Snake Discovered in Nicobar Islands Named After Steve Irwin — Is This How Conservation Should Be Done?
নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে আবিষ্কৃত একটি সাপের নামকরণ স্টিভ আইরউইনের নামে — আসলেই কি আমরা এভাবে প্রকৃতি সংরক্ষণ করা উচিত?

ভারতের কাছাকাছি নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে আবিষ্কৃত হয়েছে একটি নতুন বিষহীন সাপ—এল. আইরউইনি। শুধু আবিষ্কারই নয়, তার নাম রাখা হয়েছে মহান স্টিভ আইরউইনের নামে, যা সবার মন কেড়েছে। এটা কেবল নামকরণ নয়—এটা বিলুপ্তির দিকে যাওয়া প্রজাতির প্রতি এক প্রতীকী প্রতিক্রিয়া।
নগ্ন সত্য কথা বলি—টুইট বা লক্ষ টুইটের চেয়ে স্টিভ আইরউইনের নামে সাপ নাম রাখাটাই বেশি প্রভাব ফেলবে। এটা আবেগকে মহিমান্বিত করে। কিন্তু প্রশ্ন হলো: এটা কি শুধু পশ্চিমা বিজ্ঞানীদের গৌরব বাড়ায়, আর স্থানীয় আদিবাসীদের জ্ঞান লুকিয়ে ফেলে? নিকোবারবাসী হাজার হাজার বছর ধরে ওখানে বাস করছে। ওদের নাম কিন্তু কোনো জার্নালে আসে না।
প্রাণীদের নাম রাখা বিখ্যাত মানুষের নামে এক পাল্টার তলোয়ার। হ্যাঁ, গণমাধ্যমের নজর পাওয়া যায়, কিন্তু কী দামে? আমরা বৈজ্ঞানিক নামকরণকে ফ্যান ক্লাবে পরিণত করছি।
গণমাধ্যমের সাড়া না থাকলে মানুষ আরেকটি সাপের খবরে কোনো মাথা ঘামাত না। আসলে এই নামকরণ পদ্ধতিই বেশি গবেষণায় অর্থ জোগায়।
ঠিক তাই। নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ আদি বাসস্থান। উপনাম দেওয়ার ইউরোপীয় ঐতিহ্য কেন এখনো বিজ্ঞানকে নির্দেশ দিচ্ছে? স্থানীয় সম্প্রদায়কে নাম রাখতে দিন।
স্টিভ আইরউইন এটা খুব পছন্দ করতেন। তিনি একাডেমিক নিয়মকানুন নিয়ে মাথা ঘামাতেন না। মাছ ধরার কাদায় লুটোপুটি করতেন কুমিরের সাথে এবং প্রকৃতিকে আকর্ষক বানাতেন।
ভালো খবর, কিন্তু একটি নাম রাখলেই যে বিলুপ্তি মহামারী থামবে তা ভাবা বোকামি। আমরা প্রজাতি হারাচ্ছি তাদের নাম রাখার চেয়েও দ্রুততর গতিতে।
আমি শুধু জানতে চাই, 'ক্রাইকি আইরউইনি' কি উচ্ছ্বল গান গায়। ওই শামুকটা মনের ভালো আছে।
রবার্টের ড্যান্সিং উইদ দ্য স্টারস প্রোগ্রামে যদি সাপ না আসে, আমি আন্দোলনে নামবো।