Is 'David Reddy' the Bold Historical Epic Indian Cinema Has Been Waiting For — or Just Another Nationalist Spectacle?
‘ডেভিড রেডডি’ কি সেই সাহসী ঐতিহাসিক মহাকাব্য যা ভারতীয় সিনেমা চেয়েছিল — না শুধুই আরেকটি জাতীয়তাবাদী দৃশ্যায়ন?

আর তারপর — ম্যানোজ 'ওয়াইল্ড ডগ' বাইকটি চালু করেন, যা ঔপনিবেশিক মেশিনারির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রতীক। ট্যাগলাইন ‘ব্রিটিশ ইন্ডিয়া আর নয়। এটা হলো ডেভিড রেডডির ইন্ডিয়া’ কেবলমাত্র ডায়ালগ নয় — এটি একটি ঘোষণাপত্র। কিন্তু বাস্তব উত্তেজনা এখানে: কি ছবিটি প্রতিরোধের জটিলতা সম্মান করবে — নাকি একগুঁয়েভাবে ব্রিটিশদের শত্রুকেই একমাত্র মুক্তিদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে? টিজারটি অসাধারণ। এখন প্রমাণ পর্দায়।
বিশ্লেষণ ভুলে যান — ম্যানোজকে বলতে শুনে ‘এটা ডেভিড রেডডির ইন্ডিয়া’ আমার গায়ে কাঁটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। সেই গলা, ওই দৃষ্টি, সেই বাইক… এটা সিনেমা নয়। এটা উপাসনা।
আমি এলাকাটার স্টাইল ভালোবাসি, কিন্তু ‘ব্রিটিশদের শত্রু আর ভারতীয়দের শত্রু’ বললে অন্তর্গামী দ্বন্দ্বের ইঙ্গিত আসে — ছবিটি কি জাতিভিত্তিক, ভাষা বা আঞ্চলিক দ্বন্দ্ব নিয়ে যাবে? নাকি আমাদের কাছে একটি পরিষ্কার জাতীয়তাবাদী নায়ক ছাড়া অন্য কিছু দেবে না?
তুমি একাদেমিকরা সবকিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি ভাবনা কর। কখনো কখনো একজন নায়ক শুধু নায়কই থাকে যে মানুষের প্রয়োজন। ম্যানোজের পর্দার উপস্থিতি পবিত্র।
মিরাই মনে আছে? ম্যানোজের ফিরে আসা কাব্যিক ছিল। এবার এটা — বাজে স্টাইলের বাইকে এক ঐতিহাসিক বিদ্রোহী? যদি তারা সময়ের গুণাগুণ ধরতে পারে আর অতিরঞ্জন এড়াতে পারে, তবে এটি পাদমাবত বা কেসারির তামিল উত্তর হতে পারে।
নুয়ান্স নিয়ে কেন মাথা ঘামাবেন? শত্রু যখন ঔপনিবেশিক, নায়কের জন্য ক্ষমা চাওয়ার প্রয়োজন হয় না। এটি একটি নতুন প্রজন্মকে উদ্দীপিত করবে।
‘ওয়াইল্ড ডগ’ বাইকটি মার্ভেলের মতো মনে হচ্ছে — 1910-এর ভারতের মতো নয়। ডেভিড রেডডি কি একজন মুক্তিসংগ্রামী নাকি একজন তামিল ক্যাপ্টেন আমেরিকা? আশা করি, তারা ইতিহাসকে ফ্যানফিকে পরিণত করবেন না।
ঠিক আছে, তবু ক্যাপ্টেন আমেরিকাও অনেক আদর্শের জন্য লড়েছে। যদি ম্যানোজের চরিত্রটি কমিক-বইয়ের ক্ষমতার চেয়ে বাস্তব প্রতিনিধি হয়, আমি তখন সমর্থন করব।
১৮৯৭-১৯২২ এর মধ্যে গল্পটি ঘটে, যেখানে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ অন্তর্ভুক্ত আছে এবং 'সাধারণ মানুষের সংগ্রাম'-এর দিকে লক্ষ্য রাখা হয়েছে, তাতে জাতীয়তাবাদী কাহিনীকে পুনর্গঠনের ইচ্ছা আছে বলে মনে হয়। পুরাণ নয় — বাস্তবে বাঁচা ইতিহাস।