Oasis Reunion Tour Ends with a Bang – Was It Worth the 16-Year Wait or Just Nostalgia Porn?
ওয়াস দ্য ওয়েট ওয়ার্থ ইট? ওয়াস দ্য ওয়েট ওয়ার্থ ইট? ওয়াস দ্য ওয়েট ওয়ার্থ ইট? একসময় যারা ব্রিটিশ সংস্কৃতিতে ‘বিপর্যয়ের হাওয়া’ বয়ে এনেছিল, আজ তারা ফিরে এসে নতুন প্রজন্মের হৃদয় জুড়ে গেলো?

www.independent.co.uk
Let’s be real: Oasis didn’t just reunite—they resurrected an entire era. The fact that Liam and Noel stood onstage together in 2025, not one but 41 times across the globe, is nothing short of miraculous after their 2009 implosion. Every gig had the same 23 hits, same swagger, same chaotic magic—yet it wasn’t just nostalgia fuel.
বাস্তব বলতে গেলে: ওয়াস শুধু ফিরে আসেনি—এক গোটা সময়কাল পুনর্জীবিত হয়েছে। লিয়াম আর নোয়েল যে ২০২৫ সালে আবার ৪১ বার মঞ্চে পাশাপাশি দাঁড়াবে, ২০০৯ এর বিচ্ছেদের পর বিশ্বব্যাপী—এটা অলৌকিকের চেয়েও বেশি মনে হয়। প্রতিটি শো-তে ২৩টি হিট একই স্টাইলে, একই অহংকারে, একই বিশৃঙ্খল জাদুতে—তবু এটা কেবল অতীতের গন্ধ নিয়ে আসা ছিল না।
শোনো, আমি ১৯৯৬ সালে জন্মই নিইনি, তবু 'ওয়ান্ডারওয়াল' লাইভ শুনে এমন ভাবনা এলো যা নাম দিতে পারি না। আমার সময় না হলেও, মনে হলো আমি পৌঁছে গেছি সেই সোনালি যুগে যখন সঙ্গীত আসল জিনিস ছিল। প্রতি রাতেই ২৩টি একই গান? অবাক করবে না, এটা আমাদের মধ্যে এক ধরনের পূজা তৈরি করেছে। পবিত্র পর্যন্ত মনে হচ্ছিল।
আসুন ঘোড়াকে জোড়া বলি। এটা শিল্প নয়, এটা ছিল পাওয়ার চোর্ডস আর ক্যাপিটালিজম মিশ্রণ। ব্যান্ডটি গুড়ুগুড়ু অতীতের স্মৃতি থেকে প্রতিটি টাকা তুলে নিল। প্রতি রাতেই একই হিট, নতুন গান নেই, কোনো ঝুঁকি নেই। মূলত একটি অভিযান্ত্রিক আবেগ প্রতারণা—ব্যাক ক্যাটালগ আর স্টেডিয়াম ট্যুর নিয়ে।
যে সেখানে উপস্থিত ছিল সে বুঝবে। ম্যানচেস্টারে দেখেছিলাম, শহরটা এক বিশাল পরিবারে পরিণত হয়েছিল। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষরা কাঁদছে, বোনের সঙ্গে ফিরে দেখা, মা কিশোরদের সাথে নাচছে। এখন আর শুধু সঙ্গীত নয়—জাতি হয়ে গেছে। আপনি যদি এটাকে ক্যাপিটালিজম ভাবেন তো ভাবুন। তবে এটা ছিল মনের আরাম।
অতীতস্মৃতির দ্বন্দ্ব হলো এটি সর্বদা অতীত নিয়ে, তবু একে বর্তমানে অনুভব করা হয়। ওয়াস কোনো জাদুঘরের নয়ন রত্ন দেখায়নি—দেখিয়েছে জীবন্ত ঐতিহ্যের উদাহরণ। পুনরাবৃত্তি অলসতা ছিল না—ছিল মিলনের মতো। আমরা যৌথ আনন্দ থেকে ক্ষুধার্ত ছিলাম, আর এটা এক ভোজ হিসেবে এসেছিল।
সবচেয়ে চমৎকার অংশটা কী ছিল? পার্টির পর জ্যাক গ্রিলিশ গিনেস চুমুক দিচ্ছে, আর নোয়েল ‘হাফ দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাওয়ে’ গাইছে। এই হচ্ছে ব্রিটিশ সংস্কৃতির শীর্ষ—একজন ফুটবলার, একজন রকস্টার, আর এক পিন্ট। এই তো স্বপ্ন।
আমি স্বীকার করছি—‘চ্যাম্পেইন সুপারনোভা’ গানে চোখে জল এসে গিয়েছিল। কিন্তু এই সত্যি যে কিছু পরিবর্তিত হয়নি? একই অশান্তি, একই অহং, একই গানগুলো। যদি তারা সত্যিই ফিরে আসে তবে নতুন কিছু আনুক। নইলে এটা শুধু ভদ্রভাবে পোশাক পরা ভূত।
প্রতিটি পেন্নি দাম মিলিয়েছে। আমি আমার পিএস৫ বিক্রি করেছি, বোনের জন্মদিন মিস করেছি, কিন্তু যখন ‘লাইভ ফরেভার’ শুরু হল আর হাজার হাজার মানুষ গান ধরল? হ্যাঁ, হ্যাঁ, হ্যাঁ। সেই চিৎকার. সেই অনুভব। আমি আবার একই কাজ করব।
গ্যালাঘারদের দাবি: ‘আত্মচিন্তার কিছু মুহূর্ত’। অর্থ: ২০২৬ সালে কেনবোর্থে দেখা হবে। এই আকর্ষণে ওদের কারো পক্ষে থাকা সম্ভব নয়। ৩০ বছরের ইতিহাস অতটাই জোরে ডাকছে, অগ্রাহ্য করা সম্ভব নয়।