China Just Launched Another Batch of Mega-Constellation Satellites—Is Global Internet Dominance Inevitable?
চীন আরও এক ব্যাচ মেগা-তারকামণ্ডল উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে—কি বৈশ্বিক ইন্টারনেট আধিপত্য অনিবার্য?

আরেকটি লং মার্চ, আরও কয়েকটি উপগ্রহ কক্ষপথে প্রেরণ। এবার চীনের মহাকাশভিত্তিক ইন্টারনেট তারকামণ্ডলের ১৩তম ব্যাচ। এই গতিতে, চীন শুধু স্টারলিংকের বিকল্প গঠন করছে না—সম্ভবত তাকে হারিয়ে দিচ্ছে।
3.8 মিটার চওড়া ফিউজেলেজ সহ লং মার্চ ১২ রকেট জোরালো আপগ্রেডের চিহ্ন। আর ৬০৭টি উৎক্ষেপণের অভিজ্ঞতা আছে এর, আর তাই এটি এবার কেবল প্রতীক নয়—চীনের মহাকাশ কৌশলের মূল ভিত্তি। এই দ্রুততা যদি বজায় থাকে, তবে আমরা আকাশে ভাসমান প্রথম পুরোপুরি রাষ্ট্রপৃষ্ঠিত অ-পাশ্চাত্য ইন্টারনেটের গোড়াপত্তন দেখছি।
প্রশ্নটা শুধু ক্ষমতা নয়। কক্ষপথের অধিকার নিয়ে। কে লো আর্থ অরবিট (LEO)-এর পুলিশ? ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস চুক্তি এখনো চলছে, কিন্তু বয়স ধরা পড়ছে। চীনের শতাধিক উপগ্রহ পাঠানো ঠিক আছে—যতক্ষণ না কেউ তাঁর সাথে ধাক্কা খায়।
প্রতি নতুন উৎক্ষেপণে কেসলার সিনড্রোমের ঝুঁকি বাড়ে। এই ঝাঁক নেটওয়ার্কের সুবিধা দেয় কিন্তু সংঘর্ষের হিসাবে বিপর্যয়। আকাশ অসীম নয়—আর চীন কক্ষপথের জায়গা নিতে ঝুঁকি নিচ্ছে।
সত্যি বললে? আমি উত্তেজিত। দূরবর্তী এলাকাতে সস্তা, দ্রুত ইন্টারনেট? আমি প্রস্তুত। এটা মহাকাশ প্রতিযোগিতা নয়। এটা সংযোগের প্রতিযোগিতা। আর কেউ এখন স্টারলিংকের একচ্ছত্র আধিপত্য চ্যালেঞ্জ করছে।
হাইনান উৎক্ষেপণ কেন্দ্র খেলা বদলে দেয়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে চওড়া রকেট নিক্ষেপ? এটি লক্ষাধিক উপগ্রহ পাঠানোর জন্য প্রতিনিয়ত ইঞ্জিনিয়ারিং।
সাফল্যকে চোর বানানো বন্ধ করুন। যদি কোটি কোটি মানুষের ইন্টারনেট দ্রুত হয়, তা জয়। বিশ্বকে চীনা উপগ্রহ ভয় নয়—আমাদের নিজেদের সরবরাহকারীদের কাছে একই দাবি করা উচিত।
আর একা এই বছরেই স্পেসএক্সের চেয়ে বেশি উপগ্রহ পাঠিয়েছে চীন—এই পরিসরই সবকিছু বদলে দেয়।
ঠিক ধরেছেন। আর চীনা উপগ্রহ যদি ইউরোপীয় আবহাওয়া সিস্টেম নষ্ট করে দেয়, তখন কার দায়? চুক্তিতে উৎক্ষেপণের পুনরাবৃত্তি নয়—পরিণাম গুরুত্বপূর্ণ।
আর কে এই নেটওয়ার্কগুলির অডিট করে? যদি চীনের উপগ্রহ পৃথিবীজুড়ে থাকে, আর রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত হয়, তা কেবল ইন্টারনেট নয়—এটি একটি নজরদারির স্তর।