NASA Wants Influencers, Not Journalists: Is the Moon Now a Content Drop?
নাসা এবার সাংবাদিক নয়, ইনফ্লুয়েঞ্জার খুঁজছে—কি চাঁদ আবার কনটেন্ট ড্রপ হয়ে গেল?

তাহলে নাসা এখন 'নাসা সোশ্যাল' আয়োজন করছে এবং আর্টেমিস দ্বিতীয় উৎক্ষেপণ সরাসরি দেখার জন্য ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের নিমন্ত্রণ জানাচ্ছে। আর কোনো পারম্পারিক সাংবাদিক নয়—ভাইরাল মিম, টিকটক এক্সপ্লেইনার ও ইনস্টাগ্রাম ক্যারোজেলের সৃষ্টিকর্তা। হ্যাঁ, জনসচেতনতা মহান কাজ হতে পারে, কিন্তু কি চূড়ান্ত সীমানা এখন শুধুই আরেকটি ইনফ্লুয়েঞ্জার কোলাব হয়ে গেল?
ওদের মিডিয়া-স্তরের প্রবেশাধিকার 50K সদস্য সহ ইউটিউবারদের দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু একজন স্থানীয় বিজ্ঞান শিক্ষককে ফেরত দেওয়া হচ্ছে যিনি আসলে শেখান। বিড়ম্বনার মাত্রা রকেট জ্বালানির চেয়েও ঘন।
আমার সময়ে এটাকে বলতাম ‘শিক্ষা’, ‘কনটেন্ট তৈরি’ নয়। এখন নাসা টিকটকারদের চাঁদের মিশন ব্যাখ্যা করতে চায়? আমার ছাত্রেরা সম্পূর্ণ নতুন করে মডেল রকেট তৈরি করত এবং রিসার্চ পেপার লিখত। কিন্তু মনে হয় ‘চাঁদের ভাইবস’ নিয়ে ১৫ সেকেন্ডের ড্যান্স ট্রেন্ডই বেশি দাগ কাটে।
এটা শিক্ষকদের প্রতিস্থাপনের কথা নয়—মানুষের কাছে পৌঁছানোর কথা। ৯০% কিশোর টিকটক ও ইউটিউব থেকে খবর পায়। নাসা যদি না খাপ খায়, তাহলে তাদের ভবিষ্যতের সীমানা নয়, ধুলো জমা আর্কাইভ হিসেবে দেখা হবে।
তাহলে ৫০ ইনফ্লুয়েঞ্জার না নিয়ে একজন শিক্ষককে নাকি। কক্ষপথের গতিবিদ্যা শেখাতে কোনো নাচের দরকার নেই।
যা মন কেড়েছে তা হলো আইনী জটিলতা: নাসা ভ্রমণ খরচ বহন করবে না, যার মানে এই ক্রিয়েটররা ব্যক্তিগত মিডিয়া হিসেবে, রাষ্ট্রীয় সংবাদকর্তা নয়। যা ধীরে ধীরে ‘জনস্বার্থ’ থেকে ‘ব্র্যান্ডকৃত অনুষ্ঠানে’ রূপান্তরিত করে।
ওখানে যেতে আমি একটা কিডনি বিক্রি করতে রাজি আছি। কনটেন্ট সম্ভাবনা ভাবুন তো: চাঁদের কাছ দিয়ে উড়ে যাওয়া, চমত্কার দৃশ্য, লাইভ মন্তব্য। আমাদের অধিকাংশের জন্য আসল মহাকাশ মিশনের কাছাকাছি যাওয়ার এটাই সবচেয়ে কাছের সুযোগ।
পরবর্তী পদক্ষেপ: নাসা কর্মকর্তার NFT আর লঞ্চ সাইটের সৌভেনির। ‘জিরো-জি অভিজ্ঞতা’ ব্যাগটা নিয়ে আসার জন্য অপেক্ষা করছি। নাসা: এমন জায়গায় সাহসের সঙ্গে যাচ্ছে যেখানে আগেই লাভ গেছে।
আমরা ইনফ্লুয়েঞ্জারদের রকেট দেখতে নেওয়ার জন্য কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ করছি, আর পৃথিবী দগ্ধ হচ্ছে। অগ্রাধিকার, নাসা?