Is Prince George Being Shielded From the Spotlight — or Is the Royal Family Just Playing It Too Safe?
প্রিন্স জর্জকে কি আলো থেকে দূরে রাখা হচ্ছে—না নিয়ম আবার খুব নিরাপদ পথ ধরে চলছে মহারাজপরিবার?

২০২৬ সালে প্রিন্স জর্জের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি শুধু পারিবারিক সিদ্ধান্ত নয়—এটি একটি নাটকীয় পিআর চ্যালেঞ্জ। রাজকীয় মা-বাবা উত্তরাধিকার (ইটন, যেখানে উইলিয়াম ও হ্যারি পড়েছিলেন) এবং আধুনিকতা (মার্লবোরো, যেখানে কেট পড়েছিলেন) এর মধ্যে বিভক্ত। কিন্তু আসলে কী আকর্ষক সেটা স্কুল নির্বাচন নয়—সময় নির্বাচন। আগের ভর্তির ক্ষেত্রে তাঁরা সবসময় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ঘোষণা পিছিয়ে দিয়েছেন—প্রায়শই ঘোষণার কয়েক সপ্তাহ আগে। এটা কি ভাবনাপূর্ণ মা-বাবা হিসাবে কাজ, নাকি কৌশলগত এড়ানোর তালিকা?
১৯৯৫ সালে, উইলিয়ামের ইটনে ভর্তিতে ঘোষণা হয়েছিল তিন মাস আগে। জর্জের প্রথম স্কুল? কয়েক সপ্তাহ আগে ঘোষণা। তারপর ছিল থমাস্ ব্যাটারসির জন্য ৬ মাসের ঘোষণাসূচনা—যা পরে একটি সেলিব্রিটি সার্কাসে পরিণত হয়। এখন, তাঁরা স্পষ্টতই সেই সার্কাস থেকে দূরে থাকতে চাইছেন। কিন্তু এটাই মজা: ঘোষণা যত বিলম্বে হোক না কেন, পৃথিবী তো দেখবেই। আধুনিক গণমাধ্যমের ‘পিশাচ’ থেকে রাজকীয় সন্তানকে আসলে আবদ্ধ রাখা যায়?
স্বীকার করুন—কোনো শিশুর স্কুল জীবন সাংবাদিকরা যাতে বিচার-বিশ্লেষণ করুক, তা উচিত নয়। ওয়েলস পরিবার জনপ্রিয়তা এড়াচ্ছেন না, তারা জর্জের মানসিক স্বাস্থ্য বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। বৈশ্বিক নজর ছাড়াও বাচ্চা বয়স যথেষ্ট কঠিন।
দশকের পর দশক ধরে রাজপরিবারে এভাবেই পরিবর্তন হয়ে আসছে। প্রিন্স চার্লসের কথা ভাবুন—তিনিও গোর্ডনসটাউনে চুপচাপ পড়েছিলেন। এটা মানসিক দৃঢ়তা বাড়ায়। কিন্তু যদি তারা ইটন বাছেন, তাহলে তাঁরা সাম্রাজ্যবাদী প্রতিধ্বনির ঘর মজবুত করবেন। মার্লবোরো অন্তত লিঙ্গ সমতার অবদান রাখবে।
গোপনীয়তা রাখতে চান এটা বুঝতে পারছি, কিন্তু ঘোষণা পেছানো বিদ্যালয়ের ওপরও চাপ তৈরি করে। শিক্ষকদের প্রস্তুতি নিতে সময় দরকার, অন্যান্য পিতামাতা গুজব ছড়ায়। এটা শুধু জর্জের কথা নয়—গোটা সম্প্রদায় নিয়ে কথা।
নিশ্চিতভাবে ইটনই হতে চলেছে পছন্দ। শুধু ঐতিহ্য নয়—সেখানকার সামাজিক নেটওয়ার্ক লৌহদৃঢ়। মার্লবোরোতে এক পা রাখলেই পুরনো দলের কাছে ‘মধ্যবিত্ত’ বলে দেখাবে। কষ্টকর, কিন্তু সত্যি।
ওহে, ‘শৈশব রক্ষা’-এর কথাটা রাখুন। তাঁরা প্রাসাদে থাকেন, ব্যক্তিগত জেট নিয়ে ভ্রমণ করেন—হঠাৎ করে মিললেন সাধারন মা-বাবা? এই বিলম্বও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ, শুধু আরামদায়ক রূপে।
সত্যি বলতে, স্কুল চালাবেই, কিন্তু ধরুন কোনো সাধারণ বাচ্চা—‘ওহে, রাজকুমার আমার সহপাঠী’—জীবনভর চাপ পেতে হবে, ন্যায় হোক বা না হোক।
ঠিক তাই। আমরা সবাই ভাব করছি এই বিষয়টি জর্জের সঙ্গে জড়িয়ে আছে, কিন্তু আসলে রাজতন্ত্রের ‘ব্র্যান্ড’-এর কথা। প্রতিটি পদক্ষেপ জনমনের বিশ্বাস পাওয়ার জন্য হিসাব করা। নীরবতাও কৌশল।
আর মনে রাখুন—কোথাই যাক না কেন জর্জ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা চূড়ান্ত স্তরে উঠে যাবে। এটি যেকোনো স্কুলের জন্য ভার। বিলম্ব শুধু জনপ্রিয়তা নয়—লজিস্টিক্সও।