের বিলোপ মানে মাছ, চিংড়ি বা ছোট্ট তারামাছের আবাস হারানো। আর শৈবাল ও ঝিনুক এখনই ঢুকে পড়েছে। এটা শুধু রং ছাড়ানো নয়—এটা পুরোপুরি ভাঙন।
হতাশায় ডুবে যাওয়া সহজ, কিন্তু কিছু প্রজাতি—যেমন ভেরনের টিউব কোরাল—বেঁচে গেছে। এটাই আশা। ধৈর্য এখনও মরেনি—এখনও নয়। আমরা যদি স্থানীয় চাপ কমিয়ে সময় কেনা করি, তবে পুনর্জন্ম সম্ভব।
‘সময় কেনা’? এটা শুধু অপরিহার্য অপ্রতিরোধ্য বিষয়কে আরও কিছুক্ষণ ঢেকে রাখা। আমরা দশকগুলো ধরে এটা জানি। জীবাশ্ম জ্বালানি এখনও রাজা। পর্যটন কার্বন ছাড়ছে। আমরা ‘সময় কিনছি’ না, আমরা টাইটানিকের ডেকে পার্টি করছি।
হ্যাঁ, টাইটানিকের রূপকটা পুরনো, কিন্তু সত্যিকারের। তবু, আমি এবছর ৮,০০০ ছোট প্রবাল রোপণ করেছি। হতাশার চেয়ে কর্মের মূল্য বেশি।
স্থানীয় পুনরুদ্ধার স্পর্শকাতর, কিন্তু এটা রক্তক্ষরণের উপর প্লাস্টার ব্যান্ডেজের মতো। আমাদের গোড়া থেকে জীবাশ্ম জ্বালানি বন্ধ করার জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তি দরকার—গতকাল থেকেই। না হলে, প্রতি ডলার প্রবাল পুনরুদ্ধারে খরচ কোনো জীবন্ত প্রকল্পে নয়—একটি জীবন্ত জীবাশ্ম জাদুঘরে দান হবে।
আমি আমার ছাত্রদের ১৯৯৮ সালে নিঙ্গালুতে নিয়ে গিয়েছিলাম। পানির নিচে রংধনুর মতো লাগছিল। এখন এটা ধূসর। আমাদের নাতি-নাতনিদের জন্যও যদি রাখতে না পারি, তাহলে আমরা কোন ধরনের পূর্বপুরুষ?
চলুন খরচ হিসাব করা যাক: নিঙ্গালু পর্যটন, মৎস্য ও উপকূলীয় সুরক্ষাতে লক্ষাধিক মানুষের সমর্থন করে। জীবাশ্ম জ্বালানির ভাতা থেকে কাটা প্রতি ডলার যদি বাড়তি শক্তির ক্ষেত্রে যায়, তবে তা সময়ের সাথে তিন গুণ ফল দেবে।
৩ডি প্রিন্টেড জৈবপলিমার দিয়ে কৃত্রিম প্রবাল প্রাচীর কেন তৈরি করব না? নাকি মেঘে বীজ ছড়িয়ে সমুদ্র ঠাণ্ডা করব? উদ্ভাবনই আমাদের বাঁচাবে। আমাদের পেছন দিকে ফিরে যেতে হবে না।
টেকব্রো৪২, আমরা এমন কোরাল হারিয়েছি যা হাজার বছর ধরে বাড়ছিল। কোনো কৃত্রিম ‘রিফ’ কখনও একই প্রজাতির বৈচিত্র্য ধারণ করতে পারবে না। শোক অসাফল্য নয়। এটা হলো প্রেম যার জায়গা নেই। চলুন অনুভব করি, তারপর কর্মে নামি।