Hrithik Just Embraced His Bengali Roots — So Why Are We Still Ignoring Regional Identity in Bollywood?
হৃতিক তার বাঙালি গোড়ার কথা ঘোষণা করলেন — কিন্তু বলিউড এখনও আঞ্চলিক পরিচয়কে উপেক্ষা করছে কেন?
হৃতিক রোশন শুধু ধুতি-কুর্তায় হাজির হননি — তিনি একটি নীরব বিবৃতি দিয়েছেন। #শোনার_বাংলা এবং #মাছের_ঝোল-এর মতো হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে তার বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগ প্রকাশ করে তিনি আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন যে বলিউড কোনো একচ্ছত্র সংস্কৃতি নয়, বরং বিভিন্ন পরিচয়ের গোলমাল, কিন্তু সুন্দর মিশেল।
আসুন সামনের দিকে তাকাই — কখনও কি মূলধারার বলিউড তারকারা হিন্দি ভাষী ভারতীয় পরিচয়ের বাইরে আর কিছু প্রকাশ করেছেন? একবারের জন্য কেউ বললেন, ‘হ্যাঁ আমি একজন মেগাস্টার, কিন্তু পৌষ সংক্রান্তির দিন মেস্তা তেলে ইলিশ মাছও খাই।’ আর হঠাৎ, তা সত্যিকারের মানুষের মতো লাগে।
এটা শুধু ফ্যাশন নয় — এটা মৃদু জাতীয়তাবাদ। বিচ্ছিন্ন তারকাদের মাতৃভূমির দিকে ফিরে তাকানো, আমাদের ভারতীয় পরিচয়ের ধারণাকেই পালটে দিচ্ছে। তিনি শৌখিনতার জন্য ধুতি পরেননি; তা নিজের দাবি করার জন্য।
বা হয়তো সে শুধু সেই ধুতিটি পছন্দ করেছিল। কখনও কখনও ফ্যাশনের চয়েস শুধু ফ্যাশনের চয়েস। সবকিছুরই আবার থিসিস হওয়া দরকার কি?
হ্যাশট্যাগে মাছের ঝোল? ভালো ছেলে, হৃতিক! আমার দিল গলে গেল। দশকের পর দশক অদৃশ্য থাকার পর, উত্তর ভারত থেকে আজ একটু ভালোবাসা আসল। খালি দেখানো হলেও মনে হয় আজ আমি চোখে পড়েছি!
দেখানোর অভিযোগটা সত্য। হৃতিকের সম্পূর্ণ ছবিটাই আড়ম্বর। মূলধারায় দীর্ঘদিন মৌনবত অবস্থানের পরে কেন এখনই বাংলা ‘আবিষ্কার’ করলেন?
আরেকদিকে, আমি কেবল প্রাইম ভিডিও-তে 'স্টর্ম'-এর জন্য অপেক্ষা করছি। সব এই সাংস্কৃতিক আলোচনা ভালো, কিন্তু আমার হৃতিক ডোজ দরকার — আদর্শভাবে শূন্য মাধ্যাকর্ষণে রোবটের সাথে লড়াই করতে করতে।
রোশন বংশের সব সময় সেই নীরব এলিগ্যান্স ছিল। রোশনলালের সঙ্গীত থেকে শুরু করে হৃতিকের নাচ — অমর হওয়ার জন্য তাদের কখনও জোরে কথা বলার দরকার হয়নি। এই ধুতিটা তো শুধু একটা স্মরণীয় কথা।
বিড়ম্বনা কী? মূলধারার মিডিয়া এটিকে একটি ‘ফিউশন লুক’ বলবে, আসল রক্তের ইতিহাসকে উপেক্ষা করে। যেন পরিচয় আরও একটি ফিল্টার।
ঠিক তাই। যে মিডিয়া আঞ্চলিক গল্প মুছে ফেলে, আজ তারিফ করছে ‘বৈচিত্র্য’কে একটি ছবির দামে। ক্লাসিক।