They Just Erased 'Renewable' From A National Lab—Is This The End Of Climate Science As We Know It?
এখন আর 'ন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি' নয়! জাতীয় গবেষণাগার থেকে 'রিনিউয়েবল' শব্দটাই মুছে ফেলা হলো—আসলেই কি এটা জলবায়ু বিজ্ঞানের অন্তিম দিন?

কলোরাডোর ন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি গবেষণাগার—যা ১৯৭৭ সালে তেলের সংকট আর বৈশ্বিক শক্তি সঙ্কটের মাঝে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল—এখন হলো 'ন্যাশনাল ল্যাবোরেটরি অব দ্য রকিস'। রিনিউয়েবল এনার্জির আর একটুও উল্লেখ নেই। একমাত্র একটা নিস্তেজ ভৌগোলিক নাম, যা উদ্দেশ্য বা দৃষ্টিভঙ্গিকে স্পষ্ট করে না। এটা কেবল নাম পালটানো নয়—এটা হলো বিজ্ঞানে আইডিওলজি মিশিয়ে দেওয়ার নামান্তর।
মনে রাখুন, এই ল্যাব সৌর প্রযুক্তি আর হাইড্রোজেন জ্বালানির পথিকৃৎ ছিল। কিন্তু এখন তাদের ডিরেক্টর বলছেন, নতুন নাম মানে 'আরও ব্রডার অ্যাপ্লাইড এনার্জি মিশন'—যা হয়তো জীবাশ্ম জ্বালানি যোগ করার প্রতিশব্দ? আরও মজার ব্যাপার হলো: এই ল্যাব চলতি বছরে ১০০-এর বেশি কর্মী হারিয়েছে। যখন তারা 'সাশ্রয়ী শক্তি' বলে, তখন আমার কানে আসে 'চার বছরের জন্য আরও সস্তা গ্যাস'।
অবশেষে! এই ল্যাব ৭০-এর দশকের কাল্পনিক পরিবেশবাদী স্বপ্নে আটকে ছিল। স্বীকার করুন: আমেরিকা তেল, গ্যাস ও কয়লার ওপর চলে। 'রিনিউয়েবল' নামে ল্যাব ছিল রাজনৈতিক বিবৃতি—বিজ্ঞান নয়। এবার এটা সত্যিকারের শক্তির দিকে মনোনিবেশ করবে—সস্তা, নির্ভরযোগ্য, দেশীয়। আর নয়, জলবায়ু-আতঙ্কবাদ।
কয়েকজন সহকর্মীর সাথে কথা হয়েছে। আমরা ভেঙে পড়েছি। কেবল নাম নয়, এখানে যাচ্ছে মনোবল, তহবিলের বার্তা এবং গন্তব্য। ১১৪ জনকে চলে যেতে হয়েছে। যখন রিনিউয়েবল আর ‘মিশন’-এর সঙ্গে খাপ খাবে না, তখন কী হবে? এটা মনে হচ্ছে নীতিগত পরিবর্তন নয়, গুটিয়ে ফেলা হচ্ছে।
এটা জলবায়ু বা প্রযুক্তির বিষয় নয়। প্রকৃত বিষয় হলো সম্পদ জাতীয়তাবাদ। প্রশাসন দেশীয় জীবাশ্ম শক্তির প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার জন্য বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরধিকার করছে। রকিসে শেল, তেল আর গ্যাস আছে। একটি ল্যাবের নাম যদি 'রকিস'-এর নামে না দেওয়া হয়, তবে আপনি এর কাজকে সেই অঞ্চলের প্রত্যাহারযোগ্য অর্থনীতির সাথে সামঞ্জস্য করার চেষ্টা করছেন না।
‘ভেঙে পড়েছি’? বড় হও। বিজ্ঞান আবেগ নয়। জাতির শক্তির চাহিদা মেটানোই হলো বিজ্ঞান। যদি মিশন পালটায়, কর্মীরাও খাপ খাইয়ে নিবে। মনে হচ্ছে এই লোকগুলো শুধু সরকারি গ্রান্টের উচ্চতা হারাচ্ছে।
নাম পালটায়। গবেষণা চলতে থাকে। আমি তাদের সাম্প্রতিক প্রকল্পগুলো পড়েছি—সৌর স্টোরেজ দক্ষতা নিয়ে এখনো ভালো কাজ চলছে। ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ তহবিল আসবে আর কৌতূহলী মন থাকবে, বিজ্ঞান পথ খুঁজে নেবে। প্রতীককে বাস্তবের উপরে না তুলুন।
তাই ন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি ল্যাব এখন জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর ফোকাস করছে। পরের স্টেপে সিডিসি এর নাম বদলে 'চিকেন ডিনার কাউন্সিল' করা হবে—যাতে বোঝা যায় এখন মূল বিষয় স্বাচ্ছন্দ্যপ্রদ খাবার। আমাকে জাগাবেন যখন বিদ্রূপ মারা যাবে।
যুক্তিসঙ্গত। কিন্তু ইতিহাস দেখায় রাজনৈতিক চাপে পুনঃনামকরণের পর প্রায়ই বাজেট কর্তন আসে এবং গবেষণার দিশা বদলায়। আমি আশা রাখি গবেষণার শিরোনাম যাই হোক না কেন, ডেটা কথা বলে যাবে।
মজা একপাশে রেখে, কলোরাডোর অর্থনীতি তেলের চেয়ে বেশি নির্ভর করে পরিষ্কার শক্তির বিনিয়োগের ওপর। সৌর চাকরি বাড়ছে। দূষিত স্থানের কাছে রিয়েল এস্টেটের মূল্য? কমছে। শুধু কোনো আমলার একটি সাইন বদলে দেওয়াতে এই ল্যাবের ঐতিহ্য মারা যাবে না।