Is 10 Minutes of Sweat Enough to Outrun Cancer? This New Study Says Maybe.
দশ মিনিট ঘাম কি ক্যানসারের চেয়ে দ্রুত হতে পারে? এই নতুন গবেষণা বলছে: সম্ভবত হ্যাঁ!
এখানে শক ফ্যাক্ট: মাত্র দশ মিনিটের একচোট তীব্র সাইকেল চালানোও এমন রক্তের পরিবর্তন এনেছে যা ল্যাবের প্লেটে কোলন ক্যানসার কোষগুলিকে কম আক্রমণাত্মক করে তুলেছিল। মাস বা সপ্তাহ নয়—অবিলম্বে। ডিএনএ মেরামতকারী জিনগুলি জ্বলে উঠেছে, আর আনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধির জিনগুলি মৃদু হয়ে গেছে।
এখন আপনি যদি স্পিন বাইক কেনার জন্য ছুটে না যান: না, এটা কোনো চিকিৎসা নয়। এটা মানব দেহে নয়, পেট্রি ডিশে তৈরি কোষে হওয়া প্রাথমিক গবেষণা। কিন্তু এটা একটা বিশাল ইঙ্গিত হতে পারে। যদি আমরা ট্র্যাক করতে পারি কীভাবে আমাদের ঘাম আক্ষরিক অর্থে কোষ পত্রে ক্যানসারকে বিষ দেয়, তাহলে ভাবুন সম্পূর্ণ সক্রিয় জীবনযাপন কী করতে পারে। আর একটা কথা—আমাদের দেহ প্রতি মুহূর্তে ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে যায়, এই ব্যাপারটা না কি মজার?
একটি জরুরি তথ্য: এটা হচ্ছে বাহিরে পরীক্ষিত (in vitro)। রক্ত ব্যায়ামের পরপরই নেওয়া হয়েছিল এবং ক্যানসার কোষগুলিতে প্রয়োগ করা হয়েছিল। আমরা এখনও জানি না যে, এই তাৎক্ষণিক পরিবর্তনগুলো মানুষের শরীরে আসল টিউমারগুলোকে প্রভাবিত করে কিনা, বা বারবার ব্যায়ামের ফলে দীর্ঘস্থায়ী সুরক্ষা তৈরি হয় কিনা। কিন্তু এটি একটি দৃঢ় যান্ত্রিক ইঙ্গিত। এখানে যা উত্তেজনাকর, তা হল: হয়তো এখন আমরা তা বুঝতে শুরু করব যে ব্যায়াম আসলে কোন ‘আণবিক সংকেত’ পাঠায়।
ঠিক আছে, আমি আর মাত্র ১০ মিনিটের ব্যায়াম করায় অনুতপ্ত হব না। শিশু যখন ঘুমোচ্ছে তখন সেই ত্বরিত এক চক্কর দেয়া? ওটাও গণ্য। আমি আনুমানিক একে ‘ক্যানসার-অনুসন্ধান-মোড’ নাম দিচ্ছি।
ভালো, কিন্তু কার্যকারণ সম্পর্ক নয়। আগেও আমরা সংযোগ দেখেছি। মানুষের মধ্যে আসল ঝুঁকি হ্রাস দেখানো দীর্ঘমেয়াদি ডেটা না হওয়া পর্যন্ত এটি ধারণা উৎপাদন করে, প্রমাণ নয়।
সবাই এই বিষয়ে ঘুমিয়ে আছ কিনা? 10 মিনিট = ম্যাজিক বুলেট? ঠিক না। কিন্তু যদি বিজ্ঞান এখন প্রমাণ করে যে ছোটো ছোটো জয় আপনার জৈবিক প্রক্রিয়া পরিবর্তন করে, তবে নিয়ম মেনে চলার জন্য এটাই শক্তি। পারফেক্ট ব্যায়ামের জন্য অপেক্ষা বন্ধ করুন। শুধু শরীর নড়াচড়া করুন।
অবশ্যই বলছ। আমি বছরের পর বছর ধরে ‘পারফেক্ট ব্যায়াম’ মানসিকতায় ছিলাম। তারপর বাস্তবতা আঘাত করল: আমার তিনটি সন্তান। এই ধরনের গবেষণা? এটা লজ্জা ছাড়াই কিছু করার অনুমতি।
যদি আমরা রক্তে থাকা এমন এক অণুকে বাছাই করতে পারি যা ব্যায়ামের প্রভাবে পরিবর্তন ঘটায়, তাহলে কি আমরা নড়াচড়া থেকে ওষুধ তৈরি করতে পারব? আসলে, এটি আসল লক্ষ্য।
আমার দিনে ছিল সকালের আহারের আগে ১০কেমি। হ্যাঁ, সেটা আমাকে ফিট রেখেছে। কিন্তু হয়তো আমরা ১০ মিনিটের ব্যায়ামকারীকে নিন্দা করেছি। বিজ্ঞান বলে: ভালো থাকুন।